← বাংলা টপিকসমূহ | সকল বিষয়ের প্রস্তুতি

সমাস

প্রাইমারি-বিসিএসের বাংলা ব্যাকরণ অংশে সন্ধির পরেই সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে সমাস থেকে — "অমুক শব্দ কোন সমাস" বা "ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয় করুন"। ভালো খবর হলো, সমাস চেনা আসলে একটি সিদ্ধান্ত-প্রক্রিয়া: শব্দটির ব্যাসবাক্য বানিয়ে কার অর্থ প্রধান তা দেখলেই উত্তর বেরিয়ে আসে। এই পাঠে সেই প্রক্রিয়াটিই ধাপে ধাপে শেখানো হয়েছে — মুখস্থ তালিকার বদলে চেনার পদ্ধতি; শেষে ১০০+ MCQ দিয়ে অনুশীলন।

‘সমাস’ শব্দের আভিধানিক অর্থ সংক্ষেপণ, একপদীকরণ, মিলন। পরস্পর অর্থ-সম্বন্ধবিশিষ্ট দুই বা ততোধিক পদের একপদে পরিণত হওয়াকে সমাস বলা হয়। সমাস-প্রক্রিয়ার সাহায্যে ভাষা সংক্ষিপ্ত, সরল ও সুশ্রাব্য হয় — ‘রাজার পুত্র’ তিন শব্দের বদলে এক শব্দে ‘রাজপুত্র’।

সন্ধি বনাম সমাস — গোড়াতেই পার্থক্যটা ধরুন: সন্ধি ধ্বনির মিলন — পাশাপাশি দুটি ধ্বনি মিশে রূপ বদলায় (হিম + আলয় = হিমালয়; অ+আ=আ ঘটেছে)। সমাস পদের (অর্থের) মিলন — দুটি পদ মিলে এক নতুন পদ হয়, ধ্বনি বদলানো জরুরি নয় (রাজপুত্র-তে কোনো ধ্বনিই বদলায়নি)। একই শব্দে দুটোই থাকতে পারে: ‘হিমালয়’ সন্ধিও (ধ্বনি মিলেছে), সমাসও (হিমের আলয় — ষষ্ঠী তৎপুরুষ)। প্রশ্ন কী জানতে চাইছে — ধ্বনির হিসাব (সন্ধি) নাকি অর্থের হিসাব (সমাস) — সেটাই আগে দেখুন।

সমাসের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা

পরিভাষাঅর্থ
পূর্বপদসমাসের আগের পদ
পরপদ / উত্তরপদসমাসের পরের পদ
সমস্যমান পদসমাস হওয়ার পূর্বে দুই/ততোধিক পদ
সমস্ত পদসমাস হওয়ার পর নতুন পদ
ব্যাসবাক্য / বিগ্রহবাক্যসমাস ভেঙে যে ব্যাখ্যামূলক বাক্য হয়

উদাহরণ

চন্দ্রের ন্যায় মুখ যার = চন্দ্রমুখী (বহুব্রীহি); রাজার পুত্র = রাজপুত্র (তৎপুরুষ); নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম (কর্মধারয়)।

পড়ার কৌশল: প্রতিটি সমাসের সংজ্ঞা মুখস্থ করার আগে তার ব্যাসবাক্যের ছাঁচ চিনুন — দ্বন্দ্বে ‘ও’, কর্মধারয়ে ‘যে/ন্যায়/রূপ’, তৎপুরুষে বিভক্তি (‘র’, ‘এ’, ‘দ্বারা’…), বহুব্রীহিতে শেষে ‘যার/যে’, দ্বিগুতে ‘সমাহার’, অব্যয়ীভাবে অব্যয়ের অর্থ। তারপর প্রতিদিন ১৫-২০টি শব্দের ব্যাসবাক্য নিজে খাতায় লিখে সমাস নির্ণয় করুন — এই অধ্যায় পড়ে নয়, লিখে শিখতে হয়।

সমাসের প্রকারভেদ

বাংলা ব্যাকরণে প্রধান সমাস ছয় প্রকার:

  1. দ্বন্দ্ব সমাস — উভয় পদের অর্থ-প্রাধান্য
  2. কর্মধারয় সমাস — পরপদের অর্থ-প্রাধান্য, বিশেষণ-বিশেষ্য সম্বন্ধ
  3. তৎপুরুষ সমাস — পরপদের অর্থ-প্রাধান্য, পূর্বপদের বিভক্তি লোপ
  4. বহুব্রীহি সমাস — অন্য কোনো পদের অর্থ-প্রাধান্য (তৃতীয় পদ)
  5. দ্বিগু সমাস — সংখ্যাবাচক পূর্বপদ; সমাহার বোঝায়
  6. অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয় পূর্বপদ; পূর্বপদের অর্থ-প্রাধান্য

প্রধান লক্ষণ

সমাসঅর্থ-প্রাধান্যবৈশিষ্ট্য
দ্বন্দ্বউভয় পদও/এবং দিয়ে যোগ
কর্মধারয়পরপদবিশেষণ-বিশেষ্য
তৎপুরুষপরপদপূর্বপদের বিভক্তি লোপ
বহুব্রীহিঅন্য পদতৃতীয় কোনো অর্থ
দ্বিগুপরপদ-সমাহারসংখ্যাবাচক পূর্বপদ
অব্যয়ীভাবপূর্বপদঅব্যয় পূর্বপদ
ছয় সমাস আসলে একটাই প্রশ্নের ছয় উত্তর: "মিলিত পদ দুটির মধ্যে কার অর্থ টিকে রইল?" — দুজনেরই (দ্বন্দ্ব), পরেরজনের (কর্মধারয়/তৎপুরুষ), আগেরজনের (অব্যয়ীভাব), কারোরই নয় — তৃতীয় কেউ (বহুব্রীহি), আর সমষ্টি (দ্বিগু)। কর্মধারয় ও তৎপুরুষ আলাদা হয় সম্পর্ক দিয়ে: পূর্বপদ যদি পরপদের গুণ/তুলনা বোঝায় (নীল যে আকাশ) — কর্মধারয়; যদি বিভক্তির সম্পর্ক (রাজার পুত্র) — তৎপুরুষ। এই এক অনুচ্ছেদই পুরো অধ্যায়ের মানচিত্র।
সমাস চেনার ৪-ধাপ অ্যালগরিদম — ‘দশানন’ দিয়ে দেখা যাক
ধাপ ১ (ব্যাসবাক্য বানান): দশ আনন (মুখ) যার — রাবণ।
ধাপ ২ (অর্থ কার?): ‘দশ’ও নয়, ‘আনন’ও নয় — শব্দটি বোঝাচ্ছে তৃতীয় একজনকে (রাবণ)। কাজেই বহুব্রীহি।
ধাপ ৩ (উপ-প্রকার): ব্যাসবাক্যে ‘মুখ’ কথাটি ভেতরে লোপ পেয়েছে → মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি।
ধাপ ৪ (ফাঁদ যাচাই): সংখ্যাবাচক পূর্বপদ দেখে দ্বিগু ভাবতে পারেন — কিন্তু দ্বিগু হতে হলে অর্থ হতো ‘দশ আননের সমাহার’; এখানে অর্থ ‘যার’, তাই বহুব্রীহিই সঠিক।

দ্বন্দ্ব সমাস

যে সমাসে উভয় পদের অর্থই প্রাধান্য পায় এবং সমস্যমান পদসমূহ ‘ও’/‘এবং’/‘আর’ দ্বারা যুক্ত — তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। এর ব্যাসবাক্যে দুই পদের মধ্যে যোগ-অব্যয় থাকে।

প্রকারভেদ

প্রকারউদাহরণ
সমার্থক দ্বন্দ্বঘর-বাড়ি, কাপড়-চোপড়, ধন-দৌলত, হাট-বাজার
বিপরীতার্থক দ্বন্দ্বআয়-ব্যয়, লাভ-লোকসান, পাপ-পুণ্য, দিন-রাত, জন্ম-মৃত্যু
মিলনার্থক দ্বন্দ্বভাই-বোন, মা-বাবা, স্ত্রী-পুরুষ, রাম-লক্ষ্মণ
সংখ্যাবাচক দ্বন্দ্বসাত-আট, পাঁচ-সাত, তিন-চার
অলুক দ্বন্দ্বহাতে-কলমে, দেখা-শোনা, কোলে-পিঠে (বিভক্তি লোপ পায় না)
একশেষ দ্বন্দ্বআমি, তুমি ও সে = আমরা (একটি পদই অবশিষ্ট থাকে)

আরও উদাহরণ

  • মা ও বাবা = মা-বাবা
  • দেশ ও বিদেশ = দেশ-বিদেশ
  • হাট ও বাজার = হাটবাজার
  • দুধ ও কলা = দুধকলা
  • ধনী ও দরিদ্র = ধনী-দরিদ্র
  • সকাল ও সন্ধ্যা = সকাল-সন্ধ্যা
  • জল ও স্থল = জল-স্থল
  • উচ্চ ও নীচ = উচ্চ-নীচ

কর্মধারয় সমাস

যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে বিশেষণ-বিশেষ্য বা বিশেষ্য-বিশেষণ সম্বন্ধ থাকে — তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।

প্রকারভেদ

প্রকারউদাহরণ
সাধারণ/বিশেষণ-পূর্বপদনীল যে আকাশ = নীলাকাশ; ক্ষুদ্র যে অশ্ব = ক্ষুদ্রাশ্ব; কাঁচা যে কলা = কাঁচকলা
মধ্যপদলোপীসিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন; পল মিশ্রিত অন্ন = পলান্ন; ছেলে ভোলানো ছড়া = ছেলেভোলানো
উপমান কর্মধারয়তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র; কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো
উপমিত কর্মধারয়পুরুষ সিংহের ন্যায় = পুরুষসিংহ; চরণ পদ্মের ন্যায় = চরণপদ্ম
রূপক কর্মধারয়মন রূপ মাঝি = মনমাঝি; সংসার রূপ সাগর = সংসারসাগর; দিল রূপ দরিয়া = দিলদরিয়া
বিশেষ্য-বিশেষ্য কর্মধারয়যিনি জজ তিনিই সাহেব = জজসাহেব

আরও উদাহরণ

  • নীল যে আকাশ = নীলাকাশ
  • মহান যে আত্মা = মহাত্মা; মহান যে নবি = মহানবি
  • শ্বেত যে বস্ত্র = শ্বেতবস্ত্র
  • কাঁচা যে মিঠা = কাঁচামিঠা
  • মন রূপ মন্দির = মনমন্দির (রূপক)
  • বিদ্যা রূপ ধন = বিদ্যাধন (রূপক)
উপমান, উপমিত, রূপক — তিনটি গুলিয়ে যায়, অথচ প্রতি বছর আসে: তিনটিতেই তুলনা আছে; পার্থক্য হলো কী দিয়ে কী বোঝানো হচ্ছে। উপমান: তুলনার বস্তু + গুণ (তুষারশুভ্র — তুষারের ন্যায় শুভ্র; ‘শুভ্র’ একটি গুণ)। উপমিত: বস্তু + তুলনার বস্তু, গুণটি উহ্য (পুরুষসিংহ — পুরুষ সিংহের ন্যায়; কোন গুণে তা বলা নেই)। রূপক: দুটোকে অভিন্ন করে দেওয়া, ব্যাসবাক্যে ‘রূপ’ শব্দ (মনমাঝি — মন রূপ মাঝি; মনকে মাঝি বানিয়েই ফেলা হয়েছে)। মনে রাখুন: গুণ থাকলে উপমান, ‘ন্যায়’ থাকলে উপমিত, ‘রূপ’ থাকলে রূপক।

তৎপুরুষ সমাস

যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান এবং পূর্বপদের বিভক্তি (এ/কে/দ্বারা/থেকে ইত্যাদি) লোপ পায় — তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। বিভক্তির ভিত্তিতে এটি প্রধানত ৭ প্রকার।

প্রকারলোপপ্রাপ্ত বিভক্তিউদাহরণ
দ্বিতীয়া তৎপুরুষ-কেবিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন; দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত; দেশকে গত = দেশগত
তৃতীয়া তৎপুরুষদ্বারা/দিয়েমন দিয়ে গড়া = মনগড়া; ছুরি দ্বারা আঘাত = ছুরিকাঘাত; জ্ঞান দ্বারা হীন = জ্ঞানহীন
চতুর্থী তৎপুরুষ-জন্য/-নিমিত্তগরুর জন্য ঘর = গোশালা; বিদ্যার জন্য আলয় = বিদ্যালয়; দেবের জন্য ভোগ = দেবভোগ
পঞ্চমী তৎপুরুষ-থেকে/-হতেস্কুল থেকে পালানো = স্কুলপালানো; খাঁচা থেকে ছাড়া = খাঁচাছাড়া; বিপদ হতে মুক্ত = বিপদমুক্ত
ষষ্ঠী তৎপুরুষ-র/-এররাজার পুত্র = রাজপুত্র; রাজার পথ = রাজপথ; ছাত্রের সমিতি = ছাত্রসমিতি
সপ্তমী তৎপুরুষ-এ/-তেবনে বাস = বনবাস; গৃহে প্রবেশ = গৃহপ্রবেশ; দিবায় নিদ্রা = দিবানিদ্রা
নঞ তৎপুরুষনা/নাই (নঞ অর্থে)ন আচার = অনাচার; ন বিচার = অবিচার; ন সাধারণ = অসাধারণ

উপ-প্রকার ও বিশেষ তৎপুরুষ

প্রকারউদাহরণ
উপপদ তৎপুরুষজল দেয় যা = জলদ; ছেলে ধরে যে = ছেলেধরা; পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ
অলুক তৎপুরুষহাটে-বাজারে, কোলে-পিঠে, মুখে-চোখে (বিভক্তি লোপ হয় না)
প্রাদি তৎপুরুষপ্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ-যুক্ত: প্র (প্রকৃষ্ট) যে বচন = প্রবচন; পরা + জয় = পরাজয়
ধাপে ধাপে: ‘বিদ্যালয়’ কোন তৎপুরুষ?
ধাপ ১: ব্যাসবাক্য বানান — ‘বিদ্যার জন্য আলয়’ (বিদ্যা শেখার উদ্দেশ্যে ঘর)।
ধাপ ২: কোন বিভক্তি/অনুসর্গ লোপ পেল? — ‘জন্য’ (চতুর্থী বিভক্তির অর্থ)।
ধাপ ৩: তাই এটি চতুর্থী তৎপুরুষ। ‘রাজপুত্র’-এ লোপ পেয়েছে ‘র’ (ষষ্ঠী), ‘বনবাস’-এ ‘এ’ (সপ্তমী) — লোপ-পাওয়া বিভক্তিই তৎপুরুষের নাম ঠিক করে।
মনে রাখুন: ব্যাসবাক্য ভুল বানালে বিভক্তিও ভুল আসবে — তাই আগে অর্থটা পরিষ্কার বুঝুন: বিদ্যালয় ‘বিদ্যার ঘর’ নয়, ‘বিদ্যা শেখার জন্য ঘর’।
উপপদ তৎপুরুষ বনাম বহুব্রীহি: ‘পঙ্কজ’ (পঙ্কে জন্মে যা) — কৃদন্ত পদ (জন্মানো ক্রিয়া থেকে ‘জ’) পরপদে থাকলে উপপদ তৎপুরুষ। কিন্তু ‘দশানন’ (দশ আনন যার) — ‘যার’ দিয়ে অন্যকে বোঝালে বহুব্রীহি। ব্যাসবাক্যের শেষ শব্দটি লক্ষ করুন: ‘যা/যে’ (নিজেই সেই জিনিস) = উপপদ; ‘যার’ (অন্য কারও পরিচয়) = বহুব্রীহি।

বহুব্রীহি সমাস

যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটিরই অর্থ প্রাধান্য পায় না, বরং একটি তৃতীয় বা ভিন্ন অর্থ বোঝায় — তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

প্রকারভেদ

প্রকারউদাহরণ
সমানাধিকরণচন্দ্রের মতো মুখ যার = চন্দ্রমুখী; সুনাম যার = সুনামধারী; নীলকণ্ঠ যার = নীলকণ্ঠ (শিব)
ব্যধিকরণআশীতে (দাঁতে) বিষ যার = আশীবিষ (সাপ); হাতে খড়ি যার = হাতেখড়ি
ব্যতিহারহাতাহাতি, মুখোমুখি, কোলাকুলি, কানাকানি (পরস্পর ক্রিয়া বোঝায়)
নঞ বহুব্রীহিন (নেই) আশা যার = নিরাশ; ন জ্ঞান যার = অজ্ঞান; ন (নেই) লজ্জা যার = নির্লজ্জ
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহিদশ আনন (মুখ) যার = দশানন (রাবণ); বীণা পাণিতে (হাতে) যার = বীণাপাণি (সরস্বতী)
প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহিএক দিকে চোখ (দৃষ্টি) যার = একচোখা; ঘরের দিকে মুখ যার = ঘরমুখো (আ/ও প্রত্যয় যুক্ত)
অলুক বহুব্রীহিমাথায় পাগড়ি যার = মাথায়পাগড়ি; গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে = গায়েহলুদ

আরও উদাহরণ (দেবতা-চেনানো বহুব্রীহি — পরীক্ষার প্রিয়)

  • পীত (হলুদ) অম্বর (বস্ত্র) যার = পীতাম্বর (কৃষ্ণ)
  • চার ভুজ (হাত) যার = চতুর্ভুজ (বিষ্ণু)
  • দিক্‌ (শূন্যতা) অম্বর যার = দিগম্বর (শিব)
  • নীল কণ্ঠ যার = নীলকণ্ঠ (শিব)
  • দশ রথ যার = দশরথ (রামের পিতা)
  • তিন নয়ন যার = ত্রিনয়ন (শিব)
  • সহস্র বাহু যার = সহস্রবাহু
বহুব্রীহি চেনার এক-সেকেন্ডের পরীক্ষা: শব্দটি কি তার অংশদুটির কোনোটিকে না বুঝিয়ে অন্য কাউকে বোঝাচ্ছে? ‘নীলকণ্ঠ’ মানে নীল রঙও নয়, কণ্ঠও নয় — শিব। ‘বহুব্রীহি’ শব্দটি নিজেই বহুব্রীহি: বহু ব্রীহি (ধান) যার — অর্থাৎ ধনী ব্যক্তি!

দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস

দ্বিগু সমাস

যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।

ব্যাসবাক্যসমস্ত পদ
তিন প্রহরের সমাহারত্রিপ্রহর
সাত সাগরের সমাহারসপ্তসাগর
চার যুগের সমাহারচতুর্যুগ
তিন ভুবনের সমাহারত্রিভুবন
নয় রত্নের সমাহারনবরত্ন
চার কোণের সমাহারচতুষ্কোণ
সাত পদের সমাহারসপ্তপদ
পাঁচ বটের সমাহারপঞ্চবটি
তিন পাত্রের সমাহারত্রিপাত্র
দুই পক্ষের সমাহারদ্বিপক্ষ
দ্বিগু বনাম বহুব্রীহি — সংখ্যা দেখলেই দ্বিগু নয়! দুটোতেই পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হতে পারে; পার্থক্য অর্থে। ত্রিভুবন = তিন ভুবনের সমাহার (তিনটি ভুবন মিলিয়েই বোঝাচ্ছে) → দ্বিগু। ত্রিনয়ন = তিন নয়ন যার (বোঝাচ্ছে শিবকে) → বহুব্রীহি। ব্যাসবাক্যের শেষে ‘সমাহার’ বসলে দ্বিগু, ‘যার’ বসলে বহুব্রীহি — এই এক পরীক্ষাই যথেষ্ট। একই যুক্তিতে: চতুষ্কোণ (কোণের সমাহার) দ্বিগু, কিন্তু চতুর্ভুজ (ভুজ যার) বহুব্রীহি।

অব্যয়ীভাব সমাস

যে সমাসে পূর্বপদ অব্যয় এবং পূর্বপদের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।

প্রকারভেদ ও উদাহরণ

অর্থউদাহরণ
সামীপ্য (কাছে)উপ + কণ্ঠ = উপকণ্ঠ; কণ্ঠের সমীপে — উপকণ্ঠ
সাদৃশ্য (মতো)উপ + বন = উপবন; বনের সদৃশ — উপবন
অভাবনি + খুঁত = নিখুঁত; খুঁতের অভাব — নিখুঁত
ব্যাপ্তিআ + জীবন = আজীবন; জীবন পর্যন্ত — আজীবন
পশ্চাৎঅনু + গমন = অনুগমন; পশ্চাতে গমন
সম্পূর্ণতাসম + কাল = সমকাল
প্রতিকূলতাপ্রতি + কূল = প্রতিকূল
বিরোধপ্রতি + দ্বন্দ্ব = প্রতিদ্বন্দ্ব
বিভিন্নতাপ্রতি + দিন = প্রতিদিন
আনুগত্যযথা + শক্তি = যথাশক্তি
পর্যন্তআ + মরণ = আমরণ
দূরত্বপ্র + পৌত্র = প্রপৌত্র
ধাপে ধাপে: ‘আমরণ’ কেন অব্যয়ীভাব?
ধাপ ১: ব্যাসবাক্য — ‘মরণ পর্যন্ত’। পূর্বপদ ‘আ’ একটি অব্যয়, অর্থ ‘পর্যন্ত/ব্যাপ্তি’।
ধাপ ২: কার অর্থ প্রধান? সমস্ত পদটি বোঝাচ্ছে ‘পর্যন্ত’ ভাবটিই (আমরণ সংগ্রাম = মরণ পর্যন্ত সংগ্রাম) — অর্থাৎ অব্যয়েরই অর্থ টিকে আছে।
ধাপ ৩: অব্যয় পূর্বপদ + পূর্বপদের অর্থ-প্রাধান্য = অব্যয়ীভাব ✓
তুলনা করুন: ‘প্রতিদিন’ (দিন দিন = প্রতিটি দিনে), ‘উপকণ্ঠ’ (কণ্ঠের সমীপে), ‘নিখুঁত’ (খুঁতের অভাব) — সবগুলোতেই অব্যয়ের ভাবটাই মুখ্য।

সাধারণ ভুল ও সতর্কতা

সমাসের MCQ-তে পরীক্ষকরা কয়েকটি নির্দিষ্ট বিভ্রান্তি বারবার কাজে লাগান:

ভুল ১ — সংখ্যা দেখলেই দ্বিগু দাগানো: ত্রিনয়ন, চতুর্ভুজ, দশানন, সহস্রবাহু — সব সংখ্যা দিয়ে শুরু, কিন্তু সবগুলোই বহুব্রীহি (অর্থ ‘যার’)। দ্বিগু কেবল তখনই, যখন অর্থ ‘সমাহার’ (ত্রিভুবন, নবরত্ন, চতুষ্কোণ, পঞ্চবটী)।
ভুল ২ — ‘অ/নি/বে’ দেখলেই নঞ তৎপুরুষ: অসাধারণ (ন সাধারণ) = নঞ তৎপুরুষ, কিন্তু অজ্ঞান (জ্ঞান নেই যার) = নঞ বহুব্রীহি। পার্থক্য একই সূত্রে: শব্দটি নিজের অর্থ বোঝালে তৎপুরুষ, অন্য কারও পরিচয় দিলে বহুব্রীহি। ‘অসাধারণ প্রতিভা’ — প্রতিভাটিই অসাধারণ (তৎপুরুষ); ‘অজ্ঞান লোক’ — লোকটির জ্ঞান নেই (বহুব্রীহি)।
ভুল ৩ — উপমান-উপমিত উল্টে ফেলা: মনে রাখার সূত্র: উপমান = তুলনার মানদণ্ড আগে + গুণ পরে (তুষারশুভ্র, কাজলকালো); উপমিত = যাকে তুলনা করা হচ্ছে সে আগে + মানদণ্ড পরে, গুণ উহ্য (মুখচন্দ্র, পুরুষসিংহ, চরণপদ্ম)। শেষ পদটি গুণবাচক (শুভ্র/কালো) হলে নিশ্চিত উপমান।
ভুল ৪ — অলুক সমাসকে আলাদা সমাস ভাবা: ‘অলুক’ কোনো সপ্তম সমাস নয় — যে-কোনো সমাসে বিভক্তি লোপ না পেলে তাকে অলুক বলা হয়: হাতে-কলমে (অলুক দ্বন্দ্ব), তেলে ভাজা = তেলেভাজা (অলুক তৎপুরুষ), মাথায়পাগড়ি (অলুক বহুব্রীহি)।
ভুল ৫ — সিংহাসন-কে বহুব্রীহি ভাবা: সিংহাসন = সিংহ চিহ্নিত আসন — মাঝের পদ লোপ পেয়েছে, কিন্তু অর্থ আসনই (তৃতীয় কিছু নয়) → মধ্যপদলোপী কর্মধারয়। একইভাবে পলান্ন (পল মিশ্রিত অন্ন)। বহুব্রীহি হতে হলে অর্থ হতো ‘সিংহের মতো আসন যার’ — এমন কাউকে বোঝাত।

দ্রুত সমাধানের কৌশল

MCQ-তে সমাস নির্ণয়ের প্রশ্ন ১৫ সেকেন্ডে মেটানোর কৌশল:

কৌশল ১ — ব্যাসবাক্যের শেষ-শব্দ পরীক্ষা: ‘ও’ = দ্বন্দ্ব | ‘যে/ন্যায়/রূপ’ = কর্মধারয় | বিভক্তি-লোপ = তৎপুরুষ | ‘যার’ = বহুব্রীহি | ‘সমাহার’ = দ্বিগু | অব্যয়ের অর্থ = অব্যয়ীভাব — অপশনে দেওয়া ব্যাসবাক্যটা মনে মনে বানিয়ে এই ছকে ফেলুন; ৮০% প্রশ্ন এখানেই শেষ।
কৌশল ২ — ‘অর্থ কার’ পরীক্ষা: শব্দটি একটি বাক্যে বসান। ‘গায়ে নীলাকাশ রং’ — আকাশের কথাই হচ্ছে (পরপদ প্রধান, কর্মধারয়)। ‘নীলকণ্ঠ ধ্যানে বসে আছেন’ — শিবের কথা হচ্ছে (তৃতীয় অর্থ, বহুব্রীহি)। একই জোড়া শব্দও প্রয়োগভেদে আলাদা সমাস হতে পারে — বাক্যই বিচারক।
কৌশল ৩ — পরিচিত ‘তারকা’ শব্দ মুখস্থ: পরীক্ষায় ঘুরেফিরে আসে অল্প কিছু শব্দ — সিংহাসন, পলান্ন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয়); পঙ্কজ, জলদ, ছেলেধরা (উপপদ তৎপুরুষ); দশানন, পীতাম্বর, নীলকণ্ঠ, বীণাপাণি (বহুব্রীহি); ত্রিভুবন, নবরত্ন, শতাব্দী (দ্বিগু); আমরণ, উপকণ্ঠ, প্রতিদিন, যথাসাধ্য (অব্যয়ীভাব); হাতাহাতি, কানাকানি (ব্যতিহার বহুব্রীহি)। এই ২০টি জানা থাকলে অচেনা শব্দও তুলনা করে ধরা যায়।
কৌশল ৪ — তৎপুরুষের বিভক্তি-স্মরণিকা: ২য়া ‘কে’, ৩য়া ‘দ্বারা/দিয়ে’, ৪র্থী ‘জন্য’, ৫মী ‘থেকে/হতে’, ৬ষ্ঠী ‘র/এর’, ৭মী ‘এ/তে’ — "কে দিয়ে জন্য থেকে-র-এ" ছন্দে পড়ুন। ব্যাসবাক্য বানিয়ে যে শব্দটি বাদ পড়ল সেটিই তৎপুরুষের নাম।

তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • ‘সমাস’ শব্দের আভিধানিক অর্থ — সংক্ষেপণ/মিলন
  • সমাস প্রধানত — ৬ প্রকার
  • সমস্ত পদের পূর্বের ব্যাখ্যামূলক বাক্য = ব্যাসবাক্য/বিগ্রহবাক্য
  • দ্বন্দ্ব সমাসে — উভয় পদের অর্থ প্রাধান্য
  • কর্মধারয় ও তৎপুরুষে — পরপদের অর্থ প্রাধান্য
  • বহুব্রীহিতে — তৃতীয়/অন্য অর্থ প্রাধান্য
  • অব্যয়ীভাবে — পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য
  • দ্বিগুতে — সংখ্যাবাচক পূর্বপদ; সমাহার অর্থে
  • চন্দ্রমুখী = বহুব্রীহি; রাজপুত্র = তৎপুরুষ; সিংহাসন = কর্মধারয় (মধ্যপদলোপী)
  • হাটবাজার = দ্বন্দ্ব; ত্রিপ্রহর = দ্বিগু; আজীবন = অব্যয়ীভাব
  • ‘নঞ’ অর্থ — না/নয়; ব্যবহার নঞ-তৎপুরুষ ও নঞ-বহুব্রীহিতে
  • অলুক সমাসে বিভক্তি লোপ হয় না — হাতে-কলমে, কোলেপিঠে, হাটে-বাজারে
  • উপকণ্ঠ, উপবন — অব্যয়ীভাব (সমীপ্য)
  • পঙ্কজ, জলদ, ছেলেধরা — উপপদ তৎপুরুষ
  • সংসারসাগর, মনমন্দির — রূপক কর্মধারয়
  • চন্দ্রমুখী, দশানন, পীতাম্বর — বহুব্রীহি

প্রশ্ন ও উত্তর (১০০+ MCQ)

১. ‘সমাস’ শব্দের অর্থ?

(ক) মিলন (খ) বিচ্ছেদ (গ) সংক্ষেপণ (ঘ) ক ও গ

উত্তর: (ঘ) মিলন ও সংক্ষেপণ

২. বাংলা ব্যাকরণে প্রধান সমাস কয় প্রকার?

(ক) ৪ (খ) ৫ (গ) ৬ (ঘ) ৭

উত্তর: (গ) ৬

৩. ব্যাসবাক্যের আরেক নাম?

(ক) সমস্ত পদ (খ) বিগ্রহবাক্য (গ) পূর্বপদ (ঘ) উত্তরপদ

উত্তর: (খ) বিগ্রহবাক্য

৪. দ্বন্দ্ব সমাসে কোন পদের অর্থ প্রধান?

(ক) পূর্বপদ (খ) পরপদ (গ) উভয় পদ (ঘ) অন্য পদ

উত্তর: (গ) উভয় পদ

৫. কর্মধারয় ও তৎপুরুষে কোন পদের অর্থ প্রধান?

(ক) পূর্বপদ (খ) পরপদ (গ) উভয় (ঘ) অন্য

উত্তর: (খ) পরপদ

৬. বহুব্রীহি সমাসে কোন পদের অর্থ প্রধান?

(ক) পূর্বপদ (খ) পরপদ (গ) উভয় (ঘ) অন্য / তৃতীয়

উত্তর: (ঘ) অন্য পদ

৭. অব্যয়ীভাব সমাসে কোন পদের অর্থ প্রধান?

(ক) পূর্বপদ (খ) পরপদ (গ) উভয় (ঘ) অন্য

উত্তর: (ক) পূর্বপদ

৮. দ্বিগু সমাসের পূর্বপদ কী হয়?

(ক) বিশেষণ (খ) সংখ্যাবাচক (গ) ক্রিয়া (ঘ) অব্যয়

উত্তর: (খ) সংখ্যাবাচক

৯. ‘রাজপুত্র’ — সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (খ) ষষ্ঠী তৎপুরুষ

১০. ‘রাজপুত্র’ ব্যাসবাক্য?

(ক) রাজার পুত্র (খ) রাজা ও পুত্র (গ) রাজার জন্য পুত্র (ঘ) পুত্র যে রাজা

উত্তর: (ক) রাজার পুত্র

১১. ‘চন্দ্রমুখী’ — সমাস?

(ক) তৎপুরুষ (খ) বহুব্রীহি (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (খ) বহুব্রীহি

১২. ‘চন্দ্রমুখী’ — ব্যাসবাক্য?

(ক) চাঁদের মতো মুখ যার (খ) চাঁদের মুখ (গ) চাঁদ ও মুখ (ঘ) মুখ-চাঁদ

উত্তর: (ক)

১৩. ‘বিদ্যালয়’ — সমাস?

(ক) ষষ্ঠী তৎপুরুষ (খ) চতুর্থী তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (খ) চতুর্থী তৎপুরুষ — বিদ্যার জন্য আলয়

১৪. ‘সিংহাসন’ — সমাস?

(ক) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) মধ্যপদলোপী কর্মধারয়

১৫. ‘পলান্ন’ — সমাস?

(ক) মধ্যপদলোপী কর্মধারয় (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) মধ্যপদলোপী কর্মধারয়

১৬. ‘মুখচন্দ্র’ — সমাস?

(ক) উপমান কর্মধারয় (খ) উপমিত কর্মধারয় (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (খ) উপমিত — মুখ চন্দ্রের ন্যায়

১৭. ‘তুষারশুভ্র’ — সমাস?

(ক) উপমান (খ) উপমিত (গ) রূপক (ঘ) সাধারণ

উত্তর: (ক) উপমান কর্মধারয়

১৮. ‘সংসারসাগর’ — সমাস?

(ক) উপমান (খ) উপমিত (গ) রূপক (ঘ) সাধারণ

উত্তর: (গ) রূপক কর্মধারয়

১৯. ‘ত্রিভুবন’ — সমাস?

(ক) তৎপুরুষ (খ) দ্বিগু (গ) কর্মধারয় (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (খ) দ্বিগু

২০. ‘সপ্তসাগর’ — সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) দ্বিগু

২১. ‘নবরত্ন’ — সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) দ্বিগু

২২. ‘চতুষ্কোণ’ — সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) দ্বিগু

২৩. ‘দশানন’ — সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (খ) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি

২৪. ‘পীতাম্বর’ — সমাস?

(ক) বহুব্রীহি (খ) তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) বহুব্রীহি

২৫. ‘ত্রিনয়ন’ — সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (খ) বহুব্রীহি (শিব)

২৬. ‘চতুর্ভুজ’ — সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (খ) বহুব্রীহি

২৭. ‘মা-বাবা’ — সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) দ্বন্দ্ব

২৮. ‘হাটবাজার’ — সমাস?

(ক) সমার্থক দ্বন্দ্ব (খ) বিপরীত দ্বন্দ্ব (গ) তৎপুরুষ (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) সমার্থক দ্বন্দ্ব

২৯. ‘আয়-ব্যয়’ — সমাস?

(ক) বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব (খ) সমার্থক (গ) তৎপুরুষ (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব

৩০. ‘হাতে-কলমে’ — সমাস?

(ক) অলুক দ্বন্দ্ব (খ) সাধারণ দ্বন্দ্ব (গ) তৎপুরুষ (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) অলুক দ্বন্দ্ব

৩১. ‘কোলে-পিঠে’ — সমাস?

(ক) অলুক দ্বন্দ্ব (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) অলুক দ্বন্দ্ব

৩২. ‘অহিনকুল’ — সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) দ্বন্দ্ব — অহি ও নকুল

৩৩. ‘মনগড়া’ — সমাস?

(ক) তৃতীয়া তৎপুরুষ (খ) বহুব্রীহি (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) তৃতীয়া তৎপুরুষ — মন দিয়ে গড়া

৩৪. ‘ছুরিকাঘাত’ — সমাস?

(ক) তৃতীয়া তৎপুরুষ (খ) দ্বিতীয়া (গ) ষষ্ঠী (ঘ) সপ্তমী

উত্তর: (ক) তৃতীয়া তৎপুরুষ

৩৫. ‘জ্ঞানহীন’ — সমাস?

(ক) তৃতীয়া (খ) বহুব্রীহি (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) তৃতীয়া তৎপুরুষ — জ্ঞান দ্বারা হীন

৩৬. ‘বনবাস’ — সমাস?

(ক) সপ্তমী তৎপুরুষ (খ) ষষ্ঠী (গ) দ্বিতীয়া (ঘ) তৃতীয়া

উত্তর: (ক) সপ্তমী তৎপুরুষ — বনে বাস

৩৭. ‘গৃহপ্রবেশ’ — সমাস?

(ক) সপ্তমী (খ) তৃতীয়া (গ) ষষ্ঠী (ঘ) দ্বিতীয়া

উত্তর: (ক) সপ্তমী তৎপুরুষ

৩৮. ‘স্কুলপালানো’ — সমাস?

(ক) পঞ্চমী তৎপুরুষ (খ) সপ্তমী (গ) ষষ্ঠী (ঘ) দ্বিতীয়া

উত্তর: (ক) পঞ্চমী তৎপুরুষ — স্কুল থেকে পালানো

৩৯. ‘বিপদমুক্ত’ — সমাস?

(ক) পঞ্চমী তৎপুরুষ (খ) দ্বিতীয়া (গ) সপ্তমী (ঘ) ষষ্ঠী

উত্তর: (ক) পঞ্চমী তৎপুরুষ

৪০. ‘অনাচার’ — সমাস?

(ক) নঞ তৎপুরুষ (খ) ষষ্ঠী (গ) বহুব্রীহি (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) নঞ তৎপুরুষ

৪১. ‘অসাধারণ’ — সমাস?

(ক) নঞ তৎপুরুষ (খ) কর্মধারয় (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) নঞ তৎপুরুষ

৪২. ‘অজ্ঞান’ — সমাস?

(ক) নঞ বহুব্রীহি (খ) নঞ তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) নঞ বহুব্রীহি — যে অজ্ঞ; অর্থাৎ যার জ্ঞান নেই

৪৩. ‘নিরাশ’ — সমাস?

(ক) নঞ বহুব্রীহি (খ) কর্মধারয় (গ) দ্বিগু (ঘ) তৎপুরুষ

উত্তর: (ক) নঞ বহুব্রীহি

৪৪. ‘উপকূল’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব — কূলের সমীপে

৪৫. ‘উপবন’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

৪৬. ‘আজীবন’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব — জীবন পর্যন্ত

৪৭. ‘আমরণ’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

৪৮. ‘প্রতিদিন’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) তৎপুরুষ (গ) দ্বিগু (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

৪৯. ‘যথাশক্তি’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

৫০. ‘প্রতিকূল’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

৫১. ‘পঙ্কজ’ — সমাস?

(ক) উপপদ তৎপুরুষ (খ) কর্মধারয় (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) উপপদ তৎপুরুষ — পঙ্কে জন্মে যা

৫২. ‘জলদ’ — সমাস?

(ক) উপপদ তৎপুরুষ (খ) কর্মধারয় (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) উপপদ — জল দেয় যে (মেঘ)

৫৩. ‘ছেলেধরা’ — সমাস?

(ক) উপপদ (খ) কর্মধারয় (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) উপপদ তৎপুরুষ

৫৪. ‘প্রবচন’ — সমাস?

(ক) প্রাদি তৎপুরুষ (খ) কর্মধারয় (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) প্রাদি তৎপুরুষ

৫৫. ‘পরাজয়’ — সমাস?

(ক) প্রাদি তৎপুরুষ (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) প্রাদি তৎপুরুষ

৫৬. ‘মুখোমুখি’ — সমাস?

(ক) ব্যতিহার বহুব্রীহি (খ) দ্বন্দ্ব (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) ব্যতিহার বহুব্রীহি

৫৭. ‘হাতাহাতি’ — সমাস?

(ক) ব্যতিহার বহুব্রীহি (খ) দ্বন্দ্ব (গ) তৎপুরুষ (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) ব্যতিহার বহুব্রীহি

৫৮. ‘হাতেখড়ি’ — সমাস?

(ক) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি (খ) দ্বন্দ্ব (গ) দ্বিগু (ঘ) তৎপুরুষ

উত্তর: (ক) ব্যধিকরণ বহুব্রীহি

৫৯. ‘বীণাপাণি’ — সমাস?

(ক) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি (খ) তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি

৬০. ‘সুনামধারী’ — সমাস?

(ক) বহুব্রীহি (খ) কর্মধারয় (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) বহুব্রীহি

৬১. ‘নীলকণ্ঠ’ — সমাস?

(ক) বহুব্রীহি (খ) কর্মধারয় (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) বহুব্রীহি (শিব)

৬২. ‘সুপুরুষ’ — সমাস?

(ক) কর্মধারয় (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) কর্মধারয় — সু (সুন্দর) যে পুরুষ

৬৩. ‘ক্ষুদ্রাশ্ব’ — সমাস?

(ক) কর্মধারয় (খ) দ্বিগু (গ) বহুব্রীহি (ঘ) তৎপুরুষ

উত্তর: (ক) কর্মধারয়

৬৪. ‘কাঁচকলা’ — সমাস?

(ক) কর্মধারয় (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) কর্মধারয় — কাঁচা যে কলা

৬৫. ‘মহাত্মা’ — সমাস?

(ক) কর্মধারয় (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) কর্মধারয় — মহান যে আত্মা

৬৬. ‘মহারাজ’ — সমাস?

(ক) কর্মধারয় (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) কর্মধারয়

৬৭. ‘দিগম্বর’ — সমাস?

(ক) বহুব্রীহি (খ) কর্মধারয় (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) বহুব্রীহি (শিব — দিক্ অম্বর যার)

৬৮. ‘সহস্রবাহু’ — সমাস?

(ক) বহুব্রীহি (খ) দ্বিগু (গ) তৎপুরুষ (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) বহুব্রীহি

৬৯. ‘মনমন্দির’ — সমাস?

(ক) রূপক কর্মধারয় (খ) উপমান (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) রূপক কর্মধারয়

৭০. ‘দিলদরিয়া’ — সমাস?

(ক) রূপক কর্মধারয় (খ) উপমান (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) রূপক কর্মধারয়

৭১. ‘চরণপদ্ম’ — সমাস?

(ক) উপমিত কর্মধারয় (খ) উপমান (গ) বহুব্রীহি (ঘ) রূপক

উত্তর: (ক) উপমিত কর্মধারয় — চরণ পদ্মের ন্যায়

৭২. ‘পুরুষসিংহ’ — সমাস?

(ক) উপমিত (খ) উপমান (গ) বহুব্রীহি (ঘ) রূপক

উত্তর: (ক) উপমিত কর্মধারয়

৭৩. ‘কাজলকালো’ — সমাস?

(ক) উপমান কর্মধারয় (খ) উপমিত (গ) রূপক (ঘ) সাধারণ

উত্তর: (ক) উপমান

৭৪. ‘রাজপথ’ — সমাস?

(ক) ষষ্ঠী তৎপুরুষ (খ) কর্মধারয় (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) ষষ্ঠী তৎপুরুষ — রাজার পথ

৭৫. ‘দেবভোগ’ — সমাস?

(ক) চতুর্থী (খ) ষষ্ঠী (গ) সপ্তমী (ঘ) তৃতীয়া

উত্তর: (ক) চতুর্থী তৎপুরুষ — দেবের জন্য ভোগ

৭৬. ‘গোশালা’ — সমাস?

(ক) চতুর্থী (খ) ষষ্ঠী (গ) সপ্তমী (ঘ) দ্বিতীয়া

উত্তর: (ক) চতুর্থী তৎপুরুষ — গরুর জন্য শালা

৭৭. ‘দেশগত’ — সমাস?

(ক) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ (খ) সপ্তমী (গ) ষষ্ঠী (ঘ) তৃতীয়া

উত্তর: (ক) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ

৭৮. ‘দিবানিদ্রা’ — সমাস?

(ক) সপ্তমী (খ) ষষ্ঠী (গ) দ্বিতীয়া (ঘ) তৃতীয়া

উত্তর: (ক) সপ্তমী তৎপুরুষ

৭৯. ‘পিতা-পুত্র’ — সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) দ্বন্দ্ব

৮০. ‘ভাইবোন’ — সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব (খ) তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) দ্বন্দ্ব

৮১. ‘সাত-আট’ — সমাস?

(ক) সংখ্যাবাচক দ্বন্দ্ব (খ) দ্বিগু (গ) তৎপুরুষ (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) সংখ্যাবাচক দ্বন্দ্ব

৮২. ‘অহিনকুল’ — সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব (খ) তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) দ্বন্দ্ব

৮৩. ‘ঘর-বাড়ি’ — সমাস?

(ক) সমার্থক দ্বন্দ্ব (খ) বিপরীত (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) সমার্থক দ্বন্দ্ব

৮৪. ‘পাপ-পুণ্য’ — সমাস?

(ক) বিপরীত দ্বন্দ্ব (খ) সমার্থক (গ) কর্মধারয় (ঘ) তৎপুরুষ

উত্তর: (ক) বিপরীত দ্বন্দ্ব

৮৫. ‘একাদশী’ — সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) দ্বিগু (এগারো তিথির সমাহার)

৮৬. ‘পঞ্চবটি’ — সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) বহুব্রীহি (গ) তৎপুরুষ (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) দ্বিগু

৮৭. ‘ত্রিকাল’ — সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) দ্বিগু

৮৮. ‘অনুগমন’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব — পশ্চাতে গমন

৮৯. ‘প্রতিদ্বন্দ্ব’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) দ্বন্দ্ব (গ) তৎপুরুষ (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

৯০. ‘প্রপৌত্র’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) তৎপুরুষ (গ) বহুব্রীহি (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

৯১. ‘সমকাল’ — সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

৯২. ‘অহিনকুল’ — কোন দ্বন্দ্ব?

(ক) সমার্থক (খ) বিপরীত (গ) মিলনার্থক (ঘ) ব্যতিরেক

উত্তর: (খ) বিপরীত (চিরশত্রু অর্থে)

৯৩. ‘জন্ম-মৃত্যু’ — কোন দ্বন্দ্ব?

(ক) সমার্থক (খ) বিপরীত (গ) মিলনার্থক (ঘ) সংখ্যাবাচক

উত্তর: (খ) বিপরীত

৯৪. ‘রাম-লক্ষ্মণ’ — কোন দ্বন্দ্ব?

(ক) মিলনার্থক (খ) সমার্থক (গ) বিপরীত (ঘ) সংখ্যা

উত্তর: (ক) মিলনার্থক

৯৫. ‘রামসীতা’ — কোন দ্বন্দ্ব?

(ক) মিলনার্থক (খ) একশেষ (গ) সমার্থক (ঘ) সংখ্যা

উত্তর: (ক) মিলনার্থক

৯৬. ‘আমরা’ (আমি, তুমি ও সে) — কোন দ্বন্দ্ব?

(ক) মিলনার্থক (খ) একশেষ (গ) সমার্থক (ঘ) বিপরীত

উত্তর: (খ) একশেষ দ্বন্দ্ব

একাধিক পদের মধ্যে একটি পদই অবশিষ্ট থেকে সবার অর্থ বহন করে — আমি, তুমি ও সে মিলে শুধু ‘আমরা’।

৯৭. সমাসের প্রক্রিয়ায় মূল ভূমিকা কী?

(ক) সংক্ষেপণ ও একপদীকরণ (খ) দীর্ঘকরণ (গ) ব্যাখ্যা (ঘ) সংজ্ঞা

উত্তর: (ক)

৯৮. ‘বহুব্রীহি’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ?

(ক) বহু ব্রীহি (ধান) যার (খ) বহুর সঙ্গে (গ) বহু ব্যক্তি (ঘ) কোনটি নয়

উত্তর: (ক) বহু ধান যার (ধনী)

৯৯. সংখ্যাবাচক পূর্বপদে কোন সমাস হয়?

(ক) দ্বিগু (খ) দ্বন্দ্ব (গ) তৎপুরুষ (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) দ্বিগু

১০০. অব্যয় পূর্বপদ থাকে কোন সমাসে?

(ক) অব্যয়ীভাব (খ) দ্বন্দ্ব (গ) তৎপুরুষ (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

১০১. কোন সমাসে বিভক্তি লোপ হয়?

(ক) তৎপুরুষে (খ) দ্বন্দ্বে (গ) দ্বিগুতে (ঘ) অব্যয়ীভাবে

উত্তর: (ক) তৎপুরুষে

১০২. ‘চৌপাট’ — কোন সমাস?

(ক) দ্বিগু (খ) দ্বন্দ্ব (গ) বহুব্রীহি (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) দ্বিগু — চার পাটের সমাহার

১০৩. ‘ধনী-দরিদ্র’ — কোন দ্বন্দ্ব?

(ক) বিপরীত (খ) সমার্থক (গ) মিলনার্থক (ঘ) সংখ্যাবাচক

উত্তর: (ক) বিপরীত

১০৪. ‘নিরন্ন’ — সমাস?

(ক) নঞ বহুব্রীহি (খ) নঞ তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) নঞ বহুব্রীহি — অন্ন নেই যার

১০৫. ‘বেহিসাব’ — সমাস?

(ক) নঞ বহুব্রীহি (খ) তৎপুরুষ (গ) কর্মধারয় (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) নঞ বহুব্রীহি