ধ্বনি ও ধ্বনি পরিবর্তন
মানুষের বাগযন্ত্র (ফুসফুস, স্বরতন্ত্রী, জিহ্বা, তালু, দাঁত, ঠোঁট) থেকে উৎপন্ন ভাষার ক্ষুদ্রতম এককই ধ্বনি। ধ্বনি আমরা কানে শুনি, আর লেখার সময় সেই ধ্বনিকে যে প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করি তা-ই বর্ণ। অর্থাৎ ধ্বনি উচ্চার্য (শোনা যায়), বর্ণ লেখ্য (দেখা যায়)।
ভাষা মুখে-মুখে ব্যবহারের সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের ধ্বনির যে রূপান্তর ঘটে, তাকে ধ্বনি পরিবর্তন বলে। যেমন—‘বিলাতি’ শব্দটি কথ্য উচ্চারণে হয়ে যায় ‘বিলিতি’, ‘রত্ন’ হয়ে যায় ‘রতন’। ধ্বনি পরিবর্তন ভাষার একটি স্বাভাবিক ও চলমান প্রক্রিয়া; এর মাধ্যমেই একটি ভাষা কালক্রমে বিবর্তিত হয়।
বিজেএসে এই অধ্যায়ের গুরুত্ব
ধ্বনি পরিবর্তনের বিভিন্ন প্রকার (অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি, স্বরসংগতি, সমীভবন, ধ্বনি-বিপর্যয়, স্বরাগম, অন্তর্হতি) চিনে সঠিক উদাহরণ মেলানোর প্রশ্ন প্রায় প্রতি পরীক্ষাতেই আসে। মূল কৌশল—প্রতিটি প্রকারের সংজ্ঞা না রেখে বরং ২–৩টি করে বহুল-জিজ্ঞাসিত উদাহরণ মুখস্থ রাখা, কারণ প্রশ্নে সাধারণত উদাহরণ দিয়ে প্রকার জানতে চাওয়া হয়।
প্রশ্নের ধরন এক নজরে
| পরিবর্তন | চেনার সূত্র | বহুল উদাহরণ |
|---|---|---|
| অপিনিহিতি | ই/উ আগে চলে আসে | আজি > আইজ |
| অভিশ্রুতি | মিলিত নতুন রূপ | করিয়া > করে |
| স্বরসংগতি | স্বরের মিল | মুলা > মুলো |
| ধ্বনি-বিপর্যয় | ধ্বনির স্থান বদল | পিশাচ > পিচাশ |
| সমীভবন | ব্যঞ্জন সমান হয় | জন্ম > জম্ম |
| অন্তর্হতি | ব্যঞ্জন লোপ | ফাল্গুন > ফাগুন |
স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি
উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আসা বাতাস বাগযন্ত্রের কোথাও বাধা পায় কি না, তার ভিত্তিতে ধ্বনি দুই প্রকার। বাতাস বাধা না পেয়ে অবাধে বেরিয়ে এলে যে ধ্বনি হয় তা স্বরধ্বনি; আর কোথাও বাধা পেলে যে ধ্বনি হয় তা ব্যঞ্জনধ্বনি।
স্বরধ্বনি আবার দুই প্রকার—মৌলিক স্বরধ্বনি (যা ভেঙে আর ছোট করা যায় না; সংখ্যায় ৭টি—অ আ ই উ এ ও অ্যা) এবং যৌগিক স্বরধ্বনি (দুই স্বরধ্বনি দ্রুত মিলিত হয়ে গঠিত; সংখ্যায় ২৫টি, যেমন অই, অউ)। ব্যঞ্জনধ্বনিকে উচ্চারণস্থান, ঘোষত্ব ও প্রাণ অনুসারে নানা ভাগে ভাগ করা হয়।
| ধরন | পরিচয় | সংখ্যা/উদাহরণ |
|---|---|---|
| মৌলিক স্বরধ্বনি | অবিভাজ্য মূল স্বর | ৭টি (অ আ ই উ এ ও অ্যা) |
| যৌগিক স্বরধ্বনি | দুই স্বরের মিলিত রূপ | ২৫টি (অই, অউ প্রভৃতি) |
| ব্যঞ্জনধ্বনি | বাধাপ্রাপ্ত ধ্বনি | ৩৯টি বর্ণে প্রকাশিত |
মৌলিক বনাম যৌগিক স্বরধ্বনি
- মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি—এদের আর ভাঙা যায় না;
- যৌগিক স্বরধ্বনি ২৫টি—কিন্তু এদের জন্য বর্ণ মাত্র ২টি (ঐ, ঔ);
- ‘আমি’ শব্দের ‘আ’, ‘ই’—স্বরধ্বনি; ‘ম্’—ব্যঞ্জনধ্বনি।
ধ্বনি পরিবর্তনের পরিচয় ও কারণ
কথ্যভাষায় উচ্চারণের সুবিধা, দ্রুততা বা আঞ্চলিক প্রভাবে শব্দের ধ্বনির যে রূপান্তর ঘটে, তাকে ধ্বনি পরিবর্তন বলে। এই পরিবর্তন এলোমেলোভাবে হয় না; কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম বা প্রবণতা মেনে হয়। ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান কারণগুলো জানা থাকলে এর প্রকারগুলো বোঝা সহজ হয়।
ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান কারণ
- উচ্চারণের প্রচেষ্টা লাঘব: কঠিন যুক্তধ্বনি সহজ করে উচ্চারণের প্রবণতা;
- দ্রুত উচ্চারণ: তাড়াহুড়ায় ধ্বনি লোপ বা রূপান্তর;
- আঞ্চলিক ও সামাজিক প্রভাব: অঞ্চলভেদে ভিন্ন উচ্চারণ;
- বিদেশি ভাষার প্রভাব ও ভুল অনুকরণ;
- ভাষার ঐতিহাসিক বিবর্তন।
ধ্বনি পরিবর্তন প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত—স্বরধ্বনিগত পরিবর্তন (স্বরাগম, স্বরলোপ, অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি, স্বরসংগতি), ব্যঞ্জনধ্বনিগত পরিবর্তন (সমীভবন, ব্যঞ্জনদ্বিত্ব, ব্যঞ্জনাগম, বিষমীভবন) এবং ধ্বনির স্থানগত পরিবর্তন (ধ্বনি-বিপর্যয়, অন্তর্হতি)।
স্বরাগম
উচ্চারণকে সহজ করার জন্য শব্দের কোনো স্থানে নতুন একটি স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে স্বরাগম বলে। স্বরটি শব্দের কোথায় যুক্ত হচ্ছে, তার ভিত্তিতে স্বরাগম তিন প্রকার—আদি, মধ্য ও অন্ত্য।
| প্রকার | সংজ্ঞা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| আদি স্বরাগম | শব্দের শুরুতে স্বর যোগ | স্কুল > ইস্কুল; স্ত্রী > ইস্ত্রি; স্পর্ধা > আস্পর্ধা |
| মধ্য স্বরাগম (বিপ্রকর্ষ/স্বরভক্তি) | শব্দের মধ্যে স্বর যোগ | রত্ন > রতন; ধর্ম > ধরম; গ্রাম > গেরাম; ভক্তি > ভকতি |
| অন্ত্য স্বরাগম | শব্দের শেষে স্বর যোগ | দিশ্ > দিশা; বেঞ্চ > বেঞ্চি; সত্য > সত্যি |
মধ্য স্বরাগমের অন্য নাম
মধ্য স্বরাগমকে বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তিও বলা হয়। যুক্তব্যঞ্জনের মাঝে একটি স্বর ঢুকিয়ে উচ্চারণ সহজ করা হয়—যেমন ‘রত্ন’ (র্+ত্+ন) কঠিন বলে মাঝে ‘অ’ ঢুকিয়ে ‘রতন’।
স্বরলোপ (সম্প্রকর্ষ)
দ্রুত উচ্চারণের ফলে শব্দের কোনো স্বরধ্বনি লোপ পেলে তাকে স্বরলোপ বা সম্প্রকর্ষ বলে। এটি স্বরাগমের ঠিক বিপরীত প্রক্রিয়া। অবস্থান অনুসারে এটিও তিন প্রকার।
| প্রকার | সংজ্ঞা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| আদি স্বরলোপ | শুরুর স্বর লোপ | অলাবু > লাবু > লাউ; উদ্ধার > উধার |
| মধ্য স্বরলোপ | মধ্যের স্বর লোপ | সুবর্ণ > স্বর্ণ; জানালা > জান্লা; আগামীকাল > আগামকাল |
| অন্ত্য স্বরলোপ | শেষের স্বর লোপ | আশা > আশ; সন্ধ্যা > সাঁঝ; চারি > চার |
স্বরাগম বনাম স্বরলোপ
স্বরাগম = নতুন স্বর যোগ (রত্ন→রতন), আর স্বরলোপ = স্বর বাদ (সুবর্ণ→স্বর্ণ)। উভয়ই উচ্চারণ সহজ করার উদ্দেশ্যে ঘটে।
অপিনিহিতি ও অভিশ্রুতি
এই দুটি বাংলা ধ্বনি পরিবর্তনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষায় বহুল-জিজ্ঞাসিত প্রকার। দুটি প্রক্রিয়া পরস্পর সম্পর্কযুক্ত—অপিনিহিতি হলো প্রথম ধাপ, আর অভিশ্রুতি তার পরবর্তী ধাপ।
অপিনিহিতি: শব্দে পরে থাকা ‘ই’ বা ‘উ’ ধ্বনি তার স্বাভাবিক স্থানের আগে উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে। যেমন—‘আজি’ শব্দের ‘ই’ আগে চলে এসে হয় ‘আইজ’। তেমনি—রাখিয়া > রাইখ্যা, সাধু > সাউধ, চারি > চাইর, মাছ > মাইছ।
অভিশ্রুতি: অপিনিহিতির ফলে আগে চলে আসা ‘ই/উ’ পাশের স্বরের সঙ্গে মিলে গিয়ে যখন একটি নতুন সংকুচিত রূপ তৈরি করে, তখন তাকে অভিশ্রুতি বলে। যেমন—করিয়া > কইর্যা > করে; শুনিয়া > শুনে; বলিয়া > বলে; দেখিয়া > দেখে। অভিশ্রুতি চলিত বাংলা ভাষার একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।
| প্রকার | প্রক্রিয়া | উদাহরণ |
|---|---|---|
| অপিনিহিতি | ই/উ আগে এসে বসে | আজি > আইজ; করিয়া > কইর্যা |
| অভিশ্রুতি | আগত ই/উ পাশের স্বরে মিলে নতুন রূপ | কইর্যা > করে; শুনিয়া > শুনে |
অপিনিহিতি ও অভিশ্রুতি আলাদা করুন
একই শব্দে দুই ধাপ ঘটে: করিয়া → কইর্যা (অপিনিহিতি) → করে (অভিশ্রুতি)। অর্থাৎ প্রশ্নে যদি ‘কইর্যা’ থাকে তবে অপিনিহিতি, আর ‘করে’ থাকলে অভিশ্রুতি। সাধু রীতিতে ‘করিয়া’, চলিত রীতিতে অভিশ্রুতির ফলে ‘করে’।
স্বরসংগতি
শব্দের একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে পাশের আরেকটি স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে তার কাছাকাছি বা অনুরূপ হয়ে গেলে তাকে স্বরসংগতি বলে। যেমন—‘দেশি’ শব্দের ‘এ’-এর প্রভাবে ‘দিশি’ (আসলে ‘ই’-এর প্রভাবে ‘এ’→‘ই’)। উদাহরণ—বিলাতি > বিলিতি, মুলা > মুলো, তুলা > তুলো, শিয়াল > শেয়াল।
| প্রকার | পরিচয় | উদাহরণ |
|---|---|---|
| প্রগত স্বরসংগতি | আগের স্বর অনুযায়ী পরের স্বর বদলায় | মুলা > মুলো; তুলা > তুলো |
| পরাগত স্বরসংগতি | পরের স্বর অনুযায়ী আগের স্বর বদলায় | দেশি > দিশি; বিলাতি > বিলিতি |
| অন্যোন্য স্বরসংগতি | উভয় স্বরই বদলায় | মোজা > মুজো |
সমীভবন ও ব্যঞ্জন পরিবর্তন
পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির একটি অন্যটির প্রভাবে অনুরূপ বা কাছাকাছি হয়ে গেলে তাকে সমীভবন (Assimilation) বলে। যেমন—‘জন্ম’ শব্দে ‘ন্’ ‘ম্’-এর প্রভাবে ‘ম্’-এর মতো হয়ে ‘জম্ম’। সমীভবন তিন প্রকার।
| প্রকার | পরিচয় | উদাহরণ |
|---|---|---|
| প্রগত সমীভবন | পূর্ব ব্যঞ্জন অনুযায়ী পরের ব্যঞ্জন বদলায় | পদ্ম > পদ্দ; লগ্ন > লগ্গ; চক্র > চক্ক |
| পরাগত সমীভবন | পরের ব্যঞ্জন অনুযায়ী পূর্বের ব্যঞ্জন বদলায় | তৎ+জন্য > তজ্জন্য; উৎ+মুখ > উন্মুখ |
| অন্যোন্য সমীভবন | দুই ব্যঞ্জনই বদলে নতুন ধ্বনি হয় | সত্য > সচ্চ; বিদ্যা > বিজ্জা |
এ ছাড়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যঞ্জন-পরিবর্তন আছে—ব্যঞ্জনদ্বিত্ব (একটি ব্যঞ্জন দ্বিগুণ হওয়া: পাকা > পাক্কা, সকাল > সক্কাল), ব্যঞ্জনাগম (নতুন ব্যঞ্জনের সংযোজন: অম্ল > অম্বল) এবং বিষমীভবন (দুই সমব্যঞ্জনের একটি বদলে যাওয়া: শরীর > শরীল, লাল > নাল)।
সমীভবন সহজে চেনা
- ‘সমী’ শব্দের অর্থই ‘সমান’—দুই ব্যঞ্জন সমান/অনুরূপ হয়ে যায়;
- প্রগত = আগের অনুযায়ী পরের (পদ্ম > পদ্দ);
- পরাগত = পরের অনুযায়ী আগের (উৎমুখ > উন্মুখ);
- বিষমীভবন এর উল্টো—দুই সমান ব্যঞ্জনের একটি ভিন্ন হয়ে যায় (শরীর > শরীল)।
ধ্বনি-বিপর্যয়, অন্তর্হতি ও নাসিক্যীভবন
এই শ্রেণির পরিবর্তনগুলো ধ্বনির স্থান বা প্রকৃতিগত পরিবর্তন সংক্রান্ত। পরীক্ষায় বিশেষত ধ্বনি-বিপর্যয় ও অন্তর্হতি থেকে প্রশ্ন আসে।
| প্রকার | সংজ্ঞা | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ধ্বনি-বিপর্যয় | শব্দে দুই ধ্বনির পারস্পরিক স্থান বদল | বাক্স > বাসক; রিক্সা > রিস্কা; পিশাচ > পিচাশ; লাফ > ফাল |
| অন্তর্হতি | শব্দমধ্যস্থ ব্যঞ্জনধ্বনির লোপ | ফাল্গুন > ফাগুন; আলাহিদা > আলাদা; ফলাহার > ফলার |
| অভিকর্ষ / ব্যঞ্জনচ্যুতি | পাশাপাশি সমব্যঞ্জনের একটি লোপ | বউদিদি > বউদি; বড়দাদা > বড়দা |
| নাসিক্যীভবন | মৌখিক স্বর নাসিক্য হয়ে যাওয়া | চন্দ্র > চাঁদ; বন্ধ > বাঁধ; কাঁটা |
সবচেয়ে বেশি গুলিয়ে যায় যেগুলো
- ধ্বনি-বিপর্যয় = ধ্বনির স্থান বদল (পিশাচ > পিচাশ);
- অন্তর্হতি = শব্দের ভেতরের ব্যঞ্জন লোপ (ফাল্গুন > ফাগুন);
- সমীভবন = ব্যঞ্জন সমান হওয়া (জন্ম > জম্ম);
- নাসিক্যীভবন = স্বর নাসিক্য হওয়া (চন্দ্র > চাঁদ)।
দ্রুত-তথ্য ও পরিভাষা
| পরিবর্তন | চেনার সূত্র | উদাহরণ |
|---|---|---|
| আদি স্বরাগম | শুরুতে স্বর | স্কুল > ইস্কুল |
| মধ্য স্বরাগম | মাঝে স্বর | রত্ন > রতন |
| অন্ত্য স্বরাগম | শেষে স্বর | দিশ্ > দিশা |
| স্বরলোপ | স্বর বাদ | সুবর্ণ > স্বর্ণ |
| অপিনিহিতি | ই/উ আগে | আজি > আইজ |
| অভিশ্রুতি | মিলিত রূপ | করিয়া > করে |
| স্বরসংগতি | স্বরের মিল | মুলা > মুলো |
| সমীভবন | ব্যঞ্জন সমান | জন্ম > জম্ম |
| ধ্বনি-বিপর্যয় | স্থান বদল | পিশাচ > পিচাশ |
| অন্তর্হতি | ব্যঞ্জন লোপ | ফাল্গুন > ফাগুন |
| নাসিক্যীভবন | স্বর নাসিক্য | চন্দ্র > চাঁদ |
পরিভাষা (Glossary)
- ধ্বনি: ভাষার ক্ষুদ্রতম উচ্চার্য একক;
- স্বরাগম: নতুন স্বরের সংযোজন;
- সম্প্রকর্ষ: স্বরধ্বনির লোপ;
- বিপ্রকর্ষ/স্বরভক্তি: মধ্য স্বরাগম;
- অভিশ্রুতি: অপিনিহিতির পরবর্তী মিলিত রূপ;
- সমীভবন: ব্যঞ্জনের অনুরূপীকরণ;
- অন্তর্হতি: শব্দমধ্যস্থ ব্যঞ্জনের লোপ।
বাস্তব পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন (সমাধানসহ)
‘আজি > আইজ’ কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
(ক) অভিশ্রুতি (খ) অপিনিহিতি (গ) স্বরসংগতি (ঘ) সমীভবন
উত্তর: (খ) অপিনিহিতি
ব্যাখ্যা: পরের ‘ই’ ধ্বনি আগে উচ্চারিত হওয়ায় এটি অপিনিহিতি।
‘করিয়া > করে’ কোন প্রক্রিয়ার উদাহরণ?
(ক) অপিনিহিতি (খ) অভিশ্রুতি (গ) স্বরাগম (ঘ) বিপ্রকর্ষ
উত্তর: (খ) অভিশ্রুতি
ব্যাখ্যা: অপিনিহিতির পরবর্তী ধাপে আগত স্বর পাশের স্বরে মিলে যাওয়ায় এটি অভিশ্রুতি।
‘মুলা > মুলো’ কোন ধরনের পরিবর্তন?
(ক) স্বরসংগতি (খ) অপিনিহিতি (গ) সমীভবন (ঘ) স্বরাগম
উত্তর: (ক) স্বরসংগতি
ব্যাখ্যা: একটি স্বরের প্রভাবে অন্য স্বরের পরিবর্তন হওয়ায় এটি স্বরসংগতি।
‘পিশাচ > পিচাশ’ কোন ধরনের পরিবর্তন?
(ক) সমীভবন (খ) ধ্বনি-বিপর্যয় (গ) অভিশ্রুতি (ঘ) অন্তর্হতি
উত্তর: (খ) ধ্বনি-বিপর্যয়
ব্যাখ্যা: শব্দমধ্যে দুই ধ্বনির স্থান বিনিময় হওয়ায় এটি ধ্বনি-বিপর্যয়।
‘রত্ন > রতন’—এটি কী?
(ক) আদি স্বরাগম (খ) মধ্য স্বরাগম (গ) অন্ত্য স্বরাগম (ঘ) স্বরলোপ
উত্তর: (খ) মধ্য স্বরাগম
ব্যাখ্যা: যুক্তব্যঞ্জনের মাঝে স্বর যুক্ত হওয়ায় এটি মধ্য স্বরাগম (বিপ্রকর্ষ)।
‘জন্ম > জম্ম’ কোন ধরনের পরিবর্তন?
(ক) সমীভবন (খ) স্বরসংগতি (গ) বিষমীভবন (ঘ) অন্তর্হতি
উত্তর: (ক) সমীভবন
ব্যাখ্যা: পাশাপাশি ব্যঞ্জনের একটি অন্যটির মতো হওয়ায় এটি সমীভবন।
‘ফাল্গুন > ফাগুন’ কোন ধরনের পরিবর্তন?
(ক) অন্তর্হতি (খ) সমীভবন (গ) অপিনিহিতি (ঘ) স্বরসংগতি
উত্তর: (ক) অন্তর্হতি
ব্যাখ্যা: শব্দমধ্যস্থ ব্যঞ্জনধ্বনি (ল্) লোপ পাওয়ায় এটি অন্তর্হতি।
‘চন্দ্র > চাঁদ’ কোন ধরনের পরিবর্তন?
(ক) নাসিক্যীভবন (খ) স্বরাগম (গ) সমীভবন (ঘ) অভিশ্রুতি
উত্তর: (ক) নাসিক্যীভবন
ব্যাখ্যা: মৌখিক স্বর নাসিক্য (চাঁ) হয়ে যাওয়ায় এটি নাসিক্যীভবন।
ধ্বনি, স্বরাগম ও স্বরলোপ
১. ভাষার ক্ষুদ্রতম একক কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি।
২. মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৭টি।
৩. যৌগিক স্বরধ্বনি কয়টি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ২৫টি।
৪. ‘স্কুল > ইস্কুল’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আদি স্বরাগম।
৫. ‘রত্ন > রতন’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মধ্য স্বরাগম (বিপ্রকর্ষ)।
৬. ‘দিশ্ > দিশা’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অন্ত্য স্বরাগম।
৭. ‘সুবর্ণ > স্বর্ণ’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মধ্য স্বরলোপ (সম্প্রকর্ষ)।
৮. ‘অলাবু > লাউ’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আদি স্বরলোপ।
৯. মধ্য স্বরাগমের অন্য নাম কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিপ্রকর্ষ/স্বরভক্তি।
১০. ‘গ্রাম > গেরাম’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মধ্য স্বরাগম।
অপিনিহিতি, অভিশ্রুতি, স্বরসংগতি
১১. ‘আজি > আইজ’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অপিনিহিতি।
১২. ‘করিয়া > করে’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অভিশ্রুতি।
১৩. ‘রাখিয়া > রাইখ্যা’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অপিনিহিতি।
১৪. ‘শুনিয়া > শুনে’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অভিশ্রুতি।
১৫. ‘দেশি > দিশি’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরসংগতি।
১৬. ‘বিলাতি > বিলিতি’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরসংগতি।
১৭. অভিশ্রুতি কোন ভাষার বৈশিষ্ট্য?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: চলিত বাংলা।
১৮. অপিনিহিতির পরবর্তী ধাপ কোনটি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অভিশ্রুতি।
১৯. ‘তুলা > তুলো’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরসংগতি।
২০. ‘সাধু > সাউধ’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অপিনিহিতি।
ব্যঞ্জন, স্থানগত ও নাসিক্য পরিবর্তন
২১. ‘জন্ম > জম্ম’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমীভবন।
২২. ‘পাকা > পাক্কা’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনদ্বিত্ব।
২৩. ‘বাক্স > বাসক’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি-বিপর্যয়।
২৪. ‘ফাল্গুন > ফাগুন’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অন্তর্হতি।
২৫. ‘শরীর > শরীল’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিষমীভবন।
২৬. ‘রিক্সা > রিস্কা’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি-বিপর্যয়।
২৭. ‘উৎ+মুখ > উন্মুখ’ কোন সমীভবন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: পরাগত সমীভবন।
২৮. ‘পদ্ম > পদ্দ’ কোন সমীভবন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: প্রগত সমীভবন।
২৯. ‘চন্দ্র > চাঁদ’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: নাসিক্যীভবন।
৩০. ‘অম্ল > অম্বল’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনাগম।
অতিরিক্ত অনুশীলন
৩১. ভাষার মূল উপাদান কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি।
৩২. ধ্বনি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
৩৩. ধ্বনির লিখিত রূপ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বর্ণ।
৩৪. ধ্বনিবিজ্ঞান কী নিয়ে আলোচনা করে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি।
৩৫. ধ্বনি কত প্রকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ২ (স্বর ও ব্যঞ্জন)।
৩৬. স্বরধ্বনি কীভাবে উচ্চারিত হয়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বাধাহীনভাবে।
৩৭. ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে কী লাগে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরের সাহায্য।
৩৮. মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৭টি।
৩৯. যৌগিক স্বরধ্বনি কয়টি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ২৫টি।
৪০. ধ্বনি পরিবর্তন কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: উচ্চারণে ধ্বনির বদল।
৪১. ‘স্বরাগম’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: শব্দে অতিরিক্ত স্বরযোগ।
৪২. ‘আদি স্বরাগম’ উদাহরণ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্কুল→ইস্কুল।
৪৩. ‘মধ্য স্বরাগম’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: শব্দমধ্যে স্বরযোগ।
৪৪. মধ্য স্বরাগমের অপর নাম কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরভক্তি/বিপ্রকর্ষ।
৪৫. ‘রত্ন→রতন’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরভক্তি।
৪৬. ‘অপিনিহিতি’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ই/উ আগে উচ্চারণ।
৪৭. ‘করিয়া→কইরা’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অপিনিহিতি।
৪৮. ‘অভিশ্রুতি’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: পাশাপাশি স্বরের মিলন।
৪৯. ‘সমীভবন’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দুই ব্যঞ্জন সদৃশ হওয়া।
৫০. ‘জন্ম→জম্ম’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমীভবন।
৫১. ‘বিষমীভবন’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দুই সদৃশ ব্যঞ্জনের একটি বদল।
৫২. ‘ধ্বনি বিপর্যয়’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনির স্থান বদল।
৫৩. ‘বাক্স→বাসক’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি বিপর্যয়।
৫৪. ‘সংকোচন’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি লোপে শব্দ ছোট।
৫৫. ‘অন্ত্যস্বরলোপ’ উদাহরণ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আশা→আশ।
৫৬. ‘আদিস্বরলোপ’ উদাহরণ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অলাবু→লাউ।
৫৭. ‘মধ্যস্বরলোপ’ উদাহরণ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বসতি→বস্তি।
৫৮. ‘অসমীকরণ’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: একই ধ্বনির পুনরাবৃত্তি রোধ।
৫৯. ধ্বনির উচ্চারণ স্থান কয়টি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: পাঁচটি প্রধান।
৬০. কণ্ঠ্যধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ক-বর্গ।
৬১. তালব্যধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: চ-বর্গ।
৬২. মূর্ধন্যধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ট-বর্গ।
৬৩. দন্ত্যধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ত-বর্গ।
৬৪. ওষ্ঠ্যধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: প-বর্গ।
৬৫. নাসিক্যধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ঙ,ঞ,ণ,ন,ম।
৬৬. অঘোষ ধ্বনি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরতন্ত্রীর কম্পনহীন।
৬৭. ঘোষ ধ্বনি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরতন্ত্রীর কম্পনযুক্ত।
৬৮. অল্পপ্রাণ ধ্বনি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: কম শ্বাসে উচ্চারিত।
৬৯. মহাপ্রাণ ধ্বনি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বেশি শ্বাসে উচ্চারিত।
৭০. প্রতিটি বর্গের প্রথম বর্ণ কেমন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অঘোষ অল্পপ্রাণ।
৭১. প্রতিটি বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ কেমন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অঘোষ মহাপ্রাণ।
৭২. প্রতিটি বর্গের তৃতীয় বর্ণ কেমন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ঘোষ অল্পপ্রাণ।
৭৩. প্রতিটি বর্গের পঞ্চম বর্ণ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: নাসিক্য।
৭৪. ‘হ’ কোন ধরনের ধ্বনি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ঘোষ মহাপ্রাণ।
৭৫. ‘শ, ষ, স’ কী ধরনের?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: উষ্ম/শিশধ্বনি।
৭৬. অন্তঃস্থ ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: য, র, ল, ব।
৭৭. ‘র’ কোন ধরনের ধ্বনি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: কম্পনজাত।
৭৮. ‘ল’ কোন ধরনের ধ্বনি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: পার্শ্বিক।
৭৯. তাড়নজাত ধ্বনি কোনগুলো?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ড়, ঢ়।
৮০. ধ্বনি ও অক্ষরের পার্থক্য কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: উচ্চারণ একক / লিখন একক।
৮১. অক্ষর কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: একবারে উচ্চারিত ধ্বনিগুচ্ছ।
৮২. মুক্তাক্ষর কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরান্ত অক্ষর।
৮৩. বদ্ধাক্ষর কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনান্ত অক্ষর।
৮৪. ‘সন্ধি’ কোন ধ্বনি প্রক্রিয়া?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনির মিলন।
৮৫. ‘প্রশ্বাস’ ধ্বনি উৎপাদনে কী ভূমিকা?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বাতাস সরবরাহ।
৮৬. বাগযন্ত্র কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি উৎপাদক অঙ্গ।
৮৭. স্বরতন্ত্রী কোথায়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরযন্ত্রে।
৮৮. ধ্বনিমূল (Phoneme) কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অর্থভেদক ক্ষুদ্রতম ধ্বনি।
৮৯. সহধ্বনি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনিমূলের রূপভেদ।
৯০. স্বরসঙ্গতি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: এক স্বরের প্রভাবে অন্য স্বর বদল।
৯১. ‘দেশি→দিশি’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরসঙ্গতি।
৯২. ‘উচ্চারণ’ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি প্রকাশের রীতি।
৯৩. অনুনাসিক ধ্বনি চিহ্ন কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: চন্দ্রবিন্দু।
৯৪. ‘চাঁদ’ শব্দে কোন ধ্বনি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অনুনাসিক।
৯৫. ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান কারণ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: উচ্চারণের সহজীকরণ।
৯৬. ‘গ্রাম→গেরাম’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বরভক্তি।
৯৭. ‘পিশাচ→পিচাশ’ কোন পরিবর্তন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ধ্বনি বিপর্যয়।
৯৮. ধ্বনি বিজ্ঞানের ইংরেজি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: Phonology।
৯৯. ভাষার ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ একক কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: রূপমূল (morpheme)।
১০০. ‘কান্না→কাঁদা’ কোন ধ্বনির প্রভাব?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অনুনাসিকীভবন।