স্থানাঙ্ক সম্পর্ক (Space Relation) — সম্পূর্ণ পাঠ
স্থানাঙ্ক সম্পর্ক বা স্থান-দৃষ্টি দক্ষতা (Spatial Ability) হলো কোনো দ্বিমাত্রিক বা ত্রিমাত্রিক আকৃতিকে মনের চোখে ঘুরিয়ে, উল্টে, ভাঁজ করে বা খুলে কল্পনা করার ক্ষমতা। বাস্তব জীবনে একজন স্থপতি ভবনের নকশা, একজন সার্জন এক্স-রে, একজন পাইলট মানচিত্র — সবই এই দক্ষতা দিয়ে বিশ্লেষণ করেন। বিসিএস পরীক্ষায় এই দক্ষতা যাচাই করা হয় বলেই মানসিক দক্ষতা অংশের চিত্রভিত্তিক প্রশ্নগুলো এখান থেকেই বেশি আসে।
কেন এই অংশ গুরুত্বপূর্ণ?
মানসিক দক্ষতার ১৫টি প্রশ্নের মধ্যে সাধারণত ৪–৬টি প্রশ্ন সরাসরি চিত্রনির্ভর — আয়নার প্রতিবিম্ব, পানির প্রতিচ্ছবি, চিত্র গণনা, চিত্র সিরিজ, কাগজ ভাঁজ, ছক্কা-ঘনক ইত্যাদি। এগুলোতে হিসাব বা মুখস্থবিদ্যা লাগে না; লাগে নিয়ম জানা + দ্রুত কল্পনা। একবার নিয়মগুলো আয়ত্ত করলে প্রতিটি প্রশ্ন ১০–২০ সেকেন্ডে সমাধান করা যায় — অর্থাৎ এটি নম্বর তোলার সবচেয়ে নিশ্চিত জায়গা।
প্রশ্নের ধরন — সম্পূর্ণ মানচিত্র
| ধরন | যা করতে হয় | মূল নিয়ম | বিগত বিসিএস |
|---|---|---|---|
| আয়নার প্রতিবিম্ব | বস্তুর দর্পণ-প্রতিফলন চেনা | বাম↔ডান উল্টে যায় | ৩৫, ৩৭, ৪০, ৪১, ৪৪, ৪৫তম |
| পানির প্রতিচ্ছবি | পানিতে উল্টো প্রতিফলন চেনা | উপর↔নিচ উল্টে যায় | ৪৭তম |
| দর্পণে ঘড়ি | আয়নায় দেখা সময় থেকে প্রকৃত সময় | ১১:৬০ − প্রদর্শিত সময় | ৩৮তম |
| কাগজ ভাঁজ ও ছিদ্র | ভাঁজ খুললে ছিদ্রের বিন্যাস | ভাঁজ-রেখায় আয়না-প্রতিসম | ৪৩তম |
| চিত্র গণনা | ত্রিভুজ/বর্গ/আয়ত গোনা | ছোট→জোড়া→বড় ধাপে | ৩৫, ৪৪, ৪৭, ৪৮তম |
| চিত্র সিরিজ ও সাদৃশ্য | পরবর্তী চিত্র/অনুরূপ চিত্র | ঘূর্ণন+স্থান+সংখ্যা পরিবর্তন | ৪০, ৪৩, ৪৫, ৪৬তম |
| অন্তর্লীন চিত্র | জটিল নকশায় লুকানো আকৃতি | রেখা ধরে খুঁজে বের করা | বিভিন্ন পরীক্ষা |
| ছক্কা ও ঘনক | বিপরীত তল / রং করা ঘনক | বিপরীত তলের যোগফল ৭ | বিভিন্ন পরীক্ষা |
| খণ্ড জোড়া ও কাগজ কাটা | টুকরো জুড়ে পূর্ণ চিত্র | ভাঁজ-প্রতিসাম্য বিশ্লেষণ | ৪২তম |
সাধারণ প্রস্তুতি-কৌশল
- খসড়া কাগজ সঙ্গে রাখুন — জটিল চিত্র (কাগজ ভাঁজ, দিক, বসার বিন্যাস) হাতে এঁকে সমাধান করলে ভুল কমে।
- প্রতিসম বর্ণের তালিকা মুখস্থ রাখুন — আয়না ও পানির প্রশ্ন সেকেন্ডে শেষ হয়ে যাবে।
- চিত্র গণনায় এলোমেলো না গুনে সবসময় "ক্ষুদ্রতম একক আগে" নিয়ম মানুন।
- চিত্র সিরিজে একসঙ্গে সব পরিবর্তন না দেখে এক-একটি উপাদান আলাদাভাবে অনুসরণ করুন।
- বিগত ১৫টি বিসিএসের চিত্রভিত্তিক প্রশ্ন সমাধান করুন — একই ধরন বারবার ঘুরে আসে।
১. আয়নার প্রতিবিম্ব (Mirror Image)
সমতল দর্পণের সামনে কোনো বস্তু রাখলে দর্পণে যে প্রতিবিম্ব তৈরি হয়, তাতে বস্তুর পার্শ্বীয় পরিবর্তন (Lateral Inversion) ঘটে — অর্থাৎ বাম দিক ডান দিকে এবং ডান দিক বাম দিকে চলে যায়। কিন্তু উপর-নিচ অপরিবর্তিত থাকে। এই একটি নীতিই আয়না-সংক্রান্ত সব প্রশ্নের ভিত্তি।
(দর্পণটি সাধারণত বস্তুর ডান পাশে উল্লম্বভাবে থাকে)
শব্দের আয়না-প্রতিবিম্ব যেভাবে তৈরি হয়
একটি শব্দকে আয়নায় দেখলে দুটি জিনিস একসঙ্গে ঘটে: (১) বর্ণের ক্রম ডান থেকে বামে সাজে, এবং (২) প্রতিটি বর্ণ নিজেও পার্শ্বীয়ভাবে উল্টে যায়। নিচের চিত্রে "BANGLADESH" শব্দটির প্রকৃত রূপ ও আয়নার প্রতিবিম্ব পাশাপাশি দেখানো হলো:
প্রতিসম বর্ণ ও সংখ্যা — যা আয়নায় অপরিবর্তিত থাকে
যেসব বর্ণ উল্লম্ব অক্ষ বরাবর প্রতিসম, সেগুলো আয়নাতেও হুবহু একই দেখায়। এগুলো মনে রাখলে অনেক প্রশ্ন সরাসরি বাদ দেওয়া যায়:
ধরন-১: কোন বিকল্পটি সঠিক প্রতিবিম্ব?
এই ধরনের প্রশ্নে একটি শব্দ/আকৃতি দেওয়া থাকে এবং চারটি বিকল্প থাকে। সঠিক বিকল্পে বর্ণক্রম উল্টানো এবং প্রতিটি বর্ণ পার্শ্ব-উল্টানো — দুটোই থাকতে হবে। নিচে "CODE" শব্দের চারটি বিকল্প বিশ্লেষণ করা হলো:
বিশ্লেষণ:
- (ক) বর্ণক্রম উল্টেছে কিন্তু বর্ণগুলো সোজা — এটি ঘূর্ণন, আয়না নয়। ভুল।
- (খ) বর্ণক্রম উল্টেছে এবং প্রতিটি বর্ণ পার্শ্ব-উল্টানো — সঠিক দর্পণ-প্রতিবিম্ব।
- (গ) মূল শব্দ অপরিবর্তিত। ভুল।
- (ঘ) উপর-নিচ উল্টানো — এটি পানির প্রতিচ্ছবি, আয়না নয়। ভুল।
ধরন-২: দর্পণে ঘড়ি (Mirror Clock)
ঘড়ির আয়না-প্রতিবিম্বে সময় উল্টো দেখায়। প্রকৃত সময় বের করার সবচেয়ে দ্রুত সূত্র:
(সময় দুপুর/রাত ১২টার পরে হলে ২৩ : ৬০ থেকে বিয়োগ)
সমাধানকৃত উদাহরণ (৩৮তম বিসিএস)
প্রশ্ন: একটি ঘড়ির দর্পণ-প্রতিবিম্বে সময় দেখাচ্ছে ৪:৪০। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
- সূত্র প্রয়োগ করি: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৪:৪০।
- মিনিট: ৬০ − ৪০ = ২০; ঘণ্টা: ১১ − ৪ = ৭।
- সুতরাং প্রকৃত সময় ৭:২০।
আরও দুটি সমাধানকৃত উদাহরণ
প্রশ্ন (৪১তম বিসিএস): RELATION শব্দের আয়নার প্রতিবিম্ব কোনটি?
সমাধান: সঠিক প্রতিবিম্বে বর্ণক্রম হবে N-O-I-T-A-L-E-R এবং প্রতিটি বর্ণ পার্শ্ব-উল্টানো। যে বিকল্পে শুধু ক্রম উল্টেছে কিন্তু বর্ণ সোজা, তা ভুল; আবার যেটিতে বর্ণ উল্টেছে কিন্তু ক্রম ঠিক, সেটিও ভুল।
প্রশ্ন: কোন সময়ে ঘড়ির আয়না-প্রতিবিম্বও একই সময় দেখাবে?
সমাধান: ১১:৬০ − সময় = সময় হলে সময় = ৫:৬০ = ৬:০০; আবার ১২:০০-ও প্রতিসম। অর্থাৎ ৬:০০ ও ১২:০০।
২. পানির প্রতিচ্ছবি (Water Reflection)
স্থির পানির উপর কোনো বস্তুর প্রতিফলন হলে বস্তুটি উপর-নিচ উল্টে যায় (উল্লম্ব উল্টন), কিন্তু বাম-ডান ঠিক থাকে। ঠিক আয়নার বিপরীত — এই পার্থক্যটাই প্রশ্নের মূল।
আয়না বনাম পানি — নিখুঁত তুলনা
| বৈশিষ্ট্য | আয়না (Mirror) | পানি (Water) |
|---|---|---|
| কী উল্টায় | বাম ↔ ডান | উপর ↔ নিচ |
| দর্পণ/রেখার অবস্থান | পাশে (উল্লম্ব) | নিচে (অনুভূমিক) |
| অপরিবর্তিত বর্ণ | A H I M O T U V W X Y | B C D E H I K O X |
| উভয়েই অপরিবর্তিত | H, I, O, X | |
সমাধানকৃত উদাহরণ (৪৭তম বিসিএস ধাঁচ)
প্রশ্ন: নিচের কোন ইংরেজি শব্দটি পানির প্রতিচ্ছবিতেও একই দেখাবে — WAVE, FISH, LAMP, ECHO?
- প্রতিটি শব্দের বর্ণগুলো অনুভূমিক-প্রতিসম কি না যাচাই করি।
- WAVE-তে A, V, E — A ও V অনুভূমিক-প্রতিসম নয়। বাদ।
- FISH-এ F, S — প্রতিসম নয়। LAMP-এ L, A, M, P — প্রতিসম নয়।
- ECHO = E, C, H, O — চারটিই অনুভূমিক-প্রতিসম। উত্তর ECHO।
৩. কাগজ ভাঁজ ও ছিদ্র (Paper Folding & Punching)
একটি কাগজ ভাঁজ করে ছিদ্র বা কাটা হলে, ভাঁজ খোলার পর ছিদ্রগুলো ভাঁজ-রেখার সাপেক্ষে আয়না-প্রতিসম অবস্থানে দেখা যায়। মূল নিয়ম দুটি:
- সংখ্যা: প্রতিটি ভাঁজ ছিদ্রসংখ্যা দ্বিগুণ করে → ১ ভাঁজে ২টি, ২ ভাঁজে ৪টি, ৩ ভাঁজে ৮টি (২ভাঁজটি)।
- অবস্থান: ছিদ্র থেকে ভাঁজ-রেখার দূরত্ব দুই পাশে সমান — প্রতিটি ভাঁজ-রেখা একটি আয়নার মতো কাজ করে।
সমাধানকৃত উদাহরণ (৪৩তম বিসিএস ধাঁচ)
প্রশ্ন: একটি বর্গাকার কাগজকে একবার ভাঁজ করে কোণায় একটি ছিদ্র করা হলো। খুললে ছিদ্রের বিন্যাস কেমন হবে?
- ভাঁজ-রেখাটি কোথায় তা চিহ্নিত করি (মাঝ বরাবর উল্লম্ব রেখা)।
- ছিদ্রটি রেখা থেকে যত দূরে, অপর পাশে ঠিক তত দূরে একটি প্রতিফলিত ছিদ্র বসবে।
- সুতরাং খোলার পর ভাঁজ-রেখার দুই পাশে সমদূরত্বে ২টি ছিদ্র — যে বিকল্পে ছিদ্র একই দিকে সরানো বা ঘোরানো, তা ভুল।
কাগজ কাটা (Paper Cutting): ভাঁজ করা কাগজ কাঁচি দিয়ে কাটলেও একই নীতি — খুললে কাটা অংশ ভাঁজ-রেখার সাপেক্ষে প্রতিসম আকৃতি তৈরি করে। যেমন অর্ধেক ভাঁজ করে অর্ধ-হৃদয় কাটলে খুললে পূর্ণ প্রতিসম হৃদয় পাওয়া যায়।
৪. চিত্র গণনা (Counting of Figures)
এই ধরনের প্রশ্নে একটি জটিল চিত্রে মোট কতটি ত্রিভুজ, বর্গ বা আয়তক্ষেত্র আছে তা গুনতে হয়। এলোমেলোভাবে গুনলে প্রায় নিশ্চিতভাবে ভুল হয়। সঠিক পদ্ধতি — ছোট থেকে বড়, স্তরে স্তরে।
গণনার নিয়ম
প্রথমে সব ক্ষুদ্রতম একক গুনুন → তারপর দুটি একক মিলে গঠিত আকৃতি → তারপর তিন/চার একক → শেষে পূর্ণ চিত্র। প্রতিটি স্তরের সংখ্যা আলাদা লিখে যোগ করুন।
৪.১ ত্রিভুজ গণনা — ধাপে ধাপে
নিচের চিত্রটি একটি বর্গ যার দুই কর্ণ ও দুই মধ্যরেখা টানা — বিসিএসে বহুবার এসেছে (৪৪ ও ৪৭তম)। ধাপে ধাপে গুনি:
আরও তিনটি বহুল-জিজ্ঞাসিত ত্রিভুজ-চিত্র ও তাদের উত্তর:
৪.২ বর্গ ও আয়তক্ষেত্র গণনা — সূত্র
গ্রিড আকৃতির জন্য গোনার বদলে সূত্র ব্যবহার করলে সময় বাঁচে ও নির্ভুল হয়:
m×n গ্রিডে মোট আয়তক্ষেত্র = [m(m+১)/২] × [n(n+১)/২]
প্রশ্ন: একটি দাবার বোর্ডে (৮×৮) মোট কতটি বর্গ আছে?
সমাধান: ১²+২²+...+৮² = ২০৪টি।
প্রশ্ন: ২×৩ আয়তাকার গ্রিডে মোট আয়তক্ষেত্র কতটি?
সমাধান: [২·৩/২] × [৩·৪/২] = ৩ × ৬ = ১৮টি।
৫. চিত্র সিরিজ ও সাদৃশ্য (Figure Series & Analogy)
চিত্র সিরিজে ধারাবাহিক কয়েকটি চিত্র দেওয়া থাকে; পরবর্তী চিত্রটি বেছে নিতে হয়। পরিবর্তন সাধারণত তিন প্রকার — ঘূর্ণন, স্থান পরিবর্তন ও সংখ্যা/আকৃতি পরিবর্তন। একসঙ্গে সব না দেখে এক-একটি উপাদান আলাদাভাবে অনুসরণ করুন।
৫.১ ঘূর্ণন সিরিজ
নিচের সিরিজে ছায়াকৃত অংশ প্রতি ধাপে ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° করে ঘুরছে। পরবর্তী চিত্র নির্ণয় করুন:
প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে? চারটি বিকল্প:
সমাধান: ছায়া চার ধাপে উপরের-ডান → নিচের-ডান → নিচের-বাম → উপরের-বাম চতুর্থাংশে ঘুরেছে (প্রতি ধাপে ৯০° ঘড়ির দিকে)। পঞ্চম ধাপে আবার উপরের-ডান চতুর্থাংশে ফিরবে — উত্তর (ক)।
৫.২ চিত্র সাদৃশ্য (Figure Analogy)
"A : B :: C : ?" ধরনে প্রথম জোড়ায় যে রূপান্তর ঘটেছে, তৃতীয় চিত্রে সেই একই রূপান্তর প্রয়োগ করে চতুর্থ চিত্র বের করতে হয়।
৫.৩ বেমানান চিত্র (Odd Figure Out)
চারটি চিত্রের মধ্যে তিনটি কোনো এক বৈশিষ্ট্যে একগোত্রীয়; ব্যতিক্রমটিই উত্তর। নিচে তিনটি সরলরেখার আকৃতি ও একটি বক্ররেখার আকৃতি — বেমানানটি চিহ্নিত করুন:
সমাধান: ১, ২, ৩ নং সবই সরলরেখায় আঁকা বহুভুজ (ত্রিভুজ, বর্গ, পঞ্চভুজ)। ৪ নং বৃত্ত — একমাত্র বক্ররেখার আকৃতি, তাই বেমানান।
৬. অন্তর্লীন চিত্র (Embedded / Hidden Figures)
একটি সরল আকৃতি একটি জটিল নকশার ভেতরে লুকানো থাকে; সেটিকে খুঁজে বের করতে হয় (বা কোন বিকল্প-চিত্রে মূল আকৃতিটি সম্পূর্ণভাবে আছে তা বলতে হয়)। মূল আকৃতিটি একই আকার ও একই দিকে (ঘোরানো নয়) থাকতে হয়।
সমাধানের কৌশল
- মূল আকৃতির একটি স্বতন্ত্র কোণ বা বাহু বেছে নিন; জটিল চিত্রে সেটি কোথায় আছে খুঁজুন।
- মূল আকৃতি ঘোরানো বা উল্টানো থাকে না — একই অভিমুখে খুঁজতে হবে।
- বিকল্প-প্রশ্নে: যে বিকল্পে মূল আকৃতির সব বাহু অক্ষত ও সংযুক্ত আছে, সেটিই উত্তর।
৭. ছক্কা ও ঘনক (Dice & Cube)
ছক্কা-সংক্রান্ত প্রশ্নের ভিত্তি একটিই — আদর্শ ছক্কায় বিপরীত তলের সংখ্যার যোগফল সবসময় ৭ (১↔৬, ২↔৫, ৩↔৪)।
প্রশ্ন: একটি আদর্শ ছক্কার উপরের তলে ২ থাকলে নিচের তলে কত?
সমাধান: ৭ − ২ = ৫।
প্রশ্ন: টেবিলে রাখা একটি ছক্কার দৃশ্যমান পাঁচ তলের সর্বনিম্ন যোগফল কত?
সমাধান: নিচে সবচেয়ে বড় সংখ্যা ৬ লুকালে দৃশ্যমান = ২১ − ৬ = ১৫।
৭.১ রং করা ঘনক (Painted Cube)
একটি বড় ঘনকের বাইরের সব তল রং করে সমান আকারের ছোট ঘনকে কাটা হলে কতটি ঘনকের কত তলে রং থাকবে — এটি নিয়মিত প্রশ্ন। n×n×n ঘনকের জন্য চারটি সূত্র:
৮. খণ্ড জোড়া লাগানো (Figure Assembly)
কয়েকটি বিচ্ছিন্ন টুকরো দেওয়া থাকে; সেগুলো জোড়া দিলে কোন পূর্ণ চিত্র তৈরি হবে তা বলতে হয় (৪২তম বিসিএসে এসেছে)। কৌশল — টুকরোগুলোর মোট ক্ষেত্রফল ও বিশেষ কোণ/বাহুগুলো বিকল্প চিত্রের সাথে মেলানো।
সমাধানের কৌশল
- সব টুকরোর ক্ষেত্রফল যোগ করুন — উত্তর-চিত্রের ক্ষেত্রফল ঠিক ততটাই হতে হবে।
- সমকোণ বা তির্যক বাহুর মতো বিশেষ বৈশিষ্ট্য কোন বিকল্পে মেলে দেখুন।
- টুকরো ঘোরানো যায় কিন্তু উল্টানো (mirror) সাধারণত যায় না — এই শর্ত মাথায় রাখুন।
বিগত বিসিএস প্রশ্ন বিশ্লেষণ (চিত্রসহ)
স্থানাঙ্ক সম্পর্ক থেকে বিগত বিসিএসে আসা মূল চিত্রভিত্তিক প্রশ্নগুলো — হুবহু চিত্র, বিকল্প, সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ। প্রতিটি প্রশ্নে সবুজ রঙে চিহ্নিত অংশই সঠিক উত্তর।
একটি ঘড়ির দর্পণ-প্রতিবিম্ব নিচের চিত্রের মতো। বাস্তবে এই ঘড়িতে কটা বাজে?
(ক) ৬ঃ১৫ (খ) ৮ঃ৪০ (গ) ৭ঃ২০ (ঘ) ৭ঃ৪০
উত্তর: (গ) ৭ঃ২০
ব্যাখ্যা: দর্পণে দেখা সময় ৪ঃ৪০। প্রকৃত সময় = ১১ঃ৬০ − ৪ঃ৪০ = ৭ঃ২০।
“MEMORY” শব্দটির আয়নার প্রতিবিম্ব কোনটি?
উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা: আয়নায় বর্ণক্রম উল্টে যায় এবং প্রতিটি বর্ণ পার্শ্বীয়ভাবে উল্টে যায়। বিকল্প (খ)-তেই দুটি শর্ত পূরণ হয়েছে।
নিচের চিত্রে মোট কতটি ত্রিভুজ আছে?
(ক) ১০টি (খ) ১২টি (গ) ১৪টি (ঘ) ১৬টি
উত্তর: (ঘ) ১৬টি
ব্যাখ্যা: ৮টি ক্ষুদ্রতম + ৪টি চতুর্থাংশ + ৪টি অর্ধ = মোট ১৬টি ত্রিভুজ।
নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
(ক) ১৭টি (খ) ২০টি (গ) ১৮টি (ঘ) ২১টি
উত্তর: (খ) ২০টি
ব্যাখ্যা: শীর্ষ থেকে ৩টি রেখা ও ভূমির সমান্তরাল ১টি রেখা মিলিয়ে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের মোট ২০টি ত্রিভুজ পাওয়া যায়।
নিচের ষট্কোণ তারকা চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
(ক) ৬টি (খ) ৮টি (গ) ৭টি (ঘ) ১০টি
উত্তর: (খ) ৮টি
ব্যাখ্যা: ৬টি ছোট শীর্ষ-ত্রিভুজ এবং ২টি বড় ত্রিভুজ (উপরমুখী ও নিচমুখী) — মোট ৮টি।
নিচের চিত্রে (কেন্দ্রগামী ৩ কর্ণসহ ষড়ভুজ) মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
(ক) ৪টি (খ) ৫টি (গ) ৬টি (ঘ) ৭টি
উত্তর: (গ) ৬টি
ব্যাখ্যা: তিনটি প্রধান কর্ণ কেন্দ্রে ছেদ করে ৬টি সমবাহু ত্রিভুজ তৈরি করে। বড় কোনো ত্রিভুজ গঠিত হয় না।
“RELATION” শব্দটির আয়নার প্রতিবিম্ব কোনটি?
উত্তর: (ক)
ব্যাখ্যা: সঠিক প্রতিবিম্বে বর্ণক্রম উল্টানো এবং প্রতিটি বর্ণও পার্শ্ব-উল্টানো — বিকল্প (ক)।
“UNICEF” শব্দটির আয়নার প্রতিবিম্ব কোনটি?
উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা: আয়নায় পার্শ্বীয় উল্টনে বিকল্প (খ)-ই সঠিক প্রতিবিম্ব।
নিচের চিত্র-সিরিজে প্রশ্নবোধক স্থানে কোন চিত্রটি বসবে?
উত্তর: (ক)
ব্যাখ্যা: ছায়াকৃত চতুর্থাংশ প্রতি ধাপে ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° ঘুরছে (উপরের-ডান → নিচের-ডান → নিচের-বাম → উপরের-বাম)। পঞ্চম ধাপে আবার উপরের-ডান চতুর্থাংশে ফিরবে — বিকল্প (ক)।
পানিতে প্রতিফলিত হলে নিচের কোন শব্দটি ইংরেজিতে অবিকৃত পড়া যাবে?
(ক) WAVE (খ) LAMP (গ) SIGN (ঘ) CHOICE
উত্তর: (ঘ) CHOICE
ব্যাখ্যা: পানির প্রতিচ্ছবিতে উপর-নিচ উল্টে যায়। শুধু অনুভূমিক-প্রতিসম বর্ণের (C H O I C E) শব্দই অবিকৃত থাকে; WAVE, LAMP, SIGN-এ প্রতিসম নয় এমন বর্ণ আছে।
একটি বর্গাকার কাগজ একবার উল্লম্বভাবে ভাঁজ করে বাম পাশে একটি ছিদ্র করা হলো। খুললে ছিদ্রের বিন্যাস কেমন হবে?
উত্তর: (খ)
ব্যাখ্যা: ভাঁজ-রেখা একটি আয়নার মতো কাজ করে; ছিদ্রটি রেখা থেকে যত দূরে, অপর পাশেও ঠিক তত দূরে একটি প্রতিফলিত ছিদ্র বসে। সুতরাং খোলার পর ভাঁজ-রেখার দুই পাশে সমদূরত্বে ২টি ছিদ্র (যে বিকল্পে ছিদ্র প্রতিসম, সেটিই সঠিক)।
নিচের খণ্ড অংশগুলো জোড়া দিলে কোন পূর্ণ চিত্র তৈরি হবে?
(ক) ত্রিভুজ (খ) বর্গ (গ) বৃত্ত (ঘ) ষড়ভুজ
উত্তর: (খ) বর্গ
ব্যাখ্যা: টুকরোগুলোর মোট ক্ষেত্রফল ও সমকোণী বাহুগুলো মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায় এগুলো জোড়া দিলে একটি বর্গ গঠিত হয়।
অনুশীলনী (১৫৩টি প্রশ্ন, ব্যাখ্যাসহ)
প্রতিটি প্রশ্ন আগে নিজে সমাধান করুন; এরপর উত্তর ও ব্যাখ্যা মিলিয়ে নিন। ভুল হওয়া প্রশ্নগুলো চিহ্নিত করে এক সপ্তাহ পর আবার অনুশীলন করুন।
আয়নার প্রতিবিম্ব
১. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৯:৪০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ২:২০ = ৯:৪০।
২. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৮:২০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৩:৪০ = ৮:২০।
৩. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৬:৫০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৫:১০ = ৬:৫০।
৪. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৪:২৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৭:৩৫ = ৪:২৫।
৫. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ২:৪৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৯:১৫ = ২:৪৫।
৬. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ১০:১০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ১:৫০ = ১০:১০।
৭. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৭:৩০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৪:৩০ = ৭:৩০।
৮. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৩:১৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৮:৪৫ = ৩:১৫।
৯. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৫:৩৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৬:২৫ = ৫:৩৫।
১০. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ১:৪০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ১০:২০ = ১:৪০।
১১. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৮:৪৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৩:১৫ = ৮:৪৫।
১২. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৪:১০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৭:৫০ = ৪:১০।
১৩. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৯:১৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ২:৪৫ = ৯:১৫।
১৪. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ২:৩০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৯:৩০ = ২:৩০।
১৫. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ১০:৩৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ১:২৫ = ১০:৩৫।
১৬. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৭:০৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৪:৫৫ = ৭:০৫।
১৭. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৬:২৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৫:৩৫ = ৬:২৫।
১৮. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৫:৫০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৬:১০ = ৫:৫০।
১৯. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৩:৪০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৮:২০ = ৩:৪০।
২০. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ১:১০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ১০:৫০ = ১:১০।
২১. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৯:৫০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ২:১০ = ৯:৫০।
২২. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৮:১০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৩:৫০ = ৮:১০।
২৩. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৬:১৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৫:৪৫ = ৬:১৫।
২৪. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৪:৪৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৭:১৫ = ৪:৪৫।
২৫. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ২:০৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৯:৫৫ = ২:০৫।
২৬. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ১:২৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ১০:৩৫ = ১:২৫।
২৭. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ১০:৫০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ১:১০ = ১০:৫০।
২৮. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৭:৪০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৪:২০ = ৭:৪০।
২৯. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৫:১০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৬:৫০ = ৫:১০।
৩০. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৩:২৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৮:৩৫ = ৩:২৫।
৩১. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৯:০৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ২:৫৫ = ৯:০৫।
৩২. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৬:৫৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৫:০৫ = ৬:৫৫।
৩৩. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৪:৩৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৭:২৫ = ৪:৩৫।
৩৪. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ২:১৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৯:৪৫ = ২:১৫।
৩৫. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ১০:২০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ১:৪০ = ১০:২০।
৩৬. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৮:৫৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৩:০৫ = ৮:৫৫।
৩৭. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৫:২০
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৬:৪০ = ৫:২০।
৩৮. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৩:০৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৮:৫৫ = ৩:০৫।
৩৯. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ১:৫৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ১০:০৫ = ১:৫৫।
৪০. পাশের ঘড়িটি একটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্ব। বাস্তবে ঘড়িতে কটা বাজে?
উত্তর: ৭:১৫
ব্যাখ্যা: প্রকৃত সময় = ১১:৬০ − ৪:৪৫ = ৭:১৫।
৪১. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, অপরিবর্তিত থাকবে
ব্যাখ্যা: প্রতিটি বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম এবং শব্দটি প্যালিনড্রোম — আয়নায় হুবহু একই দেখাবে।
৪২. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, অপরিবর্তিত থাকবে
ব্যাখ্যা: প্রতিটি বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম এবং শব্দটি প্যালিনড্রোম — আয়নায় হুবহু একই দেখাবে।
৪৩. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, অপরিবর্তিত থাকবে
ব্যাখ্যা: প্রতিটি বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম এবং শব্দটি প্যালিনড্রোম — আয়নায় হুবহু একই দেখাবে।
৪৪. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, অপরিবর্তিত থাকবে
ব্যাখ্যা: প্রতিটি বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম এবং শব্দটি প্যালিনড্রোম — আয়নায় হুবহু একই দেখাবে।
৪৫. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, অপরিবর্তিত থাকবে
ব্যাখ্যা: প্রতিটি বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম এবং শব্দটি প্যালিনড্রোম — আয়নায় হুবহু একই দেখাবে।
৪৬. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৪৭. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৪৮. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৪৯. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৫০. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৫১. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৫২. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৫৩. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৫৪. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৫৫. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
৫৬. পাশের শব্দটি আয়নায় দেখলে কি হুবহু একই দেখাবে?
উত্তর: না, বদলে যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ উল্লম্ব-প্রতিসম নয় অথবা বর্ণক্রম উল্টালে ভিন্ন হয়, তাই আয়নায় বদলে যাবে।
পানির প্রতিচ্ছবি
৫৭. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৫৮. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৫৯. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: না, বিকৃত দেখাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক-প্রতিসম নয়, তাই পানিতে উল্টে গেলে বিকৃত দেখাবে।
৬০. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৬১. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: না, বিকৃত দেখাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক-প্রতিসম নয়, তাই পানিতে উল্টে গেলে বিকৃত দেখাবে।
৬২. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৬৩. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: না, বিকৃত দেখাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক-প্রতিসম নয়, তাই পানিতে উল্টে গেলে বিকৃত দেখাবে।
৬৪. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৬৫. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: না, বিকৃত দেখাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক-প্রতিসম নয়, তাই পানিতে উল্টে গেলে বিকৃত দেখাবে।
৬৬. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৬৭. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: না, বিকৃত দেখাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক-প্রতিসম নয়, তাই পানিতে উল্টে গেলে বিকৃত দেখাবে।
৬৮. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৬৯. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৭০. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: না, বিকৃত দেখাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক-প্রতিসম নয়, তাই পানিতে উল্টে গেলে বিকৃত দেখাবে।
৭১. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৭২. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: না, বিকৃত দেখাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক-প্রতিসম নয়, তাই পানিতে উল্টে গেলে বিকৃত দেখাবে।
৭৩. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৭৪. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: না, বিকৃত দেখাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক-প্রতিসম নয়, তাই পানিতে উল্টে গেলে বিকৃত দেখাবে।
৭৫. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, পড়া যাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক অক্ষে প্রতিসম (B C D E H I K O X), তাই পানির উল্টো প্রতিচ্ছবিতেও শব্দটি পড়া যায়।
৭৬. পাশের শব্দটি কি পানির প্রতিচ্ছবিতেও পড়া যাবে?
উত্তর: না, বিকৃত দেখাবে
ব্যাখ্যা: সব বর্ণ অনুভূমিক-প্রতিসম নয়, তাই পানিতে উল্টে গেলে বিকৃত দেখাবে।
৭৭. আয়না ও পানির প্রতিচ্ছবিতে কোন পার্থক্যটি মৌলিক?
উত্তর: আয়নায় বাম-ডান, পানিতে উপর-নিচ উল্টায়
ব্যাখ্যা: দর্পণ পাশে থাকায় পার্শ্বীয় উল্টন; পানি নিচে থাকায় উল্লম্ব উল্টন।
৭৮. H, I, O, X বর্ণগুলো আয়না ও পানি — উভয় প্রতিচ্ছবিতেই অপরিবর্তিত কেন?
উত্তর: উভয় অক্ষেই প্রতিসম বলে
ব্যাখ্যা: এই বর্ণগুলোর উল্লম্ব ও অনুভূমিক — দুই অক্ষেই প্রতিসাম্য থাকায় কোনো প্রতিফলনেই বদলায় না।
৭৯. AMBULANCE গাড়ির সামনে শব্দটি উল্টো করে লেখা থাকে কেন?
উত্তর: সামনের চালক আয়নায় সোজা পড়বেন বলে
ব্যাখ্যা: রিয়ার-ভিউ মিররে পার্শ্ব-উল্টানো লেখা আবার সোজা হয়ে যায়।
চিত্র গণনা
৮০. পাশের ২×২ ছকে মোট কতটি বর্গ আছে?
উত্তর: ৫টি
ব্যাখ্যা: সূত্র ১²+২²+...+n² = ১+৪ = ৫।
৮১. পাশের ৩×৩ ছকে মোট কতটি বর্গ আছে?
উত্তর: ১৪টি
ব্যাখ্যা: সূত্র ১²+২²+...+n² = ১+৪+৯ = ১৪।
৮২. পাশের ৪×৪ ছকে মোট কতটি বর্গ আছে?
উত্তর: ৩০টি
ব্যাখ্যা: সূত্র ১²+২²+...+n² = ১+৪+৯+১৬ = ৩০।
৮৩. পাশের ৫×৫ ছকে মোট কতটি বর্গ আছে?
উত্তর: ৫৫টি
ব্যাখ্যা: সূত্র ১²+২²+...+n² = ১+৪+৯+১৬+২৫ = ৫৫।
৮৪. পাশের ৩×২ ছকে মোট কতটি আয়তক্ষেত্র আছে?
উত্তর: ১৮টি
ব্যাখ্যা: সূত্র [m(m+১)/২]×[n(n+১)/২] = ৩×৬ = ১৮।
৮৫. পাশের ৪×৩ ছকে মোট কতটি আয়তক্ষেত্র আছে?
উত্তর: ৬০টি
ব্যাখ্যা: সূত্র [m(m+১)/২]×[n(n+১)/২] = ৬×১০ = ৬০।
৮৬. পাশের ৪×২ ছকে মোট কতটি আয়তক্ষেত্র আছে?
উত্তর: ৩০টি
ব্যাখ্যা: সূত্র [m(m+১)/২]×[n(n+১)/২] = ৩×১০ = ৩০।
৮৭. পাশের ৫×২ ছকে মোট কতটি আয়তক্ষেত্র আছে?
উত্তর: ৪৫টি
ব্যাখ্যা: সূত্র [m(m+১)/২]×[n(n+১)/২] = ৩×১৫ = ৪৫।
৮৮. পাশের ৩×৩ ছকে মোট কতটি আয়তক্ষেত্র আছে?
উত্তর: ৩৬টি
ব্যাখ্যা: সূত্র [m(m+১)/২]×[n(n+১)/২] = ৬×৬ = ৩৬।
৮৯. পাশের ৫×৩ ছকে মোট কতটি আয়তক্ষেত্র আছে?
উত্তর: ৯০টি
ব্যাখ্যা: সূত্র [m(m+১)/২]×[n(n+১)/২] = ৬×১৫ = ৯০।
৯০. কর্ণ ও মধ্যরেখাসহ পাশের বর্গটিতে মোট কতটি ত্রিভুজ আছে?
উত্তর: ১৬টি
ব্যাখ্যা: ৮টি ক্ষুদ্রতম + ৪টি চতুর্থাংশ + ৪টি অর্ধ = ১৬টি (৪৪ ও ৪৭তম বিসিএস)।
৯১. পাশের ষট্কোণ তারকায় মোট কতটি ত্রিভুজ আছে?
উত্তর: ৮টি
ব্যাখ্যা: ৬টি শীর্ষ-ত্রিভুজ + ২টি বড় ত্রিভুজ = ৮টি (৩৫তম বিসিএস)।
৯২. পাশের ষড়ভুজে ৩টি কর্ণ টানা হলে মোট কতটি ত্রিভুজ হয়?
উত্তর: ৬টি
ব্যাখ্যা: কেন্দ্রে ছেদ করে ৬টি সমবাহু ত্রিভুজ তৈরি হয় (৪৮তম বিসিএস)।
৯৩. শুধু দুই কর্ণ টানা পাশের বর্গটিতে কতটি ত্রিভুজ আছে?
উত্তর: ৮টি
ব্যাখ্যা: ৪টি ছোট + ৪টি বড় (পাশাপাশি দুটি মিলে) = ৮টি।
৯৪. পাশের সমবাহু ত্রিভুজে (শীর্ষ থেকে ২ রেখা ও ১ সমান্তরাল) মোট কতটি ত্রিভুজ?
উত্তর: ১০টি
ব্যাখ্যা: শীর্ষগামী রেখা ৪টি → C(৪,২)=৬; দুই স্তর × ... সঠিক গণনায় ছোট-বড় মিলে ১০টি।
৯৫. একটি দাবার বোর্ডে (৮×৮) মোট কতটি বর্গ আছে?
উত্তর: ২০৪টি
ব্যাখ্যা: ১²+২²+...+৮² = ২০৪টি।
৯৬. একটি দাবার বোর্ডে (৮×৮) মোট কতটি আয়তক্ষেত্র আছে?
উত্তর: ১২৯৬টি
ব্যাখ্যা: [৮·৯/২]² = ৩৬² = ১২৯৬টি।
৯৭. ৪টি সরলরেখা সর্বোচ্চ কতটি বিন্দুতে ছেদ করতে পারে?
উত্তর: ৬টি
ব্যাখ্যা: C(৪,২) = ৬; প্রতি জোড়া রেখা একটি করে বিন্দু।
৯৮. ৫টি সরলরেখা সর্বোচ্চ কতটি বিন্দুতে ছেদ করতে পারে?
উত্তর: ১০টি
ব্যাখ্যা: C(৫,২) = ১০।
৯৯. n সংখ্যক অভিন্ন-কেন্দ্রিক নয় এমন রেখার সর্বোচ্চ ছেদবিন্দু কত?
উত্তর: n(n−১)/২
ব্যাখ্যা: প্রতি জোড়া রেখা এক বিন্দুতে ছেদ করে।
১০০. একটি আয়তক্ষেত্রের এক কর্ণ আঁকলে কতটি ত্রিভুজ হয়?
উত্তর: ২টি
ব্যাখ্যা: একটি কর্ণ আয়তক্ষেত্রকে দুটি ত্রিভুজে ভাগ করে।
ছক্কা ও ঘনক
১০১. পাশের আদর্শ ছক্কার উপরের তলে ১ থাকলে ঠিক নিচের তলে কত থাকবে?
উত্তর: ৬
ব্যাখ্যা: বিপরীত তলের যোগফল ৭; ৭ − ১ = ৬।
১০২. পাশের আদর্শ ছক্কার উপরের তলে ২ থাকলে ঠিক নিচের তলে কত থাকবে?
উত্তর: ৫
ব্যাখ্যা: বিপরীত তলের যোগফল ৭; ৭ − ২ = ৫।
১০৩. পাশের আদর্শ ছক্কার উপরের তলে ৩ থাকলে ঠিক নিচের তলে কত থাকবে?
উত্তর: ৪
ব্যাখ্যা: বিপরীত তলের যোগফল ৭; ৭ − ৩ = ৪।
১০৪. পাশের আদর্শ ছক্কার উপরের তলে ৪ থাকলে ঠিক নিচের তলে কত থাকবে?
উত্তর: ৩
ব্যাখ্যা: বিপরীত তলের যোগফল ৭; ৭ − ৪ = ৩।
১০৫. পাশের আদর্শ ছক্কার উপরের তলে ৫ থাকলে ঠিক নিচের তলে কত থাকবে?
উত্তর: ২
ব্যাখ্যা: বিপরীত তলের যোগফল ৭; ৭ − ৫ = ২।
১০৬. পাশের আদর্শ ছক্কার উপরের তলে ৬ থাকলে ঠিক নিচের তলে কত থাকবে?
উত্তর: ১
ব্যাখ্যা: বিপরীত তলের যোগফল ৭; ৭ − ৬ = ১।
১০৭. একটি আদর্শ ছক্কার সব তলের সংখ্যার যোগফল কত?
উত্তর: ২১
ব্যাখ্যা: ১+২+৩+৪+৫+৬ = ২১।
১০৮. টেবিলে রাখা একটি ছক্কার দৃশ্যমান পাঁচ তলের সর্বনিম্ন যোগফল কত?
উত্তর: ১৫
ব্যাখ্যা: নিচে ৬ লুকালে দৃশ্যমান = ২১ − ৬ = ১৫।
১০৯. দুটি ছক্কা পাশাপাশি জোড়া লাগালে সর্বাধিক কতটি তল দৃশ্যমান থাকে?
উত্তর: ১০টি
ব্যাখ্যা: ১২ তলের মধ্যে জোড়া লাগানো ২টি লুকিয়ে যায়।
১১০. একটি ঘনকের কতটি ধার (edge) আছে?
উত্তর: ১২টি
ব্যাখ্যা: ৬ তল, ৮ শীর্ষ, ১২ ধার (অয়লার: ৬+৮−১২=২)।
১১১. একটি ঘনকের কতটি শীর্ষ (vertex) আছে?
উত্তর: ৮টি
ব্যাখ্যা: প্রতিটি কোণে একটি করে শীর্ষ।
১১২. একটি ঘনকের দেহ-কর্ণ (space diagonal) কতটি?
উত্তর: ৪টি
ব্যাখ্যা: বিপরীত শীর্ষ সংযোগকারী কর্ণ ৪টি।
১১৩. ঘনকের জাল (net) মোট কত রকম হতে পারে?
উত্তর: ১১ রকম
ব্যাখ্যা: ৬টি বর্গ জোড়া দিয়ে ঠিক ১১টি ভিন্ন ভাঁজযোগ্য জাল সম্ভব।
১১৪. ৩×৩×৩ ঘনকের বাইরের তল রং করে ২৭টি ছোট ঘনকে কাটা হলো। কতটির কোনো তলে রং নেই?
উত্তর: ১টি
ব্যাখ্যা: ভেতরের (n−২)³ = (৩−২)³ = ১টি ঘনক রংহীন।
১১৫. ৩×৩×৩ রং করা ঘনক কাটলে ঠিক দুই তলে রং আছে এমন ঘনক কতটি?
উত্তর: ১২টি
ব্যাখ্যা: ধার বরাবর (কোণা বাদে) ১২×(n−২) = ১২×১ = ১২টি।
১১৬. ৩×৩×৩ রং করা ঘনক কাটলে ঠিক এক তলে রং আছে এমন ঘনক কতটি?
উত্তর: ৬টি
ব্যাখ্যা: তল-কেন্দ্রে ৬×(n−২)² = ৬×১ = ৬টি।
১১৭. ৪×৪×৪ ঘনকের বাইরের তল রং করে ৬৪টি ছোট ঘনকে কাটা হলো। কতটির কোনো তলে রং নেই?
উত্তর: ৮টি
ব্যাখ্যা: ভেতরের (n−২)³ = (৪−২)³ = ৮টি ঘনক রংহীন।
১১৮. ৪×৪×৪ রং করা ঘনক কাটলে ঠিক দুই তলে রং আছে এমন ঘনক কতটি?
উত্তর: ২৪টি
ব্যাখ্যা: ধার বরাবর (কোণা বাদে) ১২×(n−২) = ১২×২ = ২৪টি।
১১৯. ৪×৪×৪ রং করা ঘনক কাটলে ঠিক এক তলে রং আছে এমন ঘনক কতটি?
উত্তর: ২৪টি
ব্যাখ্যা: তল-কেন্দ্রে ৬×(n−২)² = ৬×৪ = ২৪টি।
১২০. ৫×৫×৫ ঘনকের বাইরের তল রং করে ১২৫টি ছোট ঘনকে কাটা হলো। কতটির কোনো তলে রং নেই?
উত্তর: ২৭টি
ব্যাখ্যা: ভেতরের (n−২)³ = (৫−২)³ = ২৭টি ঘনক রংহীন।
১২১. ৫×৫×৫ রং করা ঘনক কাটলে ঠিক দুই তলে রং আছে এমন ঘনক কতটি?
উত্তর: ৩৬টি
ব্যাখ্যা: ধার বরাবর (কোণা বাদে) ১২×(n−২) = ১২×৩ = ৩৬টি।
১২২. ৫×৫×৫ রং করা ঘনক কাটলে ঠিক এক তলে রং আছে এমন ঘনক কতটি?
উত্তর: ৫৪টি
ব্যাখ্যা: তল-কেন্দ্রে ৬×(n−২)² = ৬×৯ = ৫৪টি।
১২৩. ৬×৬×৬ ঘনকের বাইরের তল রং করে ২১৬টি ছোট ঘনকে কাটা হলো। কতটির কোনো তলে রং নেই?
উত্তর: ৬৪টি
ব্যাখ্যা: ভেতরের (n−২)³ = (৬−২)³ = ৬৪টি ঘনক রংহীন।
১২৪. ৬×৬×৬ রং করা ঘনক কাটলে ঠিক দুই তলে রং আছে এমন ঘনক কতটি?
উত্তর: ৪৮টি
ব্যাখ্যা: ধার বরাবর (কোণা বাদে) ১২×(n−২) = ১২×৪ = ৪৮টি।
১২৫. ৬×৬×৬ রং করা ঘনক কাটলে ঠিক এক তলে রং আছে এমন ঘনক কতটি?
উত্তর: ৯৬টি
ব্যাখ্যা: তল-কেন্দ্রে ৬×(n−২)² = ৬×১৬ = ৯৬টি।
১২৬. রং করা যেকোনো ঘনক কাটলে ঠিক তিন তলে রংযুক্ত ঘনক সবসময় কতটি?
উত্তর: ৮টি
ব্যাখ্যা: ৮টি কোণার ঘনক সবসময় তিন তলে রংযুক্ত — n যাই হোক।
ঘূর্ণন, ভাঁজ ও প্রতিসাম্য
১২৭. একটি কাগজ ১ বার ভাঁজ করে একটি ছিদ্র করা হলো। খুললে মোট কতটি ছিদ্র হবে?
উত্তর: ২টি
ব্যাখ্যা: প্রতিটি ভাঁজ ছিদ্র দ্বিগুণ করে: ২^১ = ২টি।
১২৮. একটি কাগজ ২ বার ভাঁজ করে একটি ছিদ্র করা হলো। খুললে মোট কতটি ছিদ্র হবে?
উত্তর: ৪টি
ব্যাখ্যা: প্রতিটি ভাঁজ ছিদ্র দ্বিগুণ করে: ২^২ = ৪টি।
১২৯. একটি কাগজ ৩ বার ভাঁজ করে একটি ছিদ্র করা হলো। খুললে মোট কতটি ছিদ্র হবে?
উত্তর: ৮টি
ব্যাখ্যা: প্রতিটি ভাঁজ ছিদ্র দ্বিগুণ করে: ২^৩ = ৮টি।
১৩০. একটি কাগজ ৪ বার ভাঁজ করে একটি ছিদ্র করা হলো। খুললে মোট কতটি ছিদ্র হবে?
উত্তর: ১৬টি
ব্যাখ্যা: প্রতিটি ভাঁজ ছিদ্র দ্বিগুণ করে: ২^৪ = ১৬টি।
১৩১. একটি কাগজ ৫ বার ভাঁজ করে একটি ছিদ্র করা হলো। খুললে মোট কতটি ছিদ্র হবে?
উত্তর: ৩২টি
ব্যাখ্যা: প্রতিটি ভাঁজ ছিদ্র দ্বিগুণ করে: ২^৫ = ৩২টি।
১৩২. একটি তীর উত্তর দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° করে ২ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: দক্ষিণ
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ১৮০° = কার্যকর ১৮০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); উত্তর থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে দক্ষিণ।
১৩৩. একটি তীর পূর্ব দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° করে ৩ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: উত্তর
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ২৭০° = কার্যকর ২৭০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); পূর্ব থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে উত্তর।
১৩৪. একটি তীর পশ্চিম দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° করে ৪ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: পশ্চিম
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ৩৬০° = কার্যকর ০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); পশ্চিম থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে পশ্চিম।
১৩৫. একটি তীর দক্ষিণ দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° করে ৫ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: পশ্চিম
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ৪৫০° = কার্যকর ৯০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); দক্ষিণ থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে পশ্চিম।
১৩৬. একটি তীর পূর্ব দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৪৫° করে ৮ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: পূর্ব
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ৩৬০° = কার্যকর ০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); পূর্ব থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে পূর্ব।
১৩৭. একটি তীর উত্তর দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ১৩৫° করে ২ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: পশ্চিম
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ২৭০° = কার্যকর ২৭০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); উত্তর থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে পশ্চিম।
১৩৮. একটি তীর উত্তর দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৪৫° করে ৬ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: পশ্চিম
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ২৭০° = কার্যকর ২৭০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); উত্তর থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে পশ্চিম।
১৩৯. একটি তীর উত্তর দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৪৫° করে ৩ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: দক্ষিণ-পূর্ব
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ১৩৫° = কার্যকর ১৩৫° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); উত্তর থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে দক্ষিণ-পূর্ব।
১৪০. একটি তীর উত্তর দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° করে ১ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: পূর্ব
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ৯০° = কার্যকর ৯০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); উত্তর থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে পূর্ব।
১৪১. একটি তীর উত্তর দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° করে ৭ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: পশ্চিম
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ৬৩০° = কার্যকর ২৭০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); উত্তর থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে পশ্চিম।
১৪২. একটি তীর পূর্ব দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৪৫° করে ২ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: দক্ষিণ
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ৯০° = কার্যকর ৯০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); পূর্ব থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে দক্ষিণ।
১৪৩. একটি তীর উত্তর দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৪৫° করে ৫ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: দক্ষিণ-পশ্চিম
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ২২৫° = কার্যকর ২২৫° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); উত্তর থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে দক্ষিণ-পশ্চিম।
১৪৪. একটি তীর পূর্ব দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৪৫° করে ৪ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: পশ্চিম
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ১৮০° = কার্যকর ১৮০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); পূর্ব থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে পশ্চিম।
১৪৫. একটি তীর দক্ষিণ দিকে নির্দেশ করছে; ঘড়ির কাঁটার দিকে ৯০° করে ৩ বার ঘুরলে কোন দিকে নির্দেশ করবে?
উত্তর: পূর্ব
ব্যাখ্যা: মোট ঘূর্ণন ২৭০° = কার্যকর ২৭০° (৩৬০°-এর গুণিতক বাদে); দক্ষিণ থেকে ঘড়ির দিকে ঘুরে পূর্ব।
১৪৬. বর্গকে সর্বনিম্ন কত ডিগ্রি ঘুরালে নিজের সাথে মিলে যায়?
উত্তর: ৯০°
ব্যাখ্যা: বর্গের ঘূর্ণন-প্রতিসাম্যের ক্রম ৪; ৩৬০÷৪ = ৯০°।
১৪৭. সমবাহু ত্রিভুজের ঘূর্ণন-প্রতিসাম্যের ক্রম কত?
উত্তর: ৩
ব্যাখ্যা: ১২০° করে ঘুরালে তিনবার নিজের সাথে মিলে।
১৪৮. ইংরেজি কোন বড় হাতের বর্ণগুলো ১৮০° ঘুরালেও একই থাকে?
উত্তর: H, I, N, O, S, X, Z
ব্যাখ্যা: এদের বিন্দু-প্রতিসাম্য (point symmetry) আছে।
১৪৯. বর্গাকার কাগজ কতভাবে ভাঁজ করলে দুই অংশ হুবহু মেলে?
উত্তর: ৪ ভাবে
ব্যাখ্যা: ২ কর্ণ + ২ মধ্যরেখা = ৪টি প্রতিসাম্য রেখা।
১৫০. বৃত্তের প্রতিসাম্য রেখা কতটি?
উত্তর: অসংখ্য
ব্যাখ্যা: প্রতিটি ব্যাসই একটি প্রতিসাম্য রেখা।
১৫১. আয়তক্ষেত্রের প্রতিসাম্য রেখা কতটি?
উত্তর: ২টি
ব্যাখ্যা: দুই জোড়া বিপরীত বাহুর মধ্যরেখা; কর্ণ প্রতিসাম্য রেখা নয়।
১৫২. একটি চিত্র প্রতি ধাপে ৪৫° ঘুরলে কত ধাপে প্রথম অবস্থায় ফিরবে?
উত্তর: ৮ ধাপ
ব্যাখ্যা: ৩৬০÷৪৫ = ৮।
১৫৩. দেয়াল ঘড়ির আয়না-প্রতিবিম্বে কাঁটা কোন দিকে ঘুরতে দেখা যায়?
উত্তর: ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
ব্যাখ্যা: পার্শ্ব-উল্টানোয় ঘূর্ণনের দিকও উল্টে যায়।