সুশাসন
সুশাসন (Good Governance) হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্র জনগণের কল্যাণে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও আইনানুগভাবে পরিচালিত হয়। সুশাসন উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে; আর এর অভাবে দুর্নীতি, বৈষম্য ও অস্থিরতা বাড়ে।
বিসিএসে সুশাসন থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে—সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য, সুশাসনের স্তম্ভ (স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন), দুর্নীতি প্রতিরোধ ও জবাবদিহিতার প্রতিষ্ঠান থেকে।
বিসিএসে এই অধ্যায়ের গুরুত্ব
সুশাসনের সংজ্ঞা ও মূল উপাদান (স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, অংশগ্রহণ), ‘সুশাসন’ ধারণার উৎস (বিশ্বব্যাংক/UNDP), দুদক, তথ্য অধিকার আইন ও জবাবদিহিতার প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বিসিএসে প্রশ্ন আসে। ধারণা ও উপাদান মিলিয়ে বোঝাই মূল কৌশল।
এক নজরে
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| সুশাসন | স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসন |
| ধারণার প্রবর্তক | বিশ্বব্যাংক (১৯৮৯) |
| মূল স্তম্ভ | স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন |
| দুর্নীতি দমন | দুদক |
| তথ্য অধিকার আইন | ২০০৯ |
| সুশাসনের অভাবে | দুর্নীতি ও বৈষম্য |
সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য
সুশাসন বলতে বোঝায় এমন শাসন, যা জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ, স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক। ‘সুশাসন’ ধারণাটি জনপ্রিয় করে বিশ্বব্যাংক (১৯৮৯)। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) সুশাসনের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করেছে।
| বৈশিষ্ট্য (UNDP) | পরিচয় |
|---|---|
| অংশগ্রহণ | সিদ্ধান্তে জনগণের অংশগ্রহণ |
| আইনের শাসন | সবাই আইনের অধীন |
| স্বচ্ছতা | তথ্য প্রকাশ্য ও উন্মুক্ত |
| জবাবদিহিতা | কাজের জন্য জবাব দেওয়া |
| দায়িত্বশীলতা | জনস্বার্থে দ্রুত সাড়া |
| ঐকমত্য | সবার মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত |
| সমতা ও অন্তর্ভুক্তি | সবার সমান সুযোগ |
| দক্ষতা | সম্পদের সঠিক ব্যবহার |
সুশাসনের স্তম্ভ ও উপাদান
সুশাসনের মূল ভিত্তি কয়েকটি স্তম্ভ—স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন ও অংশগ্রহণ। এদের ওপরই সুশাসন দাঁড়িয়ে থাকে।
| স্তম্ভ | পরিচয় |
|---|---|
| স্বচ্ছতা (Transparency) | সিদ্ধান্ত ও তথ্য উন্মুক্ত রাখা |
| জবাবদিহিতা (Accountability) | কাজের জন্য জবাবদিহি করা |
| আইনের শাসন (Rule of Law) | সবাই আইনের সমান অধীন |
| অংশগ্রহণ (Participation) | জনগণের সম্পৃক্ততা |
চার স্তম্ভ মনে রাখুন
- স্বচ্ছতা—তথ্য গোপন নয়, উন্মুক্ত;
- জবাবদিহিতা—প্রতিটি কাজের জবাব দিতে হবে;
- আইনের শাসন—আইনের চোখে সবাই সমান;
- অংশগ্রহণ—জনগণকে সিদ্ধান্তে যুক্ত করা।
আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা
আইনের শাসন সুশাসনের প্রাণ—এর অর্থ ধনী-গরিব, শাসক-শাসিত নির্বিশেষে সবাই একই আইনের অধীন ও আইনের চোখে সমান। আর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে যে ক্ষমতাবানরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণ ও প্রতিষ্ঠানের কাছে জবাব দিতে বাধ্য।
| বিষয় | পরিচয় |
|---|---|
| আইনের শাসন | সবাই আইনের সমান অধীন |
| আইনের শাসনের প্রবক্তা | এ ভি ডাইসি |
| জবাবদিহিতা প্রকার | প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, আর্থিক |
| স্বচ্ছতার হাতিয়ার | তথ্য অধিকার আইন |
| জবাবদিহিতার মাধ্যম | সংসদ, নির্বাচন, আদালত |
আইনের শাসন
- আইনের শাসনের ধারণার প্রবক্তা—এ ভি ডাইসি;
- আইনের চোখে সবাই সমান (সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭);
- স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে তথ্য অধিকার আইন (২০০৯);
- জবাবদিহিতা—প্রশাসনিক, রাজনৈতিক ও আর্থিক।
দুর্নীতি ও প্রতিরোধ
দুর্নীতি সুশাসনের সবচেয়ে বড় শত্রু—ক্ষমতা বা পদের অপব্যবহার করে অবৈধ সুবিধা গ্রহণই দুর্নীতি। দুর্নীতি উন্নয়ন ব্যাহত করে ও জনগণের আস্থা নষ্ট করে।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| দুর্নীতি | ক্ষমতা/পদের অপব্যবহার |
| দুর্নীতি দমন সংস্থা | দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) |
| দুদক গঠন | ২০০৪ |
| দুর্নীতি পরিমাপ সূচক | CPI (Transparency International) |
| দুর্নীতি প্রতিরোধ | স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ডিজিটাল সেবা |
| আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস | ৯ ডিসেম্বর |
দুর্নীতি প্রতিরোধ
- দুর্নীতি দমন করে দুদক (গঠন ২০০৪);
- দুর্নীতি পরিমাপ করে Transparency International (CPI সূচক);
- প্রতিরোধের উপায়—স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ই-গভর্ন্যান্স;
- আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস—৯ ডিসেম্বর।
জবাবদিহিতার প্রতিষ্ঠান
সুশাসন নিশ্চিত করতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা তদারকি করে। এদের সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরি।
| প্রতিষ্ঠান | কাজ |
|---|---|
| জাতীয় সংসদ | সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে |
| দুর্নীতি দমন কমিশন | দুর্নীতি তদন্ত ও দমন |
| মহা হিসাব-নিরীক্ষক (CAG) | সরকারি হিসাব নিরীক্ষা |
| তথ্য কমিশন | তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা |
| মানবাধিকার কমিশন | মানবাধিকার রক্ষা |
| ন্যায়পাল (Ombudsman) | সংবিধানে আছে; কার্যকর হয়নি |
মনে রাখুন
- তথ্য অধিকার নিশ্চিত করে তথ্য কমিশন (আইন ২০০৯);
- দুর্নীতি দমন করে দুদক; হিসাব নিরীক্ষা করে CAG;
- ন্যায়পাল সংবিধানে (অনুচ্ছেদ ৭৭) থাকলেও এখনো কার্যকর হয়নি;
- সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে জাতীয় সংসদ।
ধাপে ধাপে তথ্য নির্ণয়
সুশাসন-সংক্রান্ত প্রশ্নের নিশ্চিত উপায়—উপাদান ও প্রতিষ্ঠান আলাদা করা। নিচে কয়েকটি উদাহরণ ধাপে ধাপে দেখানো হলো।
‘সুশাসন’ ধারণা কে জনপ্রিয় করে?
- উন্নয়ন-সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা এটি জনপ্রিয় করে।
- ১৯৮৯ সালে আফ্রিকা-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে ধারণাটি আসে।
- তাই—বিশ্বব্যাংক (১৯৮৯)।
দুর্নীতি দমন করে কোন সংস্থা?
- একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান দুর্নীতি তদন্ত করে।
- এটি ২০০৪ সালে গঠিত হয়।
- তাই—দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
তথ্য অধিকার আইন কবে?
- স্বচ্ছতা নিশ্চিতে নাগরিকের তথ্য পাওয়ার অধিকার।
- এ-সংক্রান্ত আইন হয় ২০০৯ সালে।
- তাই—তথ্য অধিকার আইন ২০০৯।
যা গুলিয়ে যায়
| যা গুলিয়ে যায় | পার্থক্য |
|---|---|
| স্বচ্ছতা বনাম জবাবদিহিতা | তথ্য উন্মুক্ত / জবাব দেওয়া |
| দুদক বনাম CAG | দুর্নীতি দমন / হিসাব নিরীক্ষা |
| সুশাসন বনাম শাসন | গুণগত / সাধারণ |
| ন্যায়পাল বনাম দুদক | কার্যকর নয় / কার্যকর |
মনে রাখার সূত্র
- সুশাসনের ৪ স্তম্ভ: স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, অংশগ্রহণ;
- ধারণা—বিশ্বব্যাংক(১৯৮৯); দুদক(২০০৪); তথ্য অধিকার আইন(২০০৯);
- দুর্নীতি সূচক—CPI (Transparency International)।
বহুল-জিজ্ঞাসিত তালিকা
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| সুশাসন ধারণা | বিশ্বব্যাংক (১৯৮৯) |
| মূল স্তম্ভ | ৪টি |
| আইনের শাসন প্রবক্তা | এ ভি ডাইসি |
| দুদক গঠন | ২০০৪ |
| তথ্য অধিকার আইন | ২০০৯ |
| দুর্নীতি সূচক | CPI |
| দুর্নীতি পরিমাপক | Transparency International |
| হিসাব নিরীক্ষা | CAG |
| তথ্য অধিকার | তথ্য কমিশন |
| দুর্নীতিবিরোধী দিবস | ৯ ডিসেম্বর |
দ্রুত-তথ্য ও পরিভাষা
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| সুশাসন ধারণা | বিশ্বব্যাংক (১৯৮৯) |
| স্তম্ভ | ৪টি |
| দুদক | ২০০৪ |
| তথ্য অধিকার আইন | ২০০৯ |
| দুর্নীতি সূচক | CPI |
| আইনের শাসন প্রবক্তা | ডাইসি |
| দুর্নীতিবিরোধী দিবস | ৯ ডিসেম্বর |
পরিভাষা (Glossary)
- সুশাসন: স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসন;
- স্বচ্ছতা: তথ্য উন্মুক্ত রাখা;
- জবাবদিহিতা: কাজের জবাব দেওয়া;
- আইনের শাসন: সবাই আইনের সমান অধীন;
- দুর্নীতি: ক্ষমতার অপব্যবহার;
- ন্যায়পাল: অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা।
বিগত বিসিএসে আসা প্রশ্ন (সমাধানসহ)
‘সুশাসন’ ধারণাটি কে জনপ্রিয় করে?
(ক) জাতিসংঘ (খ) বিশ্বব্যাংক (গ) IMF (ঘ) WHO
উত্তর: (খ) বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা: ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক ‘সুশাসন’ ধারণাটি জনপ্রিয় করে।
সুশাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ কোনটি?
(ক) দুর্নীতি (খ) জবাবদিহিতা (গ) গোপনীয়তা (ঘ) বৈষম্য
উত্তর: (খ) জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা: জবাবদিহিতা সুশাসনের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ।
দুর্নীতি দমন কমিশন কবে গঠিত হয়?
(ক) ২০০২ (খ) ২০০৪ (গ) ২০০৬ (ঘ) ২০০৮
উত্তর: (খ) ২০০৪
ব্যাখ্যা: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৪ সালে গঠিত হয়।
তথ্য অধিকার আইন কবে প্রণীত হয়?
(ক) ২০০৭ (খ) ২০০৯ (গ) ২০১১ (ঘ) ২০১৩
উত্তর: (খ) ২০০৯
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সালে প্রণীত হয়।
আইনের শাসনের ধারণার প্রবক্তা কে?
(ক) অ্যারিস্টটল (খ) এ ভি ডাইসি (গ) প্লেটো (ঘ) রুশো
উত্তর: (খ) এ ভি ডাইসি
ব্যাখ্যা: আইনের শাসনের আধুনিক ধারণার প্রবক্তা এ ভি ডাইসি।
দুর্নীতি পরিমাপ করে কোন সংস্থা?
(ক) বিশ্বব্যাংক (খ) Transparency International (গ) UNDP (ঘ) দুদক
উত্তর: (খ) Transparency International
ব্যাখ্যা: Transparency International CPI সূচকে দুর্নীতি পরিমাপ করে।
স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে কোন আইন?
(ক) তথ্য অধিকার আইন (খ) দণ্ডবিধি (গ) শ্রম আইন (ঘ) ভোক্তা আইন
উত্তর: (ক) তথ্য অধিকার আইন
ব্যাখ্যা: তথ্য অধিকার আইন (২০০৯) স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।
সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করে কোন প্রতিষ্ঠান?
(ক) দুদক (খ) CAG (গ) সংসদ (ঘ) তথ্য কমিশন
উত্তর: (খ) CAG
ব্যাখ্যা: মহা হিসাব-নিরীক্ষক (CAG) সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করে।
আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস কবে?
(ক) ৯ ডিসেম্বর (খ) ১০ ডিসেম্বর (গ) ৫ জুন (ঘ) ২১ ফেব্রুয়ারি
উত্তর: (ক) ৯ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা: ৯ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস।
আইনের চোখে সবাই সমান—এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
(ক) ২৭ (খ) ৩ (গ) ৭ (ঘ) ৭০
উত্তর: (ক) ২৭
ব্যাখ্যা: অনুচ্ছেদ ২৭—আইনের দৃষ্টিতে সমতা (আইনের শাসনের ভিত্তি)।
সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য
১. সুশাসন কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসন।
২. সুশাসন ধারণা কে জনপ্রিয় করে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিশ্বব্যাংক।
৩. কবে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ১৯৮৯।
৪. সুশাসনের বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে কে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: UNDP।
৫. সুশাসনের অভাবে কী হয়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দুর্নীতি ও বৈষম্য।
৬. সুশাসনের লক্ষ্য কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: জনকল্যাণ।
৭. অংশগ্রহণ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সিদ্ধান্তে জনগণের সম্পৃক্ততা।
৮. ঐকমত্য কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সবার মতে সিদ্ধান্ত।
৯. সমতা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সবার সমান সুযোগ।
১০. দক্ষতা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সম্পদের সঠিক ব্যবহার।
সুশাসনের স্তম্ভ
১১. সুশাসনের মূল স্তম্ভ কয়টি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৪টি।
১২. স্তম্ভগুলো কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, অংশগ্রহণ।
১৩. স্বচ্ছতা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তথ্য উন্মুক্ত রাখা।
১৪. জবাবদিহিতা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: কাজের জবাব দেওয়া।
১৫. আইনের শাসন কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সবাই আইনের অধীন।
১৬. অংশগ্রহণ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: জনগণের সম্পৃক্ততা।
১৭. Transparency-এর বাংলা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বচ্ছতা।
১৮. Accountability-এর বাংলা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: জবাবদিহিতা।
১৯. Rule of Law-এর বাংলা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আইনের শাসন।
২০. সুশাসনের প্রাণ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আইনের শাসন।
আইনের শাসন ও দুর্নীতি
২১. আইনের শাসনের প্রবক্তা কে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: এ ভি ডাইসি।
২২. আইনের চোখে সবাই কেমন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমান।
২৩. সমতা কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ২৭।
২৪. স্বচ্ছতার হাতিয়ার কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তথ্য অধিকার আইন।
২৫. দুর্নীতি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ক্ষমতার অপব্যবহার।
২৬. দুর্নীতি দমন সংস্থা কোনটি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দুদক।
২৭. দুদক গঠন কবে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ২০০৪।
২৮. দুর্নীতি সূচক কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: CPI।
২৯. CPI দেয় কে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: Transparency International।
৩০. দুর্নীতিবিরোধী দিবস কবে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৯ ডিসেম্বর।
প্রতিষ্ঠান ও মিশ্র
৩১. তথ্য অধিকার আইন কবে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ২০০৯।
৩২. তথ্য অধিকার নিশ্চিত করে কে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তথ্য কমিশন।
৩৩. হিসাব নিরীক্ষা করে কে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: CAG।
৩৪. সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করে কে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: জাতীয় সংসদ।
৩৫. ন্যায়পাল কার্যকর হয়েছে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: না।
৩৬. ন্যায়পাল কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৭৭।
৩৭. মানবাধিকার রক্ষা করে কে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মানবাধিকার কমিশন।
৩৮. e-গভর্ন্যান্স কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ডিজিটাল সরকারি সেবা।
৩৯. দুর্নীতি প্রতিরোধের উপায় কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
৪০. সুশাসন কীসে সাহায্য করে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: উন্নয়ন।
৪১. জবাবদিহিতা কত প্রকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, আর্থিক।
৪২. রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মাধ্যম কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: নির্বাচন।
৪৩. আর্থিক জবাবদিহিতা করে কে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: CAG।
৪৪. সুশাসনে নাগরিকের ভূমিকা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সচেতন অংশগ্রহণ।
৪৫. গণমাধ্যমের ভূমিকা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তথ্য প্রকাশ ও নজরদারি।
৪৬. সিভিল সোসাইটি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: নাগরিক সমাজ।
৪৭. স্বচ্ছতা কমলে কী হয়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দুর্নীতি বাড়ে।
৪৮. জবাবদিহিতা কমলে কী হয়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ক্ষমতার অপব্যবহার।
৪৯. আইনের শাসন না থাকলে কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিশৃঙ্খলা।
৫০. সুশাসনের বিপরীত কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দুঃশাসন।
৫১. স্বজনপ্রীতি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আত্মীয়দের অন্যায় সুবিধা।
৫২. ঘুষ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অবৈধ অর্থ লেনদেন।
৫৩. স্বেচ্ছাচারিতা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: নিয়মবহির্ভূত ক্ষমতা।
৫৪. সুশাসনে প্রযুক্তির ভূমিকা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বচ্ছতা বৃদ্ধি।
৫৫. ডিজিটাল সেবা কেন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দুর্নীতি কমাতে।
৫৬. সুশাসন কি উন্নয়নের শর্ত?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: হ্যাঁ।
৫৭. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কেন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আইনের শাসন।
৫৮. জনপ্রশাসন কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সরকারি সেবা ব্যবস্থাপনা।
৫৯. সেবার মান বাড়াতে কী দরকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: জবাবদিহিতা।
৬০. সুশাসনে দুর্নীতির স্থান কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: নেই।
৬১. UNDP কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি।
৬২. সুশাসন ধারণা কোন প্রতিবেদনে আসে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আফ্রিকা প্রতিবেদন।
৬৩. সুশাসন কি অংশগ্রহণমূলক?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: হ্যাঁ।
৬৪. সুশাসন কি ন্যায়ভিত্তিক?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: হ্যাঁ।
৬৫. তথ্য গোপন করা কি সুশাসন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: না।
৬৬. দুর্নীতির প্রধান কারণ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: জবাবদিহিতার অভাব।
৬৭. সততা কেন দরকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সুশাসনের ভিত্তি।
৬৮. সরকারি কর্মচারীর গুণ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সততা ও দক্ষতা।
৬৯. জনগণের ক্ষমতায়ন কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সিদ্ধান্তে অংশগ্রহণ।
৭০. সুশাসনে সমতা কেন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বৈষম্য দূর।
৭১. CPI-এর পূর্ণরূপ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: Corruption Perceptions Index।
৭২. দুদক কেমন প্রতিষ্ঠান?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বাধীন।
৭৩. তথ্য কমিশন কেমন প্রতিষ্ঠান?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বাধীন।
৭৪. সুশাসন কি গণতন্ত্রের অংশ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: হ্যাঁ।
৭৫. সুশাসন কি টেকসই উন্নয়নের শর্ত?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: হ্যাঁ।
৭৬. SDG-১৬ কীসের?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: শান্তি, ন্যায়বিচার ও প্রতিষ্ঠান।
৭৭. সুশাসন কীভাবে দারিদ্র্য কমায়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সম্পদের সঠিক বণ্টন।
৭৮. স্বচ্ছতা কীভাবে বাড়ে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তথ্য প্রকাশে।
৭৯. জবাবদিহিতা কীভাবে বাড়ে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: নজরদারিতে।
৮০. দুর্নীতির শিকার কারা?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সাধারণ জনগণ।
৮১. সুশাসনে ন্যায়বিচার কেন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অধিকার রক্ষা।
৮২. আইনের শাসনে বিচার বিভাগ কেমন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বাধীন।
৮৩. সুশাসনে দুর্নীতি সহনীয়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: না।
৮৪. সরকারি সেবা কেমন হওয়া উচিত?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বচ্ছ ও দ্রুত।
৮৫. সেবা গ্রহীতার অধিকার কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তথ্য ও প্রতিকার।
৮৬. নাগরিক সনদ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সেবার প্রতিশ্রুতি।
৮৭. অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: GRS।
৮৮. সুশাসন কি নৈতিকতানির্ভর?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: হ্যাঁ।
৮৯. সরকারি কর্মচারীর আচরণবিধি কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: নীতিমালা।
৯০. সততা ও সুশাসনের সম্পর্ক কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অবিচ্ছেদ্য।
৯১. সুশাসন কি অর্থনৈতিক উন্নয়ন আনে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: হ্যাঁ।
৯২. বিনিয়োগ বাড়াতে কী দরকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সুশাসন।
৯৩. দুর্নীতি কীভাবে মাপা হয়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: CPI সূচকে।
৯৪. বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা কোনটি?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দুদক।
৯৫. তথ্য অধিকার কার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: নাগরিকের।
৯৬. সুশাসন নিশ্চিতে গণমাধ্যম কেমন হওয়া উচিত?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বাধীন।
৯৭. দুঃশাসন কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: খারাপ শাসন।
৯৮. সুশাসনের মূল উপাদান কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
৯৯. সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কার ভূমিকা?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সরকার ও নাগরিক।
১০০. সুশাসনের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: জনকল্যাণ।