সমাস

পরস্পর অর্থসম্বন্ধযুক্ত দুই বা ততোধিক পদকে একপদে পরিণত করার নাম সমাস। ‘সমাস’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ ‘সংক্ষেপ’ বা ‘মিলন’। যেমন—‘বই ও খাতা’ মিলে হয় ‘বইখাতা’, ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’ মিলে হয় ‘সিংহাসন’। সমাসের মূল উদ্দেশ্য ভাষাকে সংক্ষিপ্ত, ঝংকারময় ও শ্রুতিমধুর করা।

সমাস ও সন্ধি এক নয়—সন্ধি হয় দুটি ধ্বনির মিলনে (উচ্চারণনির্ভর), আর সমাস হয় দুটি পদের অর্থগত মিলনে। সমাস ভেঙে অর্থ প্রকাশ করা যায়, সন্ধিতে তা যায় না।

সমাসের পরিভাষা

  • সমস্যমান পদ: যেসব পদ মিলে সমাস হয়;
  • সমস্তপদ: সমাসবদ্ধ হয়ে গঠিত একটিমাত্র পদ;
  • ব্যাসবাক্য/বিগ্রহবাক্য: সমাস ভেঙে যে বাক্যে অর্থ প্রকাশ করা হয়;
  • পূর্বপদ ও পরপদ (উত্তরপদ): সমাসের প্রথম ও শেষ অংশ।

সমাসের প্রকার ও কোন পদ প্রধান

সমাসকোন পদ প্রধানচেনার সূত্র
দ্বন্দ্বউভয় পদও/এবং/আর
কর্মধারয়পরপদযে/ন্যায়/অথচ (বিশেষণ+বিশেষ্য)
তৎপুরুষপরপদপূর্বপদের বিভক্তি লোপ (কে/দিয়ে/র/এ)
বহুব্রীহিঅন্য/তৃতীয় পদযার/যাতে/যে (ভিন্ন কিছু বোঝায়)
দ্বিগুপরপদ (সমাহার)সংখ্যাবাচক পূর্বপদ + সমাহার
অব্যয়ীভাবপূর্বপদ (অব্যয়)উপ/প্রতি/আ/অনু/যথা

দ্বন্দ্ব সমাস

যে সমাসে সমস্যমান উভয় পদই অর্থের দিক থেকে প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্যে ‘ও’, ‘এবং’, ‘আর’ যোগে অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন—মা-বাবা = মা ও বাবা।

প্রকারপরিচয়উদাহরণ
সাধারণ দ্বন্দ্বদুই পদ যোগমা-বাবা (মা ও বাবা); ভাই-বোন; হাট-বাজার
বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ববিপরীত অর্থের দুই পদআয়-ব্যয়; ছোট-বড়; জমা-খরচ
অলুক দ্বন্দ্বপদের বিভক্তি লোপ পায় নাহাতে-কলমে; দুধে-ভাতে; বনে-বাদাড়ে
চেনার সূত্র—ব্যাসবাক্যে ‘ও / এবং / আর’ বসিয়ে অর্থ পূর্ণ হলে তা দ্বন্দ্ব সমাস (উভয় পদ প্রধান)।

কর্মধারয় সমাস

যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং বিশেষণ-বিশেষ্য বা বিশেষণ-বিশেষণের মিলন ঘটে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন—নীলপদ্ম = নীল যে পদ্ম। কর্মধারয়ের কয়েকটি বিশেষ শ্রেণি আছে।

প্রকারপরিচয়উদাহরণ (সমস্তপদ = ব্যাসবাক্য)
সাধারণ কর্মধারয়বিশেষণ + বিশেষ্যনীলপদ্ম = নীল যে পদ্ম; মহাপুরুষ = মহান যে পুরুষ
মধ্যপদলোপী কর্মধারয়ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পায়সিংহাসন = সিংহ চিহ্নিত আসন; ঘিভাত = ঘি মাখা ভাত
উপমান কর্মধারয়উপমান + সাধারণ ধর্মতুষারশুভ্র = তুষারের ন্যায় শুভ্র; অরুণরাঙা
উপমিত কর্মধারয়উপমেয় + উপমানপুরুষসিংহ = সিংহের ন্যায় পুরুষ; মুখচন্দ্র
রূপক কর্মধারয়উপমেয় ও উপমানের অভেদ কল্পনামনমাঝি = মন রূপ মাঝি; ভবসাগর; ক্রোধানল

কর্মধারয় চেনার সূত্র

কর্মধারয়ে সাধারণত বিশেষণ + বিশেষ্য মিলিত হয় এবং ব্যাসবাক্যে ‘যে’, ‘ন্যায়’, ‘রূপ’, ‘অথচ’ বসে। পরপদ প্রধান থাকে—অর্থাৎ সমস্তপদটি পরপদেরই এক প্রকার (নীলপদ্ম এক ধরনের পদ্ম)।

তৎপুরুষ সমাস

যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। পূর্বপদে কোন কারকবিভক্তি লোপ পেল, তার ভিত্তিতে তৎপুরুষের নামকরণ হয়—দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী পর্যন্ত।

শ্রেণিলুপ্ত বিভক্তিউদাহরণ
দ্বিতীয়া তৎপুরুষকে/রেদেশত্যাগ = দেশকে ত্যাগ; দুঃখপ্রাপ্ত
তৃতীয়া তৎপুরুষদ্বারা/দিয়ে/কর্তৃকমধুমাখা = মধু দিয়ে মাখা; জ্ঞানশূন্য; মেঘাচ্ছন্ন
চতুর্থী তৎপুরুষজন্য/নিমিত্তবসতবাড়ি = বসতের জন্য বাড়ি; হজযাত্রা
পঞ্চমী তৎপুরুষহতে/থেকেঋণমুক্ত = ঋণ হতে মুক্ত; জেলখালাস; বিলাতফেরত
ষষ্ঠী তৎপুরুষর/এররাজপুত্র = রাজার পুত্র; বিশ্ববিদ্যালয়
সপ্তমী তৎপুরুষএ/তেগৃহপ্রবেশ = গৃহে প্রবেশ; বাকপটু = বাক্‌যে পটু

তৎপুরুষের বিশেষ শ্রেণি

  • নঞ্ তৎপুরুষ: পূর্বপদে না-বোধক অব্যয় (না, নেই, অ, অন, বে)—নাবালক, অচেনা, বেহুঁশ;
  • উপপদ তৎপুরুষ: পরপদে কৃদন্ত পদ—ছেলেধরা, পকেটমার, ছড়াকার;
  • প্রাদি তৎপুরুষ: পূর্বপদে উপসর্গ—প্রভাত, পরাজয়, অনুতাপ।

বহুব্রীহি সমাস

যে সমাসে সমস্যমান পদের কোনোটিরই অর্থ প্রধান না হয়ে তৃতীয় বা ভিন্ন কোনো অর্থ প্রধান হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন—দশানন = দশ আনন যার = রাবণ। এখানে ‘দশ’ বা ‘আনন’ কোনোটিই মুখ্য নয়; মুখ্য হলো ‘রাবণ’ নামের এক ভিন্ন ব্যক্তি।

প্রকারপরিচয়উদাহরণ
সমানাধিকরণ বহুব্রীহিদুই পদ একই বিভক্তিরনীলকণ্ঠ = নীল কণ্ঠ যার (শিব); মহাত্মা
ব্যতিহার বহুব্রীহিক্রিয়ার পারস্পরিকতাহাতাহাতি; কানাকানি; কোলাকুলি; লাঠালাঠি
নঞর্থক বহুব্রীহিনা-বোধক পূর্বপদনিরক্ষর = নাই অক্ষর যার; বেহায়া
মধ্যপদলোপী বহুব্রীহিমধ্যপদ লোপগায়েহলুদ = গায়ে হলুদ মাখা হয় যে অনুষ্ঠানে
প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহিশেষে প্রত্যয়একগুঁয়ে; দোতলা
চেনার সূত্র—ব্যাসবাক্য ‘যার / যাতে / যে’ দিয়ে শেষ হয়ে যদি ভিন্ন কাউকে/কিছুকে বোঝায়, তবে তা বহুব্রীহি (বীণাপাণি = বীণা পাণিতে যার = সরস্বতী)।

দ্বিগু সমাস

যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দ পূর্বপদ হয় এবং তা পরপদের সঙ্গে মিলে সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। যেমন—ত্রিভুজ = তিন ভুজের সমাহার। দ্বিগুতে পরপদ প্রধান এবং সাধারণত সমাহার/সমষ্টি বোঝায়।

সমস্তপদব্যাসবাক্য
ত্রিভুজতিন ভুজের সমাহার
চৌরাস্তাচার রাস্তার সমাহার
পঞ্চবটীপঞ্চ বটের সমাহার
ত্রিফলাতিন ফলের সমাহার
সপ্তাহসপ্ত অহের সমাহার
নবরত্ননব রত্নের সমাহার
শতাব্দীশত অব্দের সমাহার
চতুষ্পদচার পদের সমাহার

দ্বিগু বনাম বহুব্রীহি

দুটোতেই সংখ্যাবাচক পূর্বপদ থাকতে পারে; পার্থক্য অর্থে। সমাহার/সমষ্টি বোঝালে দ্বিগু (ত্রিভুজ = তিন ভুজের সমাহার), আর ভিন্ন কিছু বোঝালে বহুব্রীহি (ত্রিনয়ন = তিন নয়ন যার = শিব)।

অব্যয়ীভাব সমাস

যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। উপ, প্রতি, আ, অনু, যথা, নির, দুর প্রভৃতি অব্যয় পূর্বপদে বসে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।

অব্যয়ের অর্থসমস্তপদ = ব্যাসবাক্য
সমীপ (উপ)উপকণ্ঠ = কণ্ঠের সমীপে
প্রতিটি (প্রতি)প্রতিদিন = দিন দিন; প্রতিমুহূর্ত
পর্যন্ত (আ)আমরণ = মরণ পর্যন্ত; আজীবন
সাদৃশ্য (অনু)অনুরূপ = রূপের সদৃশ
যথাযথ (যথা)যথাসাধ্য = সাধ্য অনুসারে; যথারীতি
অভাব (নির/বে)নিরামিষ = আমিষের অভাব; বেকার

অব্যয়ীভাব চেনার সূত্র

পূর্বপদে যদি অব্যয় (উপ, প্রতি, আ, অনু, যথা, নির, দুর, বে) থাকে এবং সেটিই অর্থ নিয়ন্ত্রণ করে, তবে তা অব্যয়ীভাব সমাস। যেমন—উপ (সমীপ) + কণ্ঠ = উপকণ্ঠ।

ধাপে ধাপে সমাস নির্ণয়

সমাস নির্ণয়ের নিশ্চিত উপায়—আগে ব্যাসবাক্য তৈরি করা, তারপর দেখা কোন পদ প্রধান এবং ব্যাসবাক্যে কোন সংযোজক (ও/যে/যার) বসছে। নিচে কয়েকটি উদাহরণ ধাপে ধাপে দেখানো হলো।

‘সিংহাসন’ কোন সমাস, নির্ণয় করুন।

  1. ব্যাসবাক্য: সিংহ চিহ্নিত আসন।
  2. পরপদ ‘আসন’ প্রধান; ‘সিংহ’ ও ‘আসন’-এর মাঝে ‘চিহ্নিত’ মধ্যপদ লোপ পেয়েছে।
  3. বিশেষণ-বিশেষ্য সম্পর্ক ও মধ্যপদ লোপ—তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয়।

‘দশানন’ কোন সমাস, নির্ণয় করুন।

  1. ব্যাসবাক্য: দশ আনন (মুখ) যার।
  2. ‘দশ’ বা ‘আনন’ কোনোটিই প্রধান নয়; প্রধান হলো ভিন্ন এক ব্যক্তি—রাবণ।
  3. ব্যাসবাক্য ‘যার’ দিয়ে শেষ ও ভিন্ন কাউকে বোঝায়—তাই বহুব্রীহি সমাস।

‘রাজপুত্র’ কোন সমাস, নির্ণয় করুন।

  1. ব্যাসবাক্য: রাজার পুত্র।
  2. পূর্বপদ ‘রাজা’-র ষষ্ঠী বিভক্তি ‘র’ লোপ পেয়েছে; পরপদ ‘পুত্র’ প্রধান।
  3. বিভক্তি লোপ ও পরপদ প্রধান—তাই ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।

কোন সমাস কোনটি: সাধারণ ভুল

সমাসের প্রশ্নে সবচেয়ে বেশি ভুল হয় কাছাকাছি চেহারার সমাসগুলো আলাদা করতে গিয়ে। নিচের পার্থক্যগুলো মনে রাখলে বিভ্রান্তি অনেকটাই কমে যাবে।

যে দুটি গুলিয়ে যায়পার্থক্য
কর্মধারয় বনাম বহুব্রীহিকর্মধারয়—সমস্তপদই পরপদের এক ধরন (নীলপদ্ম=এক ধরনের পদ্ম); বহুব্রীহি—ভিন্ন কিছু বোঝায় (নীলকণ্ঠ=শিব)
দ্বিগু বনাম বহুব্রীহিসমাহার হলে দ্বিগু (ত্রিভুজ); ভিন্ন কিছু হলে বহুব্রীহি (ত্রিনয়ন=শিব)
তৎপুরুষ বনাম কর্মধারয়তৎপুরুষে কারক-বিভক্তি লোপ (রাজার পুত্র); কর্মধারয়ে বিশেষণ-বিশেষ্য সম্পর্ক (নীল পদ্ম)
দ্বন্দ্ব বনাম অন্যদ্বন্দ্বে উভয় পদ প্রধান ও ‘ও/এবং’ বসে (মা-বাবা)

বিভ্রান্তি এড়ানোর দুই প্রশ্ন

  • ব্যাসবাক্যে কোন সংযোজক বসে? ‘ও’ → দ্বন্দ্ব; ‘যে/ন্যায়’ → কর্মধারয়; ‘যার/যাতে’ → বহুব্রীহি;
  • সমস্তপদটি কি নিজেই পরপদের একটি ধরন, নাকি ভিন্ন কিছু বোঝায়? নিজের ধরন → কর্মধারয়; ভিন্ন কিছু → বহুব্রীহি।

বহুল-জিজ্ঞাসিত সমাসের তালিকা

রিভিশনের জন্য নিচের তালিকাটি অত্যন্ত কার্যকর। পরীক্ষার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিলে সমাস-সংক্রান্ত অধিকাংশ প্রশ্নের উত্তর দ্রুত মিলিয়ে নেওয়া যায়।

সমস্তপদব্যাসবাক্যসমাস
মা-বাবামা ও বাবাদ্বন্দ্ব
দা-কুমড়াদা ও কুমড়াদ্বন্দ্ব
নীলপদ্মনীল যে পদ্মকর্মধারয়
মহাপুরুষমহান যে পুরুষকর্মধারয়
সিংহাসনসিংহ চিহ্নিত আসনমধ্যপদলোপী কর্মধারয়
পুরুষসিংহসিংহের ন্যায় পুরুষউপমিত কর্মধারয়
মনমাঝিমন রূপ মাঝিরূপক কর্মধারয়
রাজপুত্ররাজার পুত্রষষ্ঠী তৎপুরুষ
গৃহপ্রবেশগৃহে প্রবেশসপ্তমী তৎপুরুষ
ঋণমুক্তঋণ হতে মুক্তপঞ্চমী তৎপুরুষ
মধুমাখামধু দিয়ে মাখাতৃতীয়া তৎপুরুষ
দেশত্যাগদেশকে ত্যাগদ্বিতীয়া তৎপুরুষ
নাবালকনা বালকনঞ্ তৎপুরুষ
দশাননদশ আনন যারবহুব্রীহি
নীলকণ্ঠনীল কণ্ঠ যারবহুব্রীহি
বীণাপাণিবীণা পাণিতে যারবহুব্রীহি
হাতাহাতিহাতে হাতে যে যুদ্ধব্যতিহার বহুব্রীহি
নিরক্ষরনাই অক্ষর যারনঞর্থক বহুব্রীহি
ত্রিভুজতিন ভুজের সমাহারদ্বিগু
চৌরাস্তাচার রাস্তার সমাহারদ্বিগু
উপকণ্ঠকণ্ঠের সমীপেঅব্যয়ীভাব
আমরণমরণ পর্যন্তঅব্যয়ীভাব
প্রতিদিনদিন দিনঅব্যয়ীভাব
নিরামিষআমিষের অভাবঅব্যয়ীভাব

দ্রুত-তথ্য ও পরিভাষা

সমাসকোন পদ প্রধানসংযোজক
দ্বন্দ্বউভয় পদও/এবং/আর
কর্মধারয়পরপদযে/ন্যায়/রূপ
তৎপুরুষপরপদকে/দিয়ে/হতে/র/এ (বিভক্তি)
বহুব্রীহিঅন্য/তৃতীয় পদযার/যাতে/যে
দ্বিগুপরপদ (সমাহার)সংখ্যা+সমাহার
অব্যয়ীভাবপূর্বপদ (অব্যয়)উপ/প্রতি/আ/যথা

পরিভাষা (Glossary)

  • সমস্তপদ: সমাসবদ্ধ পদ;
  • ব্যাসবাক্য: সমাস ভাঙা বাক্য;
  • মধ্যপদলোপী: ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লোপ পায় এমন সমাস;
  • উপমান: যার সঙ্গে তুলনা করা হয়;
  • উপমেয়: যাকে তুলনা করা হয়;
  • ব্যতিহার বহুব্রীহি: ক্রিয়ার পারস্পরিকতা (হাতাহাতি, কানাকানি)।

বিগত বিসিএসে আসা প্রশ্ন (সমাধানসহ)

৪৪তম বিসিএস

‘দশানন’ কোন সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব   (খ) কর্মধারয়   (গ) বহুব্রীহি   (ঘ) তৎপুরুষ

উত্তর: (গ) বহুব্রীহি

ব্যাখ্যা: দশ আনন যার = রাবণ; ভিন্ন কাউকে বোঝায় বলে বহুব্রীহি।

৪০তম বিসিএস

‘নীলপদ্ম’ কোন সমাসের উদাহরণ?

(ক) কর্মধারয়   (খ) তৎপুরুষ   (গ) দ্বিগু   (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) কর্মধারয়

ব্যাখ্যা: নীল যে পদ্ম = কর্মধারয় (বিশেষণ+বিশেষ্য, পরপদ প্রধান)।

৩৮তম বিসিএস

‘আমরণ’ কোন সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব   (খ) দ্বিগু   (গ) বহুব্রীহি   (ঘ) দ্বন্দ্ব

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

ব্যাখ্যা: মরণ পর্যন্ত = অব্যয়ীভাব (পূর্বপদ ‘আ’ অব্যয় প্রধান)।

৪৩তম বিসিএস

‘ত্রিভুজ’ কোন সমাস?

(ক) দ্বিগু   (খ) বহুব্রীহি   (গ) তৎপুরুষ   (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (ক) দ্বিগু

ব্যাখ্যা: তিন ভুজের সমাহার = দ্বিগু (সংখ্যাবাচক পূর্বপদ, সমাহার)।

৪৬তম বিসিএস

‘মা-বাবা’ কোন সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব   (খ) কর্মধারয়   (গ) তৎপুরুষ   (ঘ) বহুব্রীহি

উত্তর: (ক) দ্বন্দ্ব

ব্যাখ্যা: মা ও বাবা = দ্বন্দ্ব (উভয় পদ প্রধান)।

৪৫তম বিসিএস

‘রাজপুত্র’ কোন সমাস?

(ক) কর্মধারয়   (খ) তৎপুরুষ   (গ) বহুব্রীহি   (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (খ) তৎপুরুষ

ব্যাখ্যা: রাজার পুত্র = ষষ্ঠী তৎপুরুষ (পূর্বপদের ‘র’ বিভক্তি লোপ)।

৩৭তম বিসিএস

‘সিংহাসন’ কোন সমাস?

(ক) সাধারণ কর্মধারয়   (খ) মধ্যপদলোপী কর্মধারয়   (গ) বহুব্রীহি   (ঘ) তৎপুরুষ

উত্তর: (খ) মধ্যপদলোপী কর্মধারয়

ব্যাখ্যা: সিংহ চিহ্নিত আসন; মধ্যপদ ‘চিহ্নিত’ লোপ পাওয়ায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয়।

৩৯তম বিসিএস

‘হাতাহাতি’ কোন সমাস?

(ক) দ্বন্দ্ব   (খ) ব্যতিহার বহুব্রীহি   (গ) কর্মধারয়   (ঘ) অব্যয়ীভাব

উত্তর: (খ) ব্যতিহার বহুব্রীহি

ব্যাখ্যা: ক্রিয়ার পারস্পরিকতা বোঝায় বলে এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি।

৪২তম বিসিএস

‘ঋণমুক্ত’ কোন সমাস?

(ক) তৃতীয়া তৎপুরুষ   (খ) পঞ্চমী তৎপুরুষ   (গ) ষষ্ঠী তৎপুরুষ   (ঘ) কর্মধারয়

উত্তর: (খ) পঞ্চমী তৎপুরুষ

ব্যাখ্যা: ঋণ হতে মুক্ত; ‘হতে’ (পঞ্চমী) বিভক্তি লোপ পাওয়ায় পঞ্চমী তৎপুরুষ।

৪১তম বিসিএস

‘নিরামিষ’ কোন সমাস?

(ক) অব্যয়ীভাব   (খ) নঞ্ তৎপুরুষ   (গ) বহুব্রীহি   (ঘ) দ্বিগু

উত্তর: (ক) অব্যয়ীভাব

ব্যাখ্যা: ‘নির’ (অভাব) অব্যয় পূর্বপদ প্রধান; আমিষের অভাব = অব্যয়ীভাব।

সমাসের প্রকার চেনা

১. পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত পদের একপদীকরণকে কী বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমাস।

২. সমাস ভাঙা বাক্যকে কী বলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: ব্যাসবাক্য/বিগ্রহবাক্য।

৩. ‘মা-বাবা’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব।

৪. ‘নীলপদ্ম’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: কর্মধারয়।

৫. ‘রাজপুত্র’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ।

৬. ‘দশানন’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি।

৭. ‘ত্রিভুজ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বিগু।

৮. ‘আমরণ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অব্যয়ীভাব।

৯. দ্বন্দ্ব সমাসে কোন পদ প্রধান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উভয় পদ।

১০. বহুব্রীহি সমাসে কোন পদ প্রধান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অন্য/তৃতীয় পদ।

ব্যাসবাক্য ও শ্রেণি

১১. ‘বিপদাপন্ন’ এর ব্যাসবাক্য?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিপদে আপন্ন (৭মী তৎপুরুষ)।

১২. ‘নীলকণ্ঠ’ এর ব্যাসবাক্য?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: নীল কণ্ঠ যার (বহুব্রীহি)।

১৩. ‘চৌরাস্তা’ এর ব্যাসবাক্য?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: চার রাস্তার সমাহার (দ্বিগু)।

১৪. ‘উপকণ্ঠ’ এর ব্যাসবাক্য?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: কণ্ঠের সমীপে (অব্যয়ীভাব)।

১৫. ‘সিংহাসন’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: মধ্যপদলোপী কর্মধারয়।

১৬. ‘দেশত্যাগ’ এর ব্যাসবাক্য?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দেশকে ত্যাগ (২য়া তৎপুরুষ)।

১৭. ‘পুরুষসিংহ’ কোন কর্মধারয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপমিত কর্মধারয়।

১৮. ‘মনমাঝি’ কোন কর্মধারয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: রূপক কর্মধারয়।

১৯. ‘ঋণমুক্ত’ কোন তৎপুরুষ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: পঞ্চমী তৎপুরুষ।

২০. ‘মধুমাখা’ কোন তৎপুরুষ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৃতীয়া তৎপুরুষ।

প্রধান পদ ও বিশেষ ধরন

২১. অব্যয়ীভাব সমাসে কোন পদ প্রধান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: পূর্বপদ (অব্যয়)।

২২. ‘নাবালক’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: নঞ্ তৎপুরুষ।

২৩. ‘হাতাহাতি’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: ব্যতিহার বহুব্রীহি।

২৪. ‘বীণাপাণি’ কাকে বোঝায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: সরস্বতী (বহুব্রীহি)।

২৫. ‘নিরক্ষর’ কোন বহুব্রীহি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: নঞর্থক বহুব্রীহি।

২৬. ‘প্রভাত’ কোন তৎপুরুষ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: প্রাদি তৎপুরুষ।

২৭. ‘ছেলেধরা’ কোন তৎপুরুষ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপপদ তৎপুরুষ।

২৮. ‘শতাব্দী’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বিগু।

২৯. ‘নিরামিষ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অব্যয়ীভাব।

৩০. ‘আয়-ব্যয়’ কোন দ্বন্দ্ব?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব।

তুলনা ও নির্ণয়

৩১. ‘ত্রিনয়ন’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি (তিন নয়ন যার=শিব)।

৩২. দ্বিগু ও বহুব্রীহির পার্থক্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমাহার→দ্বিগু, ভিন্ন কিছু→বহুব্রীহি।

৩৩. ‘দুধে-ভাতে’ কোন দ্বন্দ্ব?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অলুক দ্বন্দ্ব।

৩৪. কর্মধারয়ে সাধারণত কী মেলে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিশেষণ + বিশেষ্য।

৩৫. তৎপুরুষে পূর্বপদের কী লোপ পায়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিভক্তি।

৩৬. ‘গৃহপ্রবেশ’ কোন তৎপুরুষ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: সপ্তমী তৎপুরুষ।

৩৭. ‘তুষারশুভ্র’ কোন কর্মধারয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপমান কর্মধারয়।

৩৮. বহুব্রীহির চেনার শব্দ কোনটি?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: যার/যাতে/যে।

৩৯. ‘পঞ্চবটী’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বিগু।

৪০. ‘বেহুঁশ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: নঞ্ তৎপুরুষ/অব্যয়ীভাব ধরনের না-বোধক।

অতিরিক্ত অনুশীলন

৪১. সমাস কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: একাধিক পদের একপদীকরণ।

৪২. সমাস কত প্রকার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৬ প্রকার।

৪৩. সমাসের প্রকারগুলো কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু, অব্যয়ীভাব।

৪৪. সমস্যমান পদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমাসে অংশ নেওয়া পদ।

৪৫. সমস্তপদ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ পদ।

৪৬. ব্যাসবাক্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমাসের বিগ্রহবাক্য।

৪৭. দ্বন্দ্ব সমাসে কোন পদ প্রধান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উভয় পদ।

৪৮. ‘মা-বাবা’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব।

৪৯. ‘দোয়াত-কলম’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বন্দ্ব।

৫০. কর্মধারয়ে কোন পদ প্রধান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: পরপদ।

৫১. ‘নীলপদ্ম’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: কর্মধারয়।

৫২. ‘মহারাজ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: কর্মধারয়।

৫৩. তৎপুরুষে কোন পদ প্রধান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: পরপদ।

৫৪. ‘বিদ্যালয়’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ।

৫৫. ‘ঘোড়দৌড়’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ।

৫৬. দ্বিগু সমাসে কী থাকে?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: সংখ্যাবাচক পূর্বপদ।

৫৭. ‘সেতার’ (তিন তার) কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বিগু।

৫৮. ‘ত্রিভুজ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বিগু।

৫৯. ‘চৌরাস্তা’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বিগু।

৬০. বহুব্রীহিতে কোন পদ প্রধান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: কোনোটিই নয় (তৃতীয় অর্থ)।

৬১. ‘দশানন’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি।

৬২. ‘নীলকণ্ঠ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি।

৬৩. ‘বীণাপাণি’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি।

৬৪. অব্যয়ীভাবে কোন পদ প্রধান?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: পূর্বপদ (অব্যয়)।

৬৫. ‘উপকূল’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অব্যয়ীভাব।

৬৬. ‘প্রতিদিন’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অব্যয়ীভাব।

৬৭. ‘আজীবন’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অব্যয়ীভাব।

৬৮. ‘বেয়াদব’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অব্যয়ীভাব।

৬৯. কর্মধারয় কত প্রকার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৪ প্রকার।

৭০. তৎপুরুষ কত প্রকার?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৬/৭ প্রকার (বিভক্তি অনুসারে)।

৭১. ‘পকেটমার’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপপদ তৎপুরুষ।

৭২. ‘ছেলেধরা’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপপদ তৎপুরুষ।

৭৩. ‘গায়ে হলুদ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অলুক বহুব্রীহি।

৭৪. ‘হাতেখড়ি’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অলুক বহুব্রীহি।

৭৫. ‘মাথায় পাগড়ি’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: ব্যধিকরণ বহুব্রীহি।

৭৬. নঞ্‌ তৎপুরুষ কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: না-বাচক তৎপুরুষ।

৭৭. ‘অজানা’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: নঞ্‌ তৎপুরুষ।

৭৮. ‘নাবালক’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: নঞ্‌ তৎপুরুষ।

৭৯. উপমান কর্মধারয় উদাহরণ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: তুষারশুভ্র।

৮০. উপমিত কর্মধারয় উদাহরণ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: পুরুষসিংহ।

৮১. রূপক কর্মধারয় উদাহরণ?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: মনমাঝি।

৮২. ‘সিংহপুরুষ’ কোন কর্মধারয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপমান।

৮৩. ‘বজ্রকঠোর’ কোন কর্মধারয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপমান।

৮৪. ‘ক্রোধানল’ কোন কর্মধারয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: রূপক।

৮৫. ‘পদ্মআঁখি’ কোন কর্মধারয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপমিত।

৮৬. দ্বন্দ্ব সমাসে সংযোজক কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: ও, এবং, আর।

৮৭. ‘ভাইবোন’ ব্যাসবাক্য কী?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: ভাই ও বোন।

৮৮. ‘রাজপথ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ (রাজার পথ)।

৮৯. ‘হাসিমুখ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: কর্মধারয়।

৯০. ‘চাঁদমুখ’ কোন কর্মধারয়?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপমিত।

৯১. ‘গৃহপ্রবেশ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ।

৯২. ‘দেশসেবা’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ।

৯৩. ‘মৌমাছি’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: কর্মধারয়।

৯৪. ‘জলযান’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ।

৯৫. ‘ত্রিফলা’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বিগু।

৯৬. ‘পঞ্চবটী’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বিগু।

৯৭. ‘নবরত্ন’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: দ্বিগু।

৯৮. ‘সহোদর’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি।

৯৯. ‘চতুর্ভুজ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: বহুব্রীহি/দ্বিগু।

১০০. ‘আমরণ’ কোন সমাস?

উত্তর ও ব্যাখ্যা: অব্যয়ীভাব।