শব্দ
এক বা একাধিক বর্ণ বা ধ্বনি মিলিত হয়ে যদি কোনো নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে শব্দ বলে। যেমন—‘বই’, ‘নদী’, ‘ভালোবাসা’ প্রতিটিই এক-একটি শব্দ। ভাষার মূল উপাদানই শব্দ; শব্দ ছাড়া বাক্য গঠন সম্ভব নয়।
বাংলা শব্দভাণ্ডারকে তিনটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়—উৎস অনুসারে (শব্দ কোথা থেকে এসেছে), গঠন অনুসারে (শব্দ কীভাবে গঠিত) এবং অর্থ অনুসারে (শব্দের অর্থ কীভাবে নির্ধারিত)। বিসিএসে তিন ধরনের শ্রেণিবিভাগ থেকেই প্রশ্ন আসে।
বিসিএসে শব্দ অধ্যায়ের গুরুত্ব
‘অমুক শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে’, ‘কোন শব্দটি তৎসম/তদ্ভব/দেশি’, ‘যৌগিক না যোগরূঢ়’—এই ধরনের প্রশ্ন প্রায় প্রতি পরীক্ষায়ই থাকে। বিশেষত বিদেশি শব্দের উৎস (আরবি/ফারসি/পর্তুগিজ/তুর্কি) এবং অর্থ অনুসারে শ্রেণি থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন হয়।
তিন ধরনের শ্রেণিবিভাগ এক নজরে
| ভিত্তি | প্রকার |
|---|---|
| উৎস অনুসারে | তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি (৫) |
| গঠন অনুসারে | মৌলিক, সাধিত (২) |
| অর্থ অনুসারে | যৌগিক, রূঢ়ি/রূঢ়, যোগরূঢ় (৩) |
উৎস অনুসারে পাঁচ শ্রেণির শব্দ
শব্দ কোন ভাষা বা উৎস থেকে বাংলায় এসেছে, তার ভিত্তিতে উৎসগত শ্রেণিবিভাগ। বাংলা শব্দভাণ্ডারে তদ্ভব শব্দই সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি; এদের ‘খাঁটি বাংলা শব্দ’ও বলা হয়।
| প্রকার | পরিচয় | উদাহরণ |
|---|---|---|
| তৎসম | সংস্কৃত থেকে অবিকৃতভাবে আগত | চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, মস্তক, হস্ত, বৃক্ষ, পুষ্প |
| অর্ধতৎসম | সংস্কৃত থেকে কিছুটা বিকৃত | জ্যোছনা (জ্যোৎস্না), কেষ্ট (কৃষ্ণ), গিন্নি (গৃহিণী) |
| তদ্ভব | সংস্কৃত→প্রাকৃত হয়ে বিবর্তিত (খাঁটি বাংলা) | হাত (হস্ত), চাঁদ (চন্দ্র), মাথা (মস্তক), কান (কর্ণ) |
| দেশি | আদিম অধিবাসীদের (অস্ট্রিক/দ্রাবিড়) ভাষা থেকে | কুড়ি, পেট, ঢেঁকি, চুলা, কুলা, ডাব, ঝিঙে |
| বিদেশি | অন্য ভাষা থেকে গৃহীত | চেয়ার, কলম, চাকু, রিকশা, দোকান |
তৎসম, তদ্ভব ও অর্ধতৎসম আলাদা করুন
- তৎসম = ‘তার সমান’; সংস্কৃতের মতো হুবহু অবিকৃত (হস্ত, চন্দ্র);
- তদ্ভব = ‘তা থেকে উদ্ভব’; সংস্কৃত→প্রাকৃত হয়ে রূপ বদলে খাঁটি বাংলা (হাত, চাঁদ);
- অর্ধতৎসম = সংস্কৃতের সামান্য বিকৃত রূপ (জ্যোছনা, গিন্নি);
- বাংলায় তদ্ভব শব্দই সর্বাধিক।
সংস্কৃত (তৎসম) → বাংলা (তদ্ভব) কিছু জোড়া
- হস্ত → হাত; চন্দ্র → চাঁদ; কর্ণ → কান; মস্তক → মাথা;
- চর্মকার → চামার; গোধূম → গম; ঘোটক → ঘোড়া; মক্ষিকা → মাছি;
- শৃগাল → শিয়াল; দুগ্ধ → দুধ; গৃহ → ঘর; কুম্ভকার → কুমোর;
- বধূ → বউ; ক্ষীর → খির; সূত্র → সুতা; অন্ধকার → আঁধার।
বিদেশি শব্দ
বিভিন্ন সময়ে বাণিজ্য, শাসন, ধর্ম ও সংস্কৃতির সংস্পর্শে বহু বিদেশি শব্দ বাংলায় ঢুকেছে। কোন শব্দ কোন ভাষা থেকে এসেছে—বিসিএসে এটি অত্যন্ত বহুল-জিজ্ঞাসিত। বিশেষত আরবি, ফারসি ও পর্তুগিজ শব্দ থেকে বেশি প্রশ্ন হয়।
| ভাষা | উদাহরণ |
|---|---|
| আরবি | আল্লাহ, ইসলাম, ঈমান, কুরআন, কিতাব, কলম, হজ, যাকাত, হালাল, আদালত, উকিল, তারিখ |
| ফারসি | চশমা, দোকান, দরজা, জানালা, বাগান, রাস্তা, নমাজ, রোজা, ফেরেশতা, বেহেশত, দরবার, বাদশাহ, কারখানা |
| ইংরেজি | স্কুল, কলেজ, টেবিল, চেয়ার, পেন্সিল, অফিস, ব্যাংক, ডাক্তার, রেল, বাস |
| পর্তুগিজ | আলমারি, চাবি, বালতি, আনারস, পেঁপে, পেয়ারা, গির্জা, পাদ্রি, বোতাম, সাবান, তোয়ালে, ইস্পাত |
| তুর্কি | চাকু, চাকর, কুলি, বাবা, বেগম, বিবি, তোপ, দারোগা, উর্দি, বন্দুক |
| ফরাসি | কার্তুজ, রেস্তোরাঁ, ডিপো, কুপন |
| ওলন্দাজ | ইস্কাপন, রুইতন, তুরুপ, হরতন (তাসের নাম) |
| হিন্দি | চাহিদা, খানা, ওয়ালা, কাহিনি, ফালতু, বাচ্চা |
| চীনা / জাপানি | চা, চিনি, লিচু / রিকশা, হারিকিরি |
| গুজরাটি / বর্মি | হরতাল, খদ্দর / লুঙ্গি, ফুঙ্গি |
বহুল-জিজ্ঞাসিত উৎস মনে রাখুন
- নমাজ, রোজা, দোকান, বাগান, চশমা, দরবার—ফারসি;
- আল্লাহ, কলম, কিতাব, হজ, যাকাত, আদালত—আরবি;
- আলমারি, চাবি, আনারস, পেঁপে, বালতি, গির্জা, সাবান—পর্তুগিজ;
- চাকু, চাকর, কুলি, বেগম, দারোগা—তুর্কি;
- মিশ্র শব্দ: হেডপণ্ডিত (ইংরেজি+সংস্কৃত), খ্রিষ্টাব্দ, ডাকঘর।
আরও কিছু বিদেশি শব্দ চিনুন
- আরবি: ঈমান, ওজু, এলেম, গায়েব, ওকালতি, মোক্তার, আদালত, তারিখ, দুনিয়া, কিসমত;
- ফারসি: দরজা, ফেরেশতা, বেহেশত, দোজখ, খোদা, পয়গম্বর, বন্দর, দস্তখত, হাঙ্গামা, চাদর;
- পর্তুগিজ: পেয়ারা, আতা, বোতাম, সাবান, বেহালা, ইস্পাত, কামিজ, তোয়ালে, বালতি, পাউরুটি;
- তুর্কি: তোপ, উর্দি, বন্দুক, কাঁচি, কোর্মা, চকমক, বিবি, লাশ;
- ইংরেজি: অফিস, ব্যাংক, ডাক্তার, নার্স, রেল, বাস, পুলিশ, হাসপাতাল;
- মিশ্র শব্দ: হেডপণ্ডিত (ইংরেজি+সংস্কৃত), খ্রিষ্টাব্দ, ডাকঘর, রাজা-বাদশাহ, হাটবাজার।
গঠন অনুসারে শব্দ
গঠন বা কাঠামোর ভিত্তিতে শব্দ দুই প্রকার—মৌলিক ও সাধিত। যে শব্দকে ভেঙে আলাদা অর্থপূর্ণ অংশে ভাগ করা যায় না, তা মৌলিক; আর যা উপসর্গ, প্রত্যয় বা সমাসযোগে গঠিত, তা সাধিত।
| প্রকার | পরিচয় | উদাহরণ |
|---|---|---|
| মৌলিক শব্দ | ভাঙা যায় না, স্বয়ংসম্পূর্ণ | হাত, নাক, মুখ, গোলাপ, বই, লাল |
| সাধিত শব্দ | উপসর্গ/প্রত্যয়/সমাসযোগে গঠিত | হাতল (হাত+ল), চলন্ত (√চল্+অন্ত), বইমেলা (সমাস), প্রভাত (উপসর্গ) |
সাধিত শব্দ যেভাবে গঠিত হয়
- প্রত্যয়যোগে: চল্ + অন্ত = চলন্ত;
- উপসর্গযোগে: প্র + ভাত = প্রভাত;
- সমাসযোগে: বই + মেলা = বইমেলা;
- সন্ধিযোগে: হিম + আলয় = হিমালয়।
অর্থ অনুসারে শব্দ
অর্থ কীভাবে নির্ধারিত হয়, তার ভিত্তিতে শব্দ তিন প্রকার—যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ়। এই তিনটি আলাদা করা বিসিএসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
| প্রকার | পরিচয় | উদাহরণ |
|---|---|---|
| যৌগিক শব্দ | প্রকৃতি-প্রত্যয়ের অর্থ অনুযায়ীই অর্থ | গায়ক (গান করে যে); দৌহিত্র (কন্যার পুত্র); কর্তব্য |
| রূঢ়ি/রূঢ় শব্দ | উপাদানের অর্থ না বুঝিয়ে বিশেষ অর্থ | হস্তী (=হাতি); তৈল (=যেকোনো তেল); সন্দেশ (=মিষ্টি); বাঁশি |
| যোগরূঢ় শব্দ | সমাসবদ্ধ, কিন্তু ব্যুৎপত্তির একটি বিশেষ অর্থে সীমিত | পঙ্কজ (পাঁকে জন্মে→শুধু পদ্ম); জলধি (=সমুদ্র); মহাযাত্রা (=মৃত্যু) |
যৌগিক বনাম যোগরূঢ়—মূল পার্থক্য
যৌগিক শব্দের অর্থ উপাদান থেকেই সরাসরি পাওয়া যায় (গায়ক = গান করে যে)। কিন্তু যোগরূঢ় শব্দে উপাদানের অর্থ থাকলেও তা একটিমাত্র বিশেষ অর্থে আটকে যায় (পঙ্কজ = পাঁকে জন্মে অনেক কিছুই, কিন্তু বোঝায় শুধু ‘পদ্ম’)। আর রূঢ়ি শব্দে উপাদানের অর্থই হারিয়ে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন অর্থ দাঁড়ায় (হস্তী = হাত আছে যার নয়, বোঝায় হাতি)।
অর্থ অনুসারে আরও উদাহরণ
- যৌগিক: গায়ক, নায়ক, দৌহিত্র, বাবুয়ানা, মধুরতা, কর্তব্য, পাঠক, চলন;
- রূঢ়ি: হস্তী (হাতি), তৈল (তেল), সন্দেশ (মিষ্টি), প্রবীণ (অভিজ্ঞ), হরিণ, বাঁশি, গবেষণা;
- যোগরূঢ়: পঙ্কজ (পদ্ম), জলধি (সমুদ্র), জলদ (মেঘ), মহাযাত্রা (মৃত্যু), রাজপুত, পীতাম্বর (কৃষ্ণ), লম্বোদর (গণেশ)।
ধাপে ধাপে শ্রেণি নির্ণয়
অর্থ অনুসারে শব্দ শ্রেণি নির্ণয়ের নিশ্চিত উপায়—শব্দের ব্যুৎপত্তিগত (উপাদানগত) অর্থ ও প্রকৃত ব্যবহারিক অর্থ মিলিয়ে দেখা। নিচে কয়েকটি উদাহরণ ধাপে ধাপে দেখানো হলো।
‘গায়ক’ শব্দটি কোন শ্রেণির?
- উপাদান: √গৈ (গান) + অক = ‘গান করে যে’।
- প্রকৃত অর্থও ‘গান করে যে’—উপাদানের অর্থের সঙ্গে মেলে।
- উপাদান থেকেই অর্থ আসছে, তাই এটি যৌগিক শব্দ।
‘পঙ্কজ’ শব্দটি কোন শ্রেণির?
- উপাদান: পঙ্ক (পাঁক) + জ (জন্মে) = ‘পাঁকে জন্মে যা’।
- পাঁকে জন্মায় অনেক কিছু, কিন্তু শব্দটি শুধু ‘পদ্ম’ বোঝায়।
- উপাদানের অর্থ থাকলেও একটিমাত্র বিশেষ অর্থে সীমিত—তাই যোগরূঢ় শব্দ।
‘হস্তী’ শব্দটি কোন শ্রেণির?
- উপাদান: হস্ত (হাত) + ইন = ‘হাত আছে যার’।
- কিন্তু শব্দটি বোঝায় ‘হাতি’ (শুঁড়যুক্ত প্রাণী)—উপাদানের অর্থ হারিয়ে গেছে।
- উপাদানের অর্থ না বুঝিয়ে বিশেষ অর্থ, তাই রূঢ়ি শব্দ।
‘জলধি’ শব্দটি কোন শ্রেণির?
- উপাদান: জল + ধি (ধারণ করে) = ‘জল ধারণ করে যা’।
- জল ধারণ করে অনেক কিছু (কলস, পুকুর), কিন্তু শব্দটি বোঝায় শুধু ‘সমুদ্র’।
- বিশেষ অর্থে সীমিত—তাই যোগরূঢ় শব্দ।
‘সন্দেশ’ শব্দটি কোন শ্রেণির?
- ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ছিল ‘সংবাদ/খবর’।
- কিন্তু বর্তমানে শব্দটি বোঝায় ‘এক ধরনের মিষ্টি’।
- উপাদানের অর্থ হারিয়ে নতুন অর্থ—তাই রূঢ়ি শব্দ।
যৌগিক-রূঢ়ি-যোগরূঢ়: সাধারণ ভুল
এই তিন শ্রেণি আলাদা করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুল হয়। মূল প্রশ্ন—শব্দের প্রকৃত অর্থ কি উপাদান থেকেই আসছে, নাকি উপাদানের অর্থ বদলে/সীমিত হয়ে গেছে।
| শ্রেণি | উপাদানের অর্থ | উদাহরণ |
|---|---|---|
| যৌগিক | পুরোপুরি অক্ষুণ্ণ (উপাদান = অর্থ) | গায়ক, দৌহিত্র, বাবুয়ানা |
| রূঢ়ি | হারিয়ে গেছে (নতুন অর্থ) | হস্তী, তৈল, সন্দেশ, প্রবীণ |
| যোগরূঢ় | আছে, কিন্তু একটি বিশেষ অর্থে সীমিত | পঙ্কজ, জলধি, মহাযাত্রা, রাজপুত |
এক লাইনে মনে রাখুন
- উপাদান = অর্থ → যৌগিক;
- উপাদানের অর্থ হারিয়ে নতুন অর্থ → রূঢ়ি;
- উপাদানের অর্থ আছে, তবে একটিমাত্র বিশেষ জিনিসে সীমিত → যোগরূঢ়।
বহুল-জিজ্ঞাসিত শব্দের তালিকা
রিভিশনের জন্য নিচের তালিকাটি কার্যকর। পরীক্ষার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নিলে শব্দের উৎস ও শ্রেণি দ্রুত মিলিয়ে নেওয়া যায়।
| শব্দ | উৎস / শ্রেণি |
|---|---|
| চন্দ্র, হস্ত, পুষ্প | তৎসম |
| হাত, চাঁদ, মাথা | তদ্ভব |
| জ্যোছনা, গিন্নি | অর্ধতৎসম |
| কুড়ি, ঢেঁকি, চুলা | দেশি |
| দোকান, বাগান, চশমা | ফারসি |
| কলম, কিতাব, হজ | আরবি |
| আলমারি, চাবি, আনারস | পর্তুগিজ |
| চাকু, বেগম, দারোগা | তুর্কি |
| চা, চিনি, লিচু | চীনা |
| হরতাল, খদ্দর | গুজরাটি |
| গায়ক, দৌহিত্র | যৌগিক |
| হস্তী, তৈল, সন্দেশ | রূঢ়ি |
| পঙ্কজ, জলধি, মহাযাত্রা | যোগরূঢ় |
| হাত, নাক, গোলাপ | মৌলিক |
| দুগ্ধ, গৃহ, ক্ষীর | তৎসম |
| শিয়াল, ঘোড়া, মাছি | তদ্ভব |
| দরজা, বন্দর, চাদর | ফারসি |
| আদালত, তারিখ, দুনিয়া | আরবি |
| সাবান, তোয়ালে, বোতাম | পর্তুগিজ |
| সন্দেশ, প্রবীণ, বাঁশি | রূঢ়ি |
| জলধি, জলদ, লম্বোদর | যোগরূঢ় |
| দৌহিত্র, নায়ক, পাঠক | যৌগিক |
| হাতল, চলন্ত, বইমেলা | সাধিত |
দ্রুত-তথ্য ও পরিভাষা
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| উৎস অনুসারে শব্দ | ৫ প্রকার |
| গঠন অনুসারে শব্দ | ২ প্রকার |
| অর্থ অনুসারে শব্দ | ৩ প্রকার |
| সর্বাধিক শব্দ | তদ্ভব |
| তৎসম | সংস্কৃত থেকে অবিকৃত |
| দেশি | আদিম অধিবাসীর ভাষা |
| যৌগিক | উপাদান = অর্থ |
| যোগরূঢ় | বিশেষ অর্থে সীমিত (পঙ্কজ=পদ্ম) |
পরিভাষা (Glossary)
- তৎসম: সংস্কৃত থেকে অবিকৃত শব্দ;
- তদ্ভব: সংস্কৃত থেকে বিবর্তিত খাঁটি বাংলা শব্দ;
- অর্ধতৎসম: সংস্কৃতের সামান্য বিকৃত রূপ;
- দেশি: আদিম অধিবাসীদের ভাষার শব্দ;
- মৌলিক শব্দ: অবিভাজ্য শব্দ;
- রূঢ়ি শব্দ: উপাদানের অর্থ ছাড়া বিশেষ অর্থবোধক শব্দ;
- যোগরূঢ়: একটি বিশেষ অর্থে সীমিত সমাসবদ্ধ শব্দ।
বিগত বিসিএসে আসা প্রশ্ন (সমাধানসহ)
বাংলা ভাষায় কোন শ্রেণির শব্দ সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি?
(ক) তৎসম (খ) তদ্ভব (গ) দেশি (ঘ) বিদেশি
উত্তর: (খ) তদ্ভব
ব্যাখ্যা: বাংলা শব্দভাণ্ডারে তদ্ভব (খাঁটি বাংলা) শব্দই সর্বাধিক।
‘চন্দ্র’ কোন শ্রেণির শব্দ?
(ক) তদ্ভব (খ) তৎসম (গ) দেশি (ঘ) অর্ধতৎসম
উত্তর: (খ) তৎসম
ব্যাখ্যা: সংস্কৃত থেকে অবিকৃতভাবে আগত বলে ‘চন্দ্র’ তৎসম শব্দ।
‘পঙ্কজ’ কোন ধরনের শব্দ?
(ক) যৌগিক (খ) রূঢ়ি (গ) যোগরূঢ় (ঘ) মৌলিক
উত্তর: (গ) যোগরূঢ়
ব্যাখ্যা: পাঁকে জন্মে অনেক কিছু হলেও ‘পঙ্কজ’ শুধু পদ্ম বোঝায়—যোগরূঢ়।
‘আলমারি’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
(ক) ফারসি (খ) আরবি (গ) পর্তুগিজ (ঘ) তুর্কি
উত্তর: (গ) পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা: ‘আলমারি’, ‘চাবি’, ‘আনারস’ পর্তুগিজ শব্দ।
‘দোকান’ শব্দটি কোন ভাষার?
(ক) আরবি (খ) ফারসি (গ) তুর্কি (ঘ) হিন্দি
উত্তর: (খ) ফারসি
ব্যাখ্যা: ‘দোকান’, ‘বাগান’, ‘চশমা’ ফারসি শব্দ।
‘চাকু’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
(ক) তুর্কি (খ) ফারসি (গ) পর্তুগিজ (ঘ) আরবি
উত্তর: (ক) তুর্কি
ব্যাখ্যা: ‘চাকু’, ‘চাকর’, ‘বেগম’ তুর্কি শব্দ।
‘হস্তী’ কোন ধরনের শব্দ?
(ক) যৌগিক (খ) রূঢ়ি (গ) যোগরূঢ় (ঘ) মৌলিক
উত্তর: (খ) রূঢ়ি
ব্যাখ্যা: ‘হাত আছে যার’ ব্যুৎপত্তি হলেও শব্দটি ‘হাতি’ বোঝায়—রূঢ়ি।
‘গায়ক’ কোন ধরনের শব্দ?
(ক) যৌগিক (খ) রূঢ়ি (গ) যোগরূঢ় (ঘ) মৌলিক
উত্তর: (ক) যৌগিক
ব্যাখ্যা: ‘গান করে যে’—উপাদানের অর্থ থেকেই অর্থ আসছে, তাই যৌগিক।
‘কুড়ি’ শব্দটি কোন শ্রেণির?
(ক) তৎসম (খ) তদ্ভব (গ) দেশি (ঘ) বিদেশি
উত্তর: (গ) দেশি
ব্যাখ্যা: ‘কুড়ি’, ‘ঢেঁকি’, ‘চুলা’ দেশি শব্দ (আদিম অধিবাসীর ভাষা)।
‘গিন্নি’ কোন শ্রেণির শব্দ?
(ক) তৎসম (খ) অর্ধতৎসম (গ) তদ্ভব (ঘ) দেশি
উত্তর: (খ) অর্ধতৎসম
ব্যাখ্যা: ‘গৃহিণী’ থেকে সামান্য বিকৃত রূপ ‘গিন্নি’—অর্ধতৎসম।
উৎস অনুসারে
১. অর্থবোধক ধ্বনি/বর্ণসমষ্টিকে কী বলে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: শব্দ।
২. উৎস অনুসারে শব্দ কত প্রকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৫ প্রকার।
৩. বাংলায় কোন শব্দ সর্বাধিক?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তদ্ভব।
৪. ‘হস্ত’ কোন শ্রেণির শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎসম।
৫. ‘হাত’ কোন শ্রেণির শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তদ্ভব।
৬. ‘কুড়ি, ঢেঁকি’ কোন শ্রেণির?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দেশি।
৭. ‘জ্যোছনা’ কোন শ্রেণির শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অর্ধতৎসম।
৮. ‘গিন্নি’ কোন শ্রেণির শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অর্ধতৎসম।
৯. তৎসম শব্দের অর্থ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সংস্কৃতের মতো অবিকৃত।
১০. ‘চাঁদ, মাথা’ কোন শ্রেণির?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তদ্ভব।
বিদেশি শব্দ
১১. ‘কলম, কিতাব’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আরবি।
১২. ‘বাগান, চশমা’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ফারসি।
১৩. ‘চাবি, বালতি’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: পর্তুগিজ।
১৪. ‘বেগম, কুলি’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তুর্কি।
১৫. ‘আনারস, পেঁপে’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: পর্তুগিজ।
১৬. ‘রোজা, নমাজ’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ফারসি।
১৭. ‘হজ, যাকাত’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আরবি।
১৮. ‘চা, চিনি’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: চীনা।
১৯. ‘হরতাল’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: গুজরাটি।
২০. ‘হেডপণ্ডিত’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মিশ্র শব্দ (ইংরেজি+সংস্কৃত)।
গঠন ও অর্থ অনুসারে
২১. গঠন অনুসারে শব্দ কত প্রকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ২—মৌলিক ও সাধিত।
২২. ‘হাতল’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সাধিত।
২৩. ‘গোলাপ’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মৌলিক।
২৪. অর্থ অনুসারে শব্দ কত প্রকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৩ প্রকার।
২৫. ‘গায়ক’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: যৌগিক।
২৬. ‘পঙ্কজ’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: যোগরূঢ়।
২৭. ‘হস্তী’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: রূঢ়ি।
২৮. ‘জলধি’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: যোগরূঢ় (=সমুদ্র)।
২৯. ‘তৈল’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: রূঢ়ি।
৩০. ‘দৌহিত্র’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: যৌগিক (কন্যার পুত্র)।
শ্রেণি নির্ণয়
৩১. যৌগিক শব্দের অর্থ কোথা থেকে আসে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপাদান থেকেই।
৩২. রূঢ়ি শব্দে উপাদানের অর্থ কী হয়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: হারিয়ে যায়।
৩৩. যোগরূঢ় শব্দে অর্থ কেমন?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিশেষ অর্থে সীমিত।
৩৪. ‘পঙ্কজ’ কী বোঝায়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: পদ্ম।
৩৫. ‘মহাযাত্রা’ যোগরূঢ় অর্থে কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মৃত্যু।
৩৬. ‘বাঁশি’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: রূঢ়ি।
৩৭. ‘বইমেলা’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সাধিত (সমাসজাত)।
৩৮. ‘সন্দেশ’ (মিষ্টি) কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: রূঢ়ি।
৩৯. ‘রাজপুত’ কোন ধরনের শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: যোগরূঢ়।
৪০. সাধিত শব্দ কী দিয়ে গঠিত হয়?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপসর্গ/প্রত্যয়/সমাস।
অতিরিক্ত অনুশীলন
৪১. শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অর্থপূর্ণ ধ্বনির সমষ্টি।
৪২. উৎস অনুসারে শব্দ কত প্রকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৫ প্রকার।
৪৩. উৎসগত প্রকারগুলো কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি।
৪৪. তৎসম শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সংস্কৃত থেকে অবিকৃত।
৪৫. ‘চন্দ্র, সূর্য’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎসম।
৪৬. অর্ধতৎসম শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সংস্কৃত থেকে কিছুটা বিকৃত।
৪৭. ‘জ্যোছনা, গিন্নি’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অর্ধতৎসম।
৪৮. তদ্ভব শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সংস্কৃত→প্রাকৃত হয়ে আসা।
৪৯. ‘হাত, চাঁদ’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তদ্ভব।
৫০. দেশি শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আদিম অধিবাসীদের শব্দ।
৫১. ‘কুড়ি, ঢেঁকি’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দেশি।
৫২. বিদেশি শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অন্য ভাষা থেকে আগত।
৫৩. ‘চেয়ার, টেবিল’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিদেশি (ইংরেজি)।
৫৪. ‘কলম, দোয়াত’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিদেশি (আরবি)।
৫৫. ‘চশমা, বাগান’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিদেশি (ফারসি)।
৫৬. গঠন অনুসারে শব্দ কত প্রকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ২ (মৌলিক, সাধিত)।
৫৭. মৌলিক শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ভাঙা যায় না।
৫৮. ‘নাক, গোলাপ’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মৌলিক।
৫৯. সাধিত শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: প্রত্যয়/সমাস/উপসর্গযোগে গঠিত।
৬০. ‘হাতল, চলন্ত’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সাধিত।
৬১. অর্থ অনুসারে শব্দ কত প্রকার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ৩ (যৌগিক, রূঢ়, যোগরূঢ়)।
৬২. যৌগিক শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: প্রকৃতি-প্রত্যয়ের অর্থ বহন।
৬৩. ‘গায়ক’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: যৌগিক।
৬৪. রূঢ়/রূঢ়ি শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: উপাদান-নিরপেক্ষ নতুন অর্থ।
৬৫. ‘হস্তী’ (হাত আছে যার) কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: রূঢ়।
৬৬. ‘বাঁশি’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: রূঢ়।
৬৭. যোগরূঢ় শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমাসবদ্ধ, বিশেষ অর্থে।
৬৮. ‘পঙ্কজ’ (কাদায় জন্মে) কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: যোগরূঢ়।
৬৯. ‘জলধি’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: যোগরূঢ়।
৭০. ‘মহাযাত্রা’ (মৃত্যু) কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: যোগরূঢ়।
৭১. ‘পানি’ কোন শ্রেণির শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তদ্ভব।
৭২. ‘আম’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তদ্ভব।
৭৩. ‘নর’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎসম।
৭৪. ‘কেষ্ট’ (কৃষ্ণ) কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অর্ধতৎসম।
৭৫. ‘রেডিও’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিদেশি।
৭৬. মিশ্র শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: দুই ভাষার মিলিত শব্দ।
৭৭. ‘হেডপণ্ডিত’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মিশ্র।
৭৮. ‘রেলগাড়ি’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মিশ্র।
৭৯. ‘খbusi/খুশ+হাল’ ধরনের শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মিশ্র।
৮০. বাংলায় সর্বাধিক বিদেশি শব্দ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আরবি-ফারসি।
৮১. ‘টেবিল, কলেজ’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ইংরেজি।
৮২. ‘আলমারি, চাবি’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: পর্তুগিজ।
৮৩. ‘চা, লিচু’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: চীনা।
৮৪. ‘হরতাল, রিকশা’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: গুজরাটি/জাপানি।
৮৫. ‘হালাল, হারাম’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: আরবি।
৮৬. ‘জানালা, বালতি’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: পর্তুগিজ।
৮৭. ‘দরবার, নমুনা’ কোন ভাষার?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: ফারসি।
৮৮. প্রতিশব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: সমার্থক শব্দ।
৮৯. ‘সূর্য’-এর প্রতিশব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: রবি, ভানু।
৯০. পারিভাষিক শব্দ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিশেষ পরিভাষা।
৯১. ‘আগুন’-এর তৎসম রূপ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: অগ্নি।
৯২. ‘জোছনা’-এর তৎসম রূপ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: জ্যোৎস্না।
৯৩. ‘কান’-এর তৎসম রূপ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: কর্ণ।
৯৪. ‘গা’-এর তৎসম রূপ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: গাত্র।
৯৫. ‘মা’-এর তৎসম রূপ কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: মাতা।
৯৬. শব্দ ও পদের পার্থক্য কী?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিভক্তিহীন/বিভক্তিযুক্ত।
৯৭. ‘গিন্নি’ কোন শব্দ থেকে?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: গৃহিণী।
৯৮. ‘কুমার’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তৎসম।
৯৯. ‘ছেলে’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: তদ্ভব।
১০০. ‘বই’ কোন শব্দ?
উত্তর ও ব্যাখ্যা: বিদেশি (আরবি ‘বহি’)।