২০১৩ সালের বার কাউন্সিল প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন সমাধান ও ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেটশিপ এনরোলমেন্ট প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ) ২০১৩ পরীক্ষায় (পূর্ণমান ১০০) মোট ১০০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ছিল। এখানে প্রশ্নগুলো বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজিয়ে প্রতিটির সঠিক উত্তর ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেওয়া হলো।
বিষয়ভিত্তিক গাইড (১১টি বই)
প্রশ্ন ব্যাংক (৬টি বই)
আইন (প্রশ্ন ১–১০০)
১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন দায়েরযোগ্য মামলার তামাদির মেয়াদ হবে বেদখলের তারিখ হতে
(ক) ৬ বছর (খ) ৬ মাস (গ) ৬ সপ্তাহ (ঘ) ৬ দিন
উত্তর: (খ) ৬ মাস
ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার অধীন দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখলের তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে দায়ের করতে হয়।
২. লিমিটেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮ এর ধারা ১৪ প্রযোজ্য হবে না-
(ক) আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হইতে ১৮ ধারা এবং ২২ ধারার নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের তফসিলে নির্ধারিত মামলায় (খ) আপিল (গ) রিভিশন (ঘ) স্বত্ব ঘোষণা
উত্তর: (ঘ) স্বত্ব ঘোষণা
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ১৪ ধারা সদ্বিশ্বাসে ভুল আদালতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। স্বত্ব ঘোষণার মামলায় এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
৩. কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার মামলা দায়ের করার পরে চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন (Specific Performance) এর দাবিতেও মামলা দায়ের করতে পারে কিনা এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের ক্ষেত্রে-
(ক) এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হইতে ১৮ ধারা এবং ২২ ধারা (খ) রিভিশন (গ) রিভিউ (ঘ) আপিল
উত্তর: (ক) এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হইতে ১৮ ধারা এবং ২২ ধারা
ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ও তামাদি আইন অনুসারে এই ধারাগুলো বিভিন্ন প্রকার মামলার তামাদি মেয়াদ নির্ধারণ করে।
৪. X নিজেকে মৃত Y হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে। X এর কৃত অপরাধ হলো-
(ক) ক্ষতি (খ) প্রতারণা (গ) ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা (ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর: (ঘ) ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারায় ছদ্মবেশে প্রতারণা (Cheating by personation) এর বিধান আছে। কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির রূপ ধারণ করে প্রতারণা করলে তা এই অপরাধ।
৫. X নিজেকে মৃত Y হিসেবে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে। X এর কি অপরাধ হলো-
(ক) ক্ষতি (খ) প্রতারণা (গ) ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা (ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর: (ঘ) ছদ্মবেশে প্রবঞ্চনা
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা অনুসারে X নিজেকে Y হিসেবে পরিচয় দিয়ে ছদ্মবেশে প্রতারণা (Cheating by personation) করেছে।
৬. প্রতিটি দস্যুতায় রয়েছে-
(ক) চুরি এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায় (খ) মামলা খারিজ (গ) আসামী খালাস (ঘ) আসামী ডিসচার্জ
উত্তর: (ক) চুরি এবং জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায়
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুসারে দস্যুতা (Robbery) হলো চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের একটি গুরুতর রূপ।
৭. ডাকাতির সাথে খুনের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কি?
(ক) মৃত্যুদণ্ড (খ) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (গ) ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড (ঘ) কোন অপরাধ হয় নাই
উত্তর: (ক) মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা অনুসারে ডাকাতির সাথে খুন সংঘটিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
৮. A, Z এর দখলে থাকা একটি সম্পত্তি তার (Z) এর কৃত অপরাধ হলো-
(ক) চুরি (খ) অর্থ আত্মসাৎ (গ) জোরপূর্বক সম্পত্তি আদায় (ঘ) কোন অপরাধ হয় নাই
উত্তর: (ঘ) কোন অপরাধ হয় নাই
ব্যাখ্যা: কোনো ব্যক্তি নিজের বিশ্বাসযোগ্য অধিকারে সম্পত্তি গ্রহণ করলে চুরি হয় না।
৯. পেনাল কোডের কোন ধারায় অনুমোদিত সাজা নয়?
(ক) কারাদণ্ড (খ) সম্পত্তি বাজেয়াপ্তকরণ (গ) বেত্রাঘাত (ঘ) জরিমানা
উত্তর: (গ) বেত্রাঘাত
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় অনুমোদিত শাস্তির মধ্যে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, কারাদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তি ও জরিমানা আছে। বেত্রাঘাত অনুমোদিত নয়।
১০. যদি কোন আসামী চার্জ গঠনকালে স্বীকার করেছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন আসামীর-
(ক) অব্যাহতির (খ) মুক্তির (গ) সাজার (ঘ) সাজার
উত্তর: (ঘ) সাজার
ব্যাখ্যা: চার্জ গঠনের সময় আসামী অপরাধ স্বীকার করলে ম্যাজিস্ট্রেট সাজা প্রদান করতে পারেন।
১১. চুরি অপরাধ নিম্নের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
(ক) জমির সাথে (খ) দভায়মান গাছের সাথে (গ) স্বর্ণালংকারের সাথে (ঘ) দালানের সাথে
উত্তর: (গ) স্বর্ণালংকারের সাথে
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুসারে চুরি শুধুমাত্র অস্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত।
১২. বসতঘরে চুরির অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা কি?
(ক) ৫ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা (খ) ৩ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা (গ) ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা (ঘ) ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
উত্তর: (ঘ) ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৮০ ধারা অনুসারে বসতঘরে চুরির সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও জরিমানা।
১৩. ধর্ষণ অপরাধ সংঘটনের উপাদান হলো-
(ক) ৮টি (খ) ৫টি (গ) ৭টি (ঘ) ৩টি
উত্তর: (খ) ৫টি
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণের সংজ্ঞায় ৫টি উপাদান উল্লেখ আছে।
১৪. Y-এর রাজ্ঞায় চলাচলের অধিকার আছে X সে পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করে Y এর চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। X এর কৃত অপরাধ-
(ক) ন্যায় আটক (খ) অন্যায় অর্পণ (গ) অন্যায় বাধা (ঘ) অন্যায় নিয়ন্ত্রণ
উত্তর: (গ) অন্যায় বাধা
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধি অনুসারে কোনো ব্যক্তির চলাচলের পথে বাধা সৃষ্টি করা অন্যায় বাধা (Wrongful restraint) এর অপরাধ।
১৫. পেনাল কোড হলো একটি-
(ক) Adjective law (খ) Substantive law (গ) Preventive law (ঘ) Procedural law
উত্তর: (খ) Substantive law
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধি একটি Substantive law বা মূল আইন যা অপরাধ সংজ্ঞায়িত করে এবং শাস্তি নির্ধারণ করে।
১৬. পেনাল কোডে কত প্রকারের আঘাতকে 'মারাত্মক' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে?
(ক) ৬ প্রকারের (খ) ৮ প্রকারের (গ) ৯ প্রকারের (ঘ) ১০ প্রকারের
উত্তর: (খ) ৮ প্রকারের
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় ৮ প্রকারের গুরুতর আঘাত (Grievous hurt) চিহ্নিত করা হয়েছে।
১৭. X, Z-এর মুখে ঘুষি মারলে তার (Z) একটি দাঁত পরে যায়। X এর কৃত অপরাধ হলো-
(ক) সাধারণ জখম (খ) মারাত্মক জখম (গ) ইচ্ছাকৃত জখম (ঘ) হত্যার প্রচেষ্টা
উত্তর: (খ) মারাত্মক জখম
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩২০ ধারা অনুসারে দাঁত ভেঙ্গে যাওয়া গুরুতর আঘাত (Grievous hurt)।
১৮. পেনাল কোডের ৩৪ ধারার অধীন সাধারণ উদ্দেশ্য সংঘটনের জন্য ন্যূনতম আসামী হতে হবে-
(ক) ৫ জন (খ) ৩ জন (গ) ৭ জন (ঘ) ২ জন
উত্তর: (ঘ) ২ জন
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় অভিন্ন ইচ্ছা (Common intention) প্রয়োগের জন্য ন্যূনতম ২ জন ব্যক্তি প্রয়োজন।
১৯. নিম্নের কোনটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না?
(ক) আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে কৃত কর্ম (খ) অবৈধ সমাবেশ গঠনে কৃত কর্ম (গ) অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করা (ঘ) অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনা করা
উত্তর: (ক) আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে কৃত কর্ম
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৯৬-১০৬ ধারা অনুসারে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে কৃত কাজ অপরাধ নয়।
২০. খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি কি?
(ক) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা (খ) ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা (গ) ১০ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা (ঘ) ৭ বছরের কারাদণ্ড ও জরিমানা
উত্তর: (ক) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা
ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারা অনুযায়ী খুন নহে এমন অপরাধমূলক নরহত্যার (Culpable homicide not amounting to murder) সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।
২১. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষ দায়ের করতে পারে-
(ক) আপিল (খ) রিভিশন (গ) রিভিউ (ঘ) রেফারেন্স
উত্তর: (খ) রিভিশন
ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়।
২২. সরকার কর্তৃক কোন ব্যক্তি তার জমি হতে বেদখল করতে পারে-
(ক) দখল উদ্ধারের (খ) স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের (গ) কেবল স্বত্ব ঘোষণার (ঘ) স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার
উত্তর: (খ) স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের
ব্যাখ্যা: সরকার কর্তৃক বেদখলের ক্ষেত্রে স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের মামলা করতে হয়।
২৩. একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায়, যখন-
(ক) চুক্তির প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য (খ) ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় (গ) ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না (ঘ) চুক্তিটি সম্পাদনের পূর্বেই, চুক্তির বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশের অস্তিত্ব বিলীন হয়
উত্তর: (গ) ইহার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না
ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা অনুসারে যখন চুক্তি ভঙ্গের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয়, তখন সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বাস্তবায়ন করা যায়।
২৪. A একটি জমির বৈধ দখলে আছে। প্রতিবেশী গ্রামবাসী উক্ত সম্পত্তির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার দাবী করে। A মামলা করতে পারে-
(ক) অগ্রক্রয়ের (খ) ক্ষতিপূরণের (গ) ঘোষণার (ঘ) বন্টনের
উত্তর: (গ) ঘোষণার
ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুসারে A তার সম্পত্তির উপর অধিকার ঘোষণার মামলা করতে পারে।
২৫. একটি চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না, যখন-
(ক) চুক্তির প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য (খ) চুক্তিটির প্রকৃত ক্ষতি নিরূপণের কোন মাপকাঠি থাকে না (গ) চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা পর্যাপ্ত প্রতিকার হয় না (ঘ) চুক্তিটির আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যায় না
উত্তর: (ক) চুক্তির প্রকৃতিগতভাবেই প্রত্যাহারযোগ্য
ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারা অনুসারে প্রকৃতিগতভাবে প্রত্যাহারযোগ্য চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা যায় না।
২৬. ১ জুলাই, ২০০৪ তারিখে একটি রেজিস্ট্রিকৃত চুক্তির অনুকূলে সুনির্দিষ্টভাবে চুক্তি বলবতের জন্য মামলা করার ক্ষেত্রে বাদীকে আরজির সাথে জমায়ের প্রয়োজন ছিল-
(ক) চুক্তির অবশিষ্ট মূল্যের ২৫% (খ) চুক্তির অবশিষ্ট মূল্যের ৫০% (গ) অবশিষ্ট চুক্তি মূল্য (ঘ) কোন চুক্তিমূল্য দাখিল অপ্রয়োজনীয়
উত্তর: (ঘ) কোন চুক্তিমূল্য দাখিল অপ্রয়োজনীয়
ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে মামলা দায়েরের সময় চুক্তিমূল্য জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
২৭. দেওয়ানি আদালত কর্তৃক স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি প্রচারের ক্ষমতা-
(ক) বিবেচনামূলক (খ) বাধ্যতামূলক (গ) নির্দেশনামূলক (ঘ) নিরোধমূলক
উত্তর: (ক) বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা: স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদানের ক্ষমতা আদালতের বিবেচনামূলক (Discretionary)।
২৮. দলিল বাতিলের মামলায় বাদীকে উক্ত দলিলের-
(ক) পক্ষ থাকার প্রয়োজন নাই (খ) অবশ্যই পক্ষ থাকতে হবে (গ) একজন সাক্ষী হতে হবে (ঘ) পরের কোনটিই নয়
উত্তর: (ক) পক্ষ থাকার প্রয়োজন নাই
ব্যাখ্যা: দলিল বাতিলের মামলায় বাদী দলিলের পক্ষ না হলেও মামলা করতে পারেন।
২৯. ঘোষণামূলক মামলা কে করতে পারে?
(ক) আইনসম্মত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তি (খ) কোন সম্পত্তিতে অধিকার আছে এমন ব্যক্তি (গ) মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে অধিকারী ব্যক্তি (ঘ) ক এবং খ উভয়
উত্তর: (ঘ) ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুসারে আইনগত অধিকার বা পদমর্যাদার ঘোষণা চাইতে পারেন এমন ব্যক্তি।
৩০. কোন ব্যক্তি স্থাবর সম্পত্তি দখল উদ্ধারের সাথে ক্ষতি ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে পারে যদি সে সম্পত্তিতে-
(ক) প্রতীকী দখল থাকে (খ) দখল না থাকে (গ) একচ্ছত্র দখল থাকে (ঘ) ভাড়ায় আছে
উত্তর: (খ) দখল না থাকে
ব্যাখ্যা: দখল না থাকলে স্বত্ব ঘোষণা ও দখল উদ্ধারের মামলা করতে হয়।
৩১. প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যেতে পারে -
(ক) নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা (খ) ক্রোকাদেশ দ্বারা (গ) ঘোষণামূলক আদেশ দ্বারা (ঘ) নিলাম বিক্রির আদেশ দ্বারা
উত্তর: (ক) নিষেধাজ্ঞাদেশ দ্বারা
ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive relief) নিষেধাজ্ঞা দ্বারা প্রদান করা হয়।
৩২. জেলা জজের আপিল এখতিয়ারবলে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
(ক) আপিল (খ) রেফারেন্স (গ) রিভিশন (ঘ) রিভিউ
উত্তর: (গ) রিভিশন
ব্যাখ্যা: জেলা জজের আপিল এখতিয়ারে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন দায়ের করা যায়।
৩৩. আপিলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালতে দাখিল করা যাবে?
(ক) রিভিশন আদালত (খ) রেফারেন্স আদালত (গ) আপিল আদালত (ঘ) উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
উত্তর: (ঘ) উক্ত ডিক্রি প্রচারকারী আদালত
ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে আপিল দায়েরের পূর্বে স্থগিতাদেশ উক্ত ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে দাখিল করতে হয়।
৩৪. কোন রিভিউ দরখাস্ত না-মঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
(ক) আপিল (খ) রিভিশন (গ) রিভিউ (ঘ) আদালত
উত্তর: (খ) রিভিশন
ব্যাখ্যা: রিভিউ না-মঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়।
৩৫. Pleadings সংশোধন করা যায়-
(ক) অনুসন্ধানের যে কোন পর্যায়ে (খ) তদন্তের যে কোন পর্যায়ে (গ) প্রসিডিংস এর যে কোন পর্যায়ে (ঘ) ডিক্রি জারির কোন পর্যায়ে
উত্তর: (গ) প্রসিডিংস এর যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৬ বিধি ১৭ অনুসারে মামলার যেকোনো পর্যায়ে Pleadings সংশোধন করা যায়।
৩৬. যদি বিবাদী আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে মামলাটি-
(ক) খারিজ হবে (খ) একতরফা নিষ্পত্তি হবে (গ) ডিক্রি হবে (ঘ) দোতরফা নিষ্পত্তি হবে
উত্তর: (খ) একতরফা নিষ্পত্তি হবে
ব্যাখ্যা: বিবাদী নির্ধারিত সময়ে জবাব দাখিল না করলে একতরফা ডিক্রি হয়।
৩৭. আদি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ পক্ষের প্রতিকার হতে পারে-
(ক) রিভিশন (খ) রিভিউ (গ) রেফারেন্স (ঘ) আপিল
উত্তর: (ঘ) আপিল
ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যায়।
৩৮. একজন অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল এখতিয়ারবলে প্রচারিত রিভিশনের আদেশ কার নিকট?
(ক) জেলা জজ আদালতে (খ) বিভাগীয় জজ আদালতে (গ) আপিল বিভাগে (ঘ) হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর: (ঘ) হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা: CPC এর ১১৫ ধারা অনুসারে রিভিশনের এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের।
৩৯. কোন পক্ষ কর্তৃক Set-off দাবী করা যেতে পারে-
(ক) নিষেধাজ্ঞার মামলায় (খ) স্বত্বের মামলায় (গ) অর্থের মামলায় (ঘ) বন্টনের মামলায়
উত্তর: (গ) অর্থের মামলায়
ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে Set-off শুধুমাত্র টাকা আদায়ের মামলায় দাবি করা যায়।
৪০. Mesne Profit বলতে বুঝায় একজন ব্যক্তি কর্তৃক কোন সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত মুনাফা, যে সম্পত্তিতে উক্ত ব্যক্তির-
(ক) বৈধ দখল আছে (খ) অনুমিত দখল আছে (গ) আইনসঙ্গত দখল আছে (ঘ) অন্যায়ভাবে দখল আছে
উত্তর: (ঘ) অন্যায়ভাবে দখল আছে
ব্যাখ্যা: CPC এর ২(১২) ধারায় Mesne Profit বলতে বোঝায় অবৈধ দখলকারীর প্রাপ্ত মুনাফা।
৪১. নিম্নের কোন আদালত একটি ডিক্রি জারি করতে পারে?
(ক) আপিল আদালত (খ) রিভিশন আদালত (গ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত (ঘ) একই শ্রেণীর অন্য যে কোন আদালত
উত্তর: (গ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে ডিক্রি জারি সর্বদা ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে করতে হয়।
৪২. আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাদী প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে, আদালতের আদেশ হবে -
(ক) আরজির ফেরতের (খ) আরজি অস্বীকারের (গ) আরজি প্রেরণের (ঘ) আরজি নাকচের
উত্তর: (ঘ) আরজি নাকচের
ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে নির্ধারিত সময়ে স্ট্যাম্প পেপার সরবরাহ না করলে আরজি নাকচ হবে।
৪৩. একটি মামলায় মূল্যমান সংশোধনের সর্বাধিক সময়কাল হবে-
(ক) ৭ দিন (খ) ১৪ দিন (গ) ২১ দিন (ঘ) ৩০ দিন
উত্তর: (গ) ২১ দিন
ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে মূল্যমান সংশোধনের সময়কাল ২১ দিন।
৪৪. আরজিতে বিবৃত অভিযোগসমূহ বিবাদীর লিখিত জবাবে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হলে, তা হবে বিবাদীর-
(ক) স্বীকারোক্তি (খ) উপস্থাপন (গ) স্বীকৃতি (ঘ) বর্জন
উত্তর: (গ) স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৮ বিধি ৫ অনুসারে সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করলে তা স্বীকৃত বলে গণ্য।
৪৫. কোন ব্যক্তি বিবাদী পক্ষ তার লিখিত জবাব দাখিল করতে সর্বোচ্চ-
(ক) ৬ মাসের মধ্যে (খ) ৪ মাসের মধ্যে (গ) ৩ মাসের মধ্যে (ঘ) ২ মাসের মধ্যে
উত্তর: (ঘ) ২ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে বিবাদী ২ মাসের মধ্যে জবাব দাখিল করতে পারে।
৪৬. একটি আরজিতে সত্যাখ্যান (Verification) স্বাক্ষর করবে কে?
(ক) বাদী (খ) বাদীর উকিল (গ) বিবাদী (ঘ) রিভিউ
উত্তর: (ক) বাদী
ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে আরজির সত্যাখ্যান অংশে বাদীর স্বাক্ষর থাকতে হবে।
৪৭. ৭ লক্ষ টাকা মূল্যমানের একটি মামলায় আরজি খারিজের তারিখ থেকে আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে-
(ক) আপিল বিভাগ (খ) হাইকোর্ট বিভাগ (গ) জেলা জজ আদালত (ঘ) বিভাগীয় জজ আদালত
উত্তর: (খ) হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা: CPC এর ১১৫ ধারা অনুসারে রিভিশনের এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের।
৪৮. সিভিল প্রসিডিউর কোডের ১৪৪ ধারার অধীন প্রত্যার্পণ বিষয়ে কোন আদেশ হলে সেটি হবে একটি-
(ক) রায় (খ) ডিক্রি (গ) আদেশ (ঘ) রিভিউ
উত্তর: (খ) ডিক্রি
ব্যাখ্যা: CPC এর ১৪৪ ধারায় প্রত্যার্পণ (Restitution) সংক্রান্ত আদেশ ডিক্রি হিসেবে গণ্য।
৪৯. সিভিল প্রসিডিউর কোডের কোন ধারায় রেস সাব-জুডিস এর নীতি বর্ণিত আছে?
(ক) ৯ (খ) ১০ (গ) ১১ (ঘ) ১২
উত্তর: (খ) ১০
ব্যাখ্যা: CPC এর ১০ ধারায় Res sub judice বা বিচারাধীন মামলার বিধান আছে।
৫০. প্রত্যেকটি আপিল মেমোতে স্বাক্ষর করবে-
(ক) আপিলকারী বা তার উকিল (খ) আপিলকারী এবং তার উকিল (গ) উকিল এবং রেসপনডেন্ট (ঘ) আপিলকারী এবং রেসপনডেন্ট
উত্তর: (ক) আপিলকারী বা তার উকিল
ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে আপিল মেমোতে আপিলকারী বা তার অ্যাডভোকেটের স্বাক্ষর থাকতে হয়।
৫১. বার কাউন্সিল নির্বাচিত সদস্যগণের কার্যকাল সমাপ্ত হয়-
(ক) ৫ বৎসরে (খ) ৩ বৎসরে (গ) ২ বৎসরে (ঘ) ১ বৎসরে
উত্তর: (খ) ৩ বৎসরে
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল অর্ডার অনুসারে নির্বাচিত সদস্যদের কার্যকাল ৩ বছর।
৫২. একজন এ্যাডভোকেটকে হাইকোর্ট বিভাগে আইন ব্যবসা করার অনুমতি প্রাপ্তির জন্য অধঃস্তন আদালতে অন্যূনতম কত বৎসর আইন ব্যবসা করতে হবে?
(ক) ৬ মাস (খ) ১ বৎসর (গ) ২ বৎসর (ঘ) ৩ বৎসর
উত্তর: (গ) ২ বৎসর
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল অর্ডার অনুসারে হাইকোর্টে আইন ব্যবসার জন্য অন্যূনতম ২ বছর অধঃস্তন আদালতে অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
৫৩. এ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান-
(ক) অ্যাটর্নি জেনারেল (খ) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান (গ) আপিল বিভাগের বিচারক (ঘ) হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক
উত্তর: (গ) আপিল বিভাগের বিচারক
ব্যাখ্যা: অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি।
৫৪. একজন ব্যক্তির অন্য সকল যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য তার অন্যূন বয়স হতে হবে-
(ক) ৩০ বৎসর (খ) ২৭ বৎসর (গ) ২৫ বৎসর (ঘ) ২১ বৎসর
উত্তর: (ঘ) ২১ বৎসর
ব্যাখ্যা: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য ন্যূনতম বয়স ২১ বছর।
৫৫. বার কাউন্সিল কর্তৃক গঠিত ট্রাইব্যুনাল হয়-
(ক) ৭ ব্যক্তির সমন্বয়ে (খ) ৫ ব্যক্তির সমন্বয়ে (গ) ৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে (ঘ) ১ ব্যক্তির সমন্বয়ে
উত্তর: (গ) ৩ ব্যক্তির সমন্বয়ে
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল ৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
৫৬. ট্রাইব্যুনালের কোন আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
(ক) হাইকোর্ট বিভাগে (খ) জেলা জজ আদালতে (গ) দায়রা জজ আদালতে (ঘ) একচ্ছত্র দখল থাকে
উত্তর: (ক) হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যায়।
৫৭. বার কাউন্সিল কর্তৃক বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে পূর্ণ অনুমোদন লাগবে-
(ক) রাষ্ট্রপতির (খ) প্রধান বিচারপতির (গ) বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের (ঘ) সরকারের
উত্তর: (ঘ) সরকারের
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল অর্ডার অনুসারে বিধি প্রণয়নে সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন।
৫৮. এ্যাডভোকেট ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি যদি আইন ব্যবসা করেন, তাহলে তাকে কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে-
(ক) ২ মাস পর্যন্ত (খ) ৩ মাস পর্যন্ত (গ) ৬ মাস পর্যন্ত (ঘ) ৪ মাস পর্যন্ত
উত্তর: (গ) ৬ মাস পর্যন্ত
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল অর্ডার অনুসারে অনধিকারচর্চার জন্য সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড।
৫৯. চেয়ারম্যান কর্তৃক বার কাউন্সিলের নির্বাচনী তফসিল প্রকাশ করতে হবে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনের কমপক্ষে -
(ক) ১৫ দিন পূর্বে (খ) ৩০ দিন পূর্বে (গ) ৪৫ দিন পূর্বে (ঘ) ৬০ দিন পূর্বে
উত্তর: (গ) ৪৫ দিন পূর্বে
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল বিধি অনুসারে নির্বাচনের ৪৫ দিন পূর্বে তফসিল প্রকাশ করতে হয়।
৬০. বার কাউন্সিলের মেয়াদ শুরু তারিখ থেকে অনুষ্ঠিত হবে-
(ক) ৬ মাসের মধ্যে (খ) ৩ মাসের মধ্যে (গ) ২ মাসের মধ্যে (ঘ) ১ মাসের মধ্যে
উত্তর: (ঘ) ১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিলের ১ম সভা মেয়াদ শুরুর ১ মাসের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।
৬১. বার কাউন্সিলে কোন এডভোকেটের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত অভিযোগপত্রের সাথে প্রদত্ত ফি-এর পরিমাণ হবে-
(ক) ১০০ টাকা (খ) ৫০০ টাকা (গ) ১০০০ টাকা (ঘ) ২০০০ টাকা
উত্তর: (গ) ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল বিধি অনুসারে অভিযোগপত্রের সাথে ১০০০ টাকা ফি প্রদান করতে হয়।
৬২. কোন এ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত শিক্ষানবীশ নিতে পারবেন-
(ক) ২ জনের বেশী নয় (খ) ৩ জনের বেশী নয় (গ) ৪ জনের বেশী নয় (ঘ) ৫ জনের বেশী নয়
উত্তর: (গ) ৪ জনের বেশী নয়
ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল বিধি অনুসারে একজন অ্যাডভোকেট সর্বোচ্চ ৪ জন শিক্ষানবীশ রাখতে পারেন।
৬৩. যদি কোন প্রার্থী তালিকাভুক্তির দরখাস্তে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে, তিনি তালিকাভুক্তির অযোগ্য হবেন-
(ক) ৩ বৎসরের জন্য (খ) ৫ বৎসরের জন্য (গ) ৬ বৎসরের জন্য (ঘ) ১ বৎসরের জন্য
উত্তর: (খ) ৫ বৎসরের জন্য
ব্যাখ্যা: মিথ্যা তথ্য প্রদান করলে ৫ বছরের জন্য তালিকাভুক্তির অযোগ্য।
৬৪. কোন মামলায় যে কোন পক্ষে এডভোকেট নিযুক্ত থাকলে, মামলা পরিচালনার অধিকার থাকবে-
(ক) এ্যাডভোকেট যিনি সর্বপ্রথম নিযুক্ত (খ) এ্যাডভোকেট যিনি পক্ষ কর্তৃক মনোনীত (গ) নিযুক্তিয় এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যিনি সিনিয়র (ঘ) নিযুক্তিয় এ্যাডভোকেটদের মধ্যে যে কোন একজন
উত্তর: (ঘ) এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
ব্যাখ্যা: নিযুক্তিয় একাধিক অ্যাডভোকেটদের মধ্যে পক্ষ কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তি মামলা পরিচালনা করবেন।
৬৫. আদালত কর্ম সমাপ্তের পর যে কোন জরুরী বিষয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের সাথে একজন এ্যাডভোকেটের সাক্ষাৎকারের উপযুক্ত পন্থা হলো-
(ক) বিচারকের সরকারি বসভবনে সাক্ষাৎকার সাথে দেখা করা (খ) প্রতিপক্ষের এ্যাডভোকেটের সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা (গ) স্থানীয় বারের সভাপতিকে সাথে নিয়ে বিচারকের সাথে দেখা করা (ঘ) এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
উত্তর: (ঘ) এ ধরনের যোগাযোগ করা হতে বিরত থাকা
ব্যাখ্যা: পেশাগত আচরণবিধি অনুসারে আদালত কর্মসময়ের বাইরে বিচারকের সাথে মামলা সংক্রান্ত যোগাযোগ থেকে বিরত থাকতে হবে।
৬৬. একজন এডভোকেটের মামলা পরিচালনার দায়িত্ব অন্য কোন এ্যাডভোকেটকে অর্পণ করবে, যদি তাঁকে মক্কেলের পক্ষে সাক্ষ্য প্রদান করতে হয়-
(ক) কোন দলিল সত্যায়ন বিষয়ে (খ) কোন দলিলের হেফাজত বিষয়ে (গ) অভিযুক্ত প্রকাশে কোন প্রতারণামূলক দলিল সৃজন বিষয়ে (ঘ) মামলায় উক্ত এডভোকেটের নিযুক্তিয় বিষয়ে
উত্তর: (ঘ) মামলায় উক্ত এডভোকেটের নিযুক্তিয় বিষয়ে
ব্যাখ্যা: অ্যাডভোকেট যদি নিজে সাক্ষী হতে হয়, তবে মামলার দায়িত্ব অন্য অ্যাডভোকেটকে দিতে হবে।
৬৭. একজন পাবলিক প্রসিকিউটর প্রাথমিক দায়িত্ব হলো-
(ক) আসামীর সাজা নিশ্চিত করা (খ) আসামীর খালাস নিশ্চিত করা (গ) আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখা (ঘ) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
উত্তর: (ঘ) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা: পাবলিক প্রসিকিউটরের প্রাথমিক দায়িত্ব ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
৬৮. কেবল অপর পক্ষকে হয়রানীর লক্ষ্যে কোন পক্ষ একটি দেওয়ানি মামলা করতে ইচ্ছুক। একক্ষেত্রে একজন এ্যাডভোকেট-
(ক) আদালতের অনুমতি নিয়ে মামলাটি গ্রহণ করবেন (খ) বিরুদ্ধ পক্ষের এ্যাডভোকেটকে সাহায্য করবেন (গ) মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন (ঘ) নিযুক্তিয় এ্যাডভোকেট হিসাবে মামলাটি পরিচালনা করবেন
উত্তর: (গ) মামলাটি পরিচালনায় করতে অস্বীকার করবেন
ব্যাখ্যা: পেশাগত আচরণবিধি অনুসারে হয়রানিমূলক মামলা গ্রহণ করা অনুচিত।
৬৯. একটি সম্পত্তির নিলাম বিক্রয়ের কার্যক্রমে একজন এ্যাডভোকেট কোন পক্ষকে প্রতিনিধিত্ব করলে তিনি-
(ক) সম্পত্তিটি নিজে ক্রয় করতে পারবেন (খ) সম্পত্তিটি বেনামীতে ক্রয় করতে পারবেন (গ) পারিতোষিকের পরিবর্তে সম্পত্তিটি ক্রয় করতে পারবেন (ঘ) সম্পত্তিটি বা তার কোন অংশ কোনভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
উত্তর: (ঘ) সম্পত্তিটি বা তার কোন অংশ কোনভাবেই ক্রয় করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা: পেশাগত আচরণবিধি অনুসারে অ্যাডভোকেট তার মক্কেলের সম্পত্তি ক্রয় করতে পারেন না।
৭০. সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী মামলায় আপিল বিভাগ এ মর্মে ঘোষণা করেন যে-
(ক) তৎকালীন সরকার পদত্যাগ করবে (খ) খন্দকার মোশতাক আহমদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আইন অবৈধ (গ) জেনারেল এইচ.এম. এরশাদ কর্তৃক জারিকৃত সামরিক আইন অবৈধ (ঘ) রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
উত্তর: (ঘ) রাজধানীর বাহিরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ
ব্যাখ্যা: ৮ম সংশোধনী মামলায় হাইকোর্টের স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপন অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
৭১. অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে একজন আসামী জামিন দাবী করতে পারে যদি তার বয়স হয়-
(ক) ১৮ বৎসরের কম (খ) ১৬ বৎসরের কম (গ) ১৫ বৎসরের কম (ঘ) ১৪ বৎসরের কম
উত্তর: (খ) ১৬ বৎসরের কম
ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ১৬ বছরের কম বয়সী আসামী অজামিনযোগ্য অপরাধেও জামিন পেতে পারে।
৭২. কে পাবলিক প্রসিকিউটার নিয়োগ করতে পারে?
(ক) রাষ্ট্রপতি (খ) প্রধানমন্ত্রী (গ) অ্যাটর্নি জেনারেল (ঘ) সরকার
উত্তর: (ঘ) সরকার
ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারা অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত।
৭৩. Complaint বলতে বুঝায়-
(ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ (খ) জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ (গ) দায়রা জজের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ (ঘ) পুলিশ অফিসারের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
উত্তর: (খ) জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ
ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১)(হ) ধারায় Complaint এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে।
৭৪. কে ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
(ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (খ) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (গ) মহানগর দায়রা জজ (ঘ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর: (ঘ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা: মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
৭৫. কোন মহানগর এলাকায় পুলিশ কর্মকর্তা অ-আমলযোগ্য মামলার তদন্ত করতে পারবে না, যদি সে অনুমতি না নেয়-
(ক) মহা পুলিশ পরিদর্শকের (খ) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (গ) মহানগর দায়রা জজ (ঘ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর: (ঘ) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা: অ-আমলযোগ্য মামলায় তদন্তের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি প্রয়োজন।
৭৬. একটি ফৌজদারি আদালত পুলিশ ডায়েরী তলব করতে পারেন-
(ক) সাক্ষ্যের জন্য (খ) তদন্তের জন্য (গ) বিচারের জন্য (ঘ) সুরতহালের জন্য
উত্তর: (গ) বিচারের জন্য
ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে বিচারের সময় আদালত পুলিশ ডায়েরী তলব করতে পারেন।
৭৭. যখন ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করেন, তখন আসামী-
(ক) অব্যাহতি পেতে পারে (খ) খালাস পেতে পারে (গ) দণ্ড পেতে পারে (ঘ) খালাস পারে
উত্তর: (ক) অব্যাহতি পেতে পারে
ব্যাখ্যা: ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করলে আসামী অব্যাহতি (Discharge) পায়।
৭৮. Complaint প্রত্যাহার করা হলে আসামী-
(ক) মুক্তি দিতে পারেন (খ) অব্যাহতি পাবে (গ) খালাস পাবে (ঘ) দণ্ড দিতে পারেন
উত্তর: (ক) মুক্তি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা: Complaint প্রত্যাহার হলে আসামী মুক্তি পায়।
৭৯. Complaint ব্যতীত অন্যভাবে রুজুকৃত একটি ফৌজদারি মামলায় কার্যক্রম বন্ধ করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে-
(ক) মুক্তি দিতে পারেন (খ) অব্যাহতি দিতে পারেন (গ) খালাস দিতে পারেন (ঘ) দণ্ড দিতে পারেন
উত্তর: (ক) মুক্তি দিতে পারেন
ব্যাখ্যা: মামলার কার্যক্রম বন্ধ হলে আসামী মুক্তি পায়।
৮০. একজন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডদানের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হবে-
(ক) হাইকোর্ট বিভাগ (খ) জেলা জজ আদালতে (গ) দায়রা জজ আদালতে (ঘ) বিভাগীয় জজ আদালতে
উত্তর: (গ) দায়রা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা: চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে আপিল হয়।
৮১. ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হবে-
(ক) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (খ) দায়রা জজ আদালতে (গ) জেলা জজ আদালতে (ঘ) বিভাগীয় জজ আদালতে
উত্তর: (খ) দায়রা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা: ম্যাজিস্ট্রেটের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে আপিল দায়ের করতে হয়।
৮২. অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে-
(ক) ৩০ দিনের মধ্যে (খ) ৬০ দিনের মধ্যে (গ) ৯০ দিনের মধ্যে (ঘ) ১২০ দিনের মধ্যে
উত্তর: (খ) ৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা: খালাস আদেশের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হয়।
৮৩. ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের অধীনে নিম্নের কোন আদালতের রিভিশন ক্ষমতা আছে?
(ক) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (খ) দায়রা জজ আদালত (গ) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, (ঘ) জেলা জজ আদালত,
উত্তর: (খ) দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় দায়রা জজ আদালত ও হাইকোর্টের রিভিশন ক্ষমতা আছে।
৮৪. একজন অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক পরীক্ষা করার প্রয়োজন হয় না, যদি অভিযোগকারী হয় একটি-
(ক) আর্থিক প্রতিষ্ঠান (খ) বার কাউন্সিল (গ) বার সমিতি (ঘ) আদালত
উত্তর: (ঘ) আদালত
ব্যাখ্যা: আদালত নিজে অভিযোগকারী হলে পরীক্ষার প্রয়োজন নেই।
৮৫. যুগ্ম দায়রা জজ আদালত হতে একটি মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন সংশ্লিষ্ট-
(ক) দায়রা জজ (খ) বিভাগীয় জজ (গ) স্পেশাল জজ (ঘ) জেলা জজ
উত্তর: (ক) দায়রা জজ
ব্যাখ্যা: দায়রা জজ যুগ্ম দায়রা জজ আদালত থেকে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন।
৮৬. ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোডের ৪৭৬ ধারার অধীন Complaint দায়েরের জন্য দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ-
(ক) আপিলযোগ্য (খ) রিভিশনযোগ্য (গ) উপরের কোনটাই নয় (ঘ) আপিলযোগ্য
উত্তর: (ক) আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা: ৪৭৬ ধারার আদেশ আপিলযোগ্য।
৮৭. প্রতিপক্ষ কর্তৃক জেরাকৃত একজন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য একই বিষয় এবং পক্ষদ্বয়ের মধ্যে পরবর্তী যে কোন বিচারিক কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক হবে, যখন উক্ত সাক্ষী হন-
(ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য (খ) সরকারি কর্মচারী (গ) মৃত ব্যক্তি (ঘ) জীবিত ব্যক্তি
উত্তর: (গ) মৃত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারা অনুসারে মৃত বা অনুপস্থিত সাক্ষীর পূর্ববর্তী সাক্ষ্য পরবর্তী কার্যক্রমে প্রাসঙ্গিক।
৮৮. সকল ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য হবে-
(ক) লিখিত (খ) দালিলিক (গ) প্রত্যক্ষ (ঘ) প্রত্যক্ষ
উত্তর: (ঘ) প্রত্যক্ষ
ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুসারে সকল ক্ষেত্রেই মৌখিক সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ (Direct) হতে হবে।
৮৯. নিম্নের কোনটি গৌণ সাক্ষ্য নহে?
(ক) মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি (খ) মূল দলিলের প্রতিলিপি (গ) সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল (ঘ) দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল সম্পর্কিত মৌখিক সাক্ষ্য
উত্তর: (গ) সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল
ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় গৌণ সাক্ষ্যের তালিকা আছে।
৯০. প্রাথমিক সাক্ষ্য বলতে বুঝায় এমন দলিল যাহা পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে-
(ক) সরকারি কর্মকর্তার নিকট (খ) আইনজীবীর নিকট (গ) তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট (ঘ) আদালতের নিকট
উত্তর: (ঘ) আদালতের নিকট
ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary evidence) হলো মূল দলিল যা আদালতে পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপিত।
৯১. একটি দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে-
(ক) প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা (খ) গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা (গ) স্বয়ং দলিলটি দ্বারা (ঘ) উপরের যে কোন একটির দ্বারা
উত্তর: (ঘ) উপরের যে কোন একটির দ্বারা
ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইন অনুসারে দলিলের বিষয়বস্তু প্রাথমিক বা গৌণ সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায়।
৯২. কোনটি Private Document -
(ক) মূল বিক্রয় দলিল (খ) খতিয়ান (গ) সিআরপিসি-র ১৬৪ ধারায় প্রদত্ত বক্তব্য (ঘ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলী আরজি
উত্তর: (ক) মূল বিক্রয় দলিল
ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারা অনুসারে পাবলিক দলিল ব্যতীত বাকি সব প্রাইভেট দলিল।
৯৩. B একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। A, B এর মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে চায়। এখানে A- কে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে-
(ক) B এর জীবনকাল (খ) B এর মৃত্যু (গ) B এর অসুস্থতা (ঘ) B এর হাসপাতাল ত্যাগ
উত্তর: (খ) B এর মৃত্যু
ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রমাণ করতে হলে ঘোষণাকারীর মৃত্যু প্রমাণ করতে হবে।
৯৪. বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণের অভিযোগ X অভিযুক্ত হয়। X-এর টিকেট ছিল এ বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব-
(ক) ট্রেন টিকেট চেকারের (খ) স্টেশন মাস্টারের (গ) X-এর (ঘ) ট্রেনের গার্ডের
উত্তর: (গ) X-এর
ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ১০৬ ধারা অনুসারে যে ব্যক্তি বিশেষ জ্ঞানের অধিকারী, প্রমাণের দায়িত্ব তার।
৯৫. তামাদি আইন সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয়
(ক) ১৮৫৯ সালে (খ) ১৮৬২ সালে (গ) ১৮৭১ সালে (ঘ) ১৯০৮ সালে
উত্তর: (ক) ১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা: তামাদি আইন সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে প্রণীত হয়।
৯৬. লিমিটেশন এ্যাক্ট, ১৯৮০ এর ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে না-
(ক) সুটের ক্ষেত্রে (খ) আপিলের ক্ষেত্রে (গ) রিভিউর ক্ষেত্রে (ঘ) রিভিউ-র ক্ষেত্রে
উত্তর: (ক) সুটের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ৫ ধারা শুধুমাত্র আপিল, রিভিউ, রিভিশন ও দরখাস্তের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, মূল মামলায় নয়।
৯৭. Z-নাবালক থাকাবস্থায় তার মামলা করার অধিকার জম্মে। গণনা শুরু হবে যখন-
(ক) Z-এর সাবালকত্বের অবসান হবে (খ) Z-নাবালক থাকবে (গ) Z-এর নাবালকত্বের অবসান হবে (ঘ) উপরের কোনটাই নয়
উত্তর: (গ) Z-এর নাবালকত্বের অবসান হবে
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুসারে আইনগত অক্ষমতা (নাবালকত্ব) শেষ হওয়ার পর তামাদি গণনা শুরু হয়।
৯৮. একটি আপিল দায়ের তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে বাদ যাবে-
(ক) আপিলের মেমো প্রস্তুতের জন্য ব্যয়িত সময় (খ) আইনজীবী নিয়োগের জন্য ব্যয়িত সময় (গ) প্রতিপক্ষের প্রতি সমন জারির জন্য ব্যয়িত সময় (ঘ) রায় এবং ডিক্রি-র জাবেদা নকল পেতে ব্যয়িত সময়
উত্তর: (ঘ) রায় এবং ডিক্রি-র জাবেদা নকল পেতে ব্যয়িত সময়
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুসারে রায় ও ডিক্রির নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময় বাদ যায়।
৯৯. লিমিটেশন এ্যাক্ট-১৯০৮ এর ধারা ১৪ প্রযোজ্য হয়-
(ক) সুটের ক্ষেত্রে (খ) রেফারেন্সের ক্ষেত্রে (গ) রিভিশনের ক্ষেত্রে (ঘ) রিভিউ-র ক্ষেত্রে
উত্তর: (ক) সুটের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ১৪ ধারা সদ্বিশ্বাসে ভুল আদালতে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে সুটে প্রযোজ্য।
১০০. একটি মামলায় প্রতারণামূলক দলিল সৃজনের অভিযোগ করা হলে মামলায় তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদীর-
(ক) অধিকার সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে (খ) প্রতারণা বিষয়ে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে (গ) দলিল সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে (ঘ) মামলা সম্পর্কে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
উত্তর: (খ) প্রতারণা বিষয়ে জ্ঞাত হওয়ার দিন হতে
ব্যাখ্যা: প্রতারণামূলক দলিলের ক্ষেত্রে তামাদি প্রতারণা জানার দিন থেকে গণনা শুরু হয়।