২০১২ সালের বার কাউন্সিল প্রিলিমিনারি: প্রশ্ন সমাধান ও ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বার কাউন্সিল অ্যাডভোকেটশিপ এনরোলমেন্ট প্রিলিমিনারি (এমসিকিউ) ২০১২ পরীক্ষায় (পূর্ণমান ১০০) মোট ১০০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ছিল। এখানে প্রশ্নগুলো বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজিয়ে প্রতিটির সঠিক উত্তর ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেওয়া হলো, যা তালিকাভুক্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে।

বিষয়ভিত্তিক গাইড (১১টি বই)

বাংলা

বাংলা

১৫০ টাকা
ইংরেজি

ইংরেজি

১৫০ টাকা
গণিত

গণিত

১৫০ টাকা
বাংলাদেশ বিষয়াবলী

বাংলাদেশ বিষয়াবলী

১৫০ টাকা
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

১৫০ টাকা
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সুশাসন

১৫০ টাকা
সাধারণ বিজ্ঞান

সাধারণ বিজ্ঞান

১৫০ টাকা
ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

ভূগোল, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

১৫০ টাকা
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী

আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী

১৫০ টাকা
গাণিতিক যুক্তি

গাণিতিক যুক্তি

১৫০ টাকা
মানসিক দক্ষতা

মানসিক দক্ষতা

১৫০ টাকা

প্রশ্ন ব্যাংক (৬টি বই)

বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

১৫০ টাকা
NTRCA প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

NTRCA প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

১৫০ টাকা
প্রাইমারি শিক্ষক প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

প্রাইমারি শিক্ষক প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

১৫০ টাকা
ব্যাংক জব প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

ব্যাংক জব প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

১৫০ টাকা
বিজেএস প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

বিজেএস প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

১৫০ টাকা
বার কাউন্সিল প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

বার কাউন্সিল প্রশ্ন ব্যাংক ও সম্পূর্ণ সমাধান

১৫০ টাকা
🎁 একাধিক বই একসাথে নিলে সাশ্রয়ী! ২টি বই থেকে শুরু করে সবগুলো ১৭টি বই পর্যন্ত — নিজের পছন্দমতো কম্বো তৈরি করুন
কম্বো অফার দেখুন

আইন (প্রশ্ন ১–১০০)

    ১. তামাদি মেয়াদের পরে দেওয়ানি মামলা দায়ের করার ফল হচ্ছে-

    (ক) আরজি নাকচ (খ) আরজি ফেরৎ (গ) মামলা খারিজ (ঘ) কোর্ট ফি বাতিল

    উত্তর: (গ) মামলা খারিজ

    ব্যাখ্যা: তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৩ ধারার মূল বিধান হলো তামাদির মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত দেওয়ানি মোকদ্দমা খারিজ হবে। অর্থাৎ, প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্ধারিত সময় উত্তীর্ণ হওয়ার পর মোকদ্দমা, আপিল, দরখাস্ত দায়ের করলে বিবাদীপক্ষ তামাদির মেয়াদ নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন না করলেও মোকদ্দমা খারিজ হবে।

    ২. কোন মামলার ক্ষেত্রে তামাদি মওকুফ হবে না?

    (ক) আপিল (খ) রিভিশন (গ) রিভিউ (ঘ) স্বত্ব ঘোষণা

    উত্তর: (ঘ) স্বত্ব ঘোষণা

    ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ৫ ধারায় ৫টি ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফ করা যায়: আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত, রিভিউ, রিভিশন এবং অন্য যেকোনো দরখাস্ত। স্বত্ব ঘোষণা, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ৫ ধারা প্রযোজ্য নয়।

    ৩. মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত সময় পায় কত দিন?

    (ক) ৩ বছর (খ) ৬ বছর (গ) ২১ বছর বয়স পর্যন্ত (ঘ) সাবালকত্ব অর্জন পর্যন্ত

    উত্তর: (ক) ৩ বছর

    ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ৮ ধারামতে আইনগত অক্ষমতা শেষ হওয়ার পর তিন (৩) বছর অতিবাহিত হলে তামাদি মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত সময় পায় তিন (৩) বছর।

    ৪. জমির স্বত্ব ঘোষণা ছাড়াই শুধু দখল পুনরুদ্ধারের মামলা দায়েরে তামাদি মেয়াদ কত?

    (ক) ৬ মাস (খ) ৩ বছর (গ) ৬ বছর (ঘ) ১২ বছর

    উত্তর: (ক) ৬ মাস

    ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ৯ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে ছয় মাসের মধ্যে করতে হবে। এই মামলায় শুধু দখল ও বেদখল প্রমাণ করতে হয়, স্বত্ব প্রমাণের প্রয়োজন নেই।

    ৫. কোন কারণে ব্যয়িত সময়কালে আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদের সাথে যোগ হবে?

    (ক) আইনজীবী নিয়োগ (খ) হাজতবাস (গ) অসুস্থতা (ঘ) রায়ের নকল সংগ্রহ

    উত্তর: (ঘ) রায়ের নকল সংগ্রহ

    ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে তামাদির মেয়াদ হিসাব করার সময় রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়, রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয় — এগুলো বাদ দিয়ে হিসাব করতে হবে।

    ৬. কোন প্রতিকারটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় পড়ে না?

    (ক) চুক্তি বাস্তবায়ন (খ) নিষেধাজ্ঞা (গ) স্বত্ব ঘোষণা (ঘ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ

    উত্তর: (ঘ) আর্থিক ক্ষতিপূরণ

    ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর আওতায় চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়ন, নিষেধাজ্ঞা, স্বত্ব ঘোষণা, দখল পুনরুদ্ধার ইত্যাদি পড়ে। আর্থিক ক্ষতিপূরণ সাধারণত চুক্তি আইন বা টর্ট আইনের বিষয়।

    ৭. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুসারে জমির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য কোন বিষয়গুলি প্রমাণ করতে হবে?

    (ক) স্বত্ব ও দখল (খ) সীমানা (গ) দখল ও বেদখল (ঘ) স্বত্ব

    উত্তর: (গ) দখল ও বেদখল

    ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধারের মামলায় শুধু বাদীর দখল এবং বেদখল প্রমাণ করতে হয়। স্বত্বের প্রশ্ন এখানে অবান্তর।

    ৮. কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কোন ব্যক্তির অবস্থান অস্বীকৃত হলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?

    (ক) ৯ ধারা (খ) ৫৪ ধারা (গ) ৩২ ধারা (ঘ) ৪২ ধারা

    উত্তর: (ঘ) ৪২ ধারা

    ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি তার আইনগত পদমর্যাদা বা অধিকার ঘোষণার জন্য আদালতে মামলা করতে পারে।

    ৯. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কত প্রকার নিষেধাজ্ঞার উল্লেখ আছে?

    (ক) ২ প্রকার (খ) ৩ প্রকার (গ) ৪ প্রকার (ঘ) কোনটিই নয়

    উত্তর: (খ) ৩ প্রকার

    ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে তিন প্রকার নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে — অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা।

    ১০. কোন চুক্তিটি আদালতের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য নয়?

    (ক) জমি বিক্রয়ের চুক্তি (খ) রাস্তা নির্বাচনের চুক্তি (গ) সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি (ঘ) পরিবহন চুক্তি

    উত্তর: (গ) সিনেমার অভিনয়ের চুক্তি

    ব্যাখ্যা: ব্যক্তিগত দক্ষতা ও যোগ্যতা সম্পর্কিত চুক্তি (যেমন সিনেমায় অভিনয়) আদালতের মাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নযোগ্য নয়, কারণ এটি ব্যক্তিগত সেবা সংক্রান্ত।

    ১১. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি-

    (ক) সাংবিধানিক সংস্থা (খ) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা (গ) নির্বাচিত সংস্থা (ঘ) সমবায় সমিতি

    উত্তর: (খ) সংবিধিবদ্ধ সংস্থা

    ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ বার কাউন্সিল Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি সংবিধিবদ্ধ (Statutory) সংস্থা।

    ১২. কোন কাজটি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আওতাভুক্ত নয়?

    (ক) সনদ প্রদান (খ) পেশাগত অসদাচরণ (গ) আইন শিক্ষার উন্নয়ন (ঘ) আইনগত সহায়তা

    উত্তর: (ঘ) আইনগত সহায়তা

    ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিলের প্রধান কাজ হলো সনদ প্রদান, পেশাগত অসদাচরণের বিচার এবং আইন শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণ। আইনগত সহায়তা প্রদান জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার কাজ।

    ১৩. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা কত?

    (ক) ১৫ জন (খ) ১৪ জন (গ) ১৬ জন (ঘ) ১৩ জন

    উত্তর: (ক) ১৫ জন

    ব্যাখ্যা: Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুসারে বার কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।

    ১৪. একজন অ্যাডভোকেটকে আইন পেশা থেকে বহিষ্কার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় কার নিকট?

    (ক) আপিল বিভাগ (খ) অ্যাটর্নি জেনারেল (গ) হাইকোর্ট বিভাগ (ঘ) আইন মন্ত্রী

    উত্তর: (গ) হাইকোর্ট বিভাগ

    ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিলের ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করা যায়।

    ১৫. অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির জন্য একজন প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স কত হবে?

    (ক) ১৮ বছর (খ) ২১ বছর (গ) ২৫ বছর (ঘ) ৩০ বছর

    উত্তর: (খ) ২১ বছর

    ব্যাখ্যা: Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 অনুসারে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স ২১ বছর হতে হবে।

    ১৬. ন্যূনতম কত বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে একজন অ্যাডভোকেট কোন সনদ প্রার্থীকে শিক্ষানবীশ (Pupil) হিসাবে গ্রহণ করতে পারেন?

    (ক) ৫ বছর (খ) ৮ বছর (গ) ১০ বছর (ঘ) ১২ বছর

    উত্তর: (গ) ১০ বছর

    ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল বিধিমালা অনুযায়ী ন্যূনতম ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অ্যাডভোকেট একজন সনদ প্রার্থীকে শিক্ষানবীশ হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।

    ১৭. পুলিশের নিকট আসামীর স্বীকারোক্তি কোন ক্ষেত্রে সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে?

    (ক) ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে (খ) নিরপেক্ষ সাক্ষীর উপস্থিতিতে (গ) স্বীকারোক্তিমতে আলামত উদ্ধার (ঘ) স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছামূলক হলে

    উত্তর: (গ) স্বীকারোক্তিমতে আলামত উদ্ধার

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারা অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন কোনো তথ্য প্রকাশের ফলে যদি কোনো আলামত উদ্ধার হয়, তবে সেই অংশটুকু সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

    ১৮. কোন ব্যক্তির মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration) তার কোন বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য?

    (ক) মৃত্যুর কারণ (খ) সম্পত্তি দান (গ) পরিচয় (ঘ) বিবাহ

    উত্তর: (ক) মৃত্যুর কারণ

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি তার মৃত্যুর কারণ বা মৃত্যু ঘটানোর লেনদেন সম্পর্কে যে বিবৃতি দেয়, তা মৃত্যুকালীন ঘোষণা হিসেবে সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

    ১৯. কোনটি মূল দালিলীক সাক্ষ্য (Primary evidence)?

    (ক) ফটোস্ট্যাট কপি (খ) দৈনিক পত্রিকা (গ) কোনো বাস্তব ফটোগ্রাফ (ঘ) সত্যায়িত কপি

    উত্তর: (খ) দৈনিক পত্রিকা

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুযায়ী, যখন একই ছাঁচ থেকে একাধিক কপি তৈরি হয় (যেমন দৈনিক পত্রিকা), তখন প্রতিটি কপিই মূল দালিলীক সাক্ষ্য (Primary evidence)।

    ২০. কোন দলিলটি পাবলিক দলিল (Public document)?

    (ক) প্রকাশিত কবিতা (খ) প্রকাশিত পত্র (গ) মামলার আরজি (ঘ) উইল

    উত্তর: (গ) মামলার আরজি

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারা অনুসারে আদালতে দাখিলকৃত দলিল যেমন আরজি পাবলিক দলিল (Public document) হিসেবে গণ্য।

    ২১. ফৌজদারি মামলায় আত্মরক্ষামূলক পরিস্থিতির দাবী উঠলে তা প্রমাণের দায়িত্ব কার?

    (ক) অভিযোগকারীর (খ) রাষ্ট্রের (গ) উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর (ঘ) ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির

    উত্তর: (গ) উক্ত দাবী উত্থাপনকারীর

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ১০৫ ধারা অনুসারে, আত্মরক্ষা বা অন্য কোনো সাধারণ ব্যতিক্রমের দাবী উত্থাপনকারীকেই তা প্রমাণ করতে হয়।

    ২২. মালিকের অনুমতি নিয়ে 'ক' একটি বাড়ীতে অবস্থানকালে বাড়ীর মালিকানা দাবি করে, এক্ষেত্রে আইনগত বাধাকে কি বলে?

    (ক) স্বীকৃতি (Admission) (খ) স্ব-কার্যজনিত বাধা (Estoppel) (গ) দাবী ত্যাগ (Waiver) (ঘ) মৌন সম্মতি

    উত্তর: (খ) স্ব-কার্যজনিত বাধা (Estoppel)

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারায় Estoppel বা স্ব-কার্যজনিত বাধার বিধান আছে। কোনো ব্যক্তি অন্যের অনুমতিতে সম্পত্তিতে প্রবেশ করে পরে মালিকানা দাবি করতে পারে না।

    ২৩. একপক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-

    (ক) অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত (খ) ঐতিহাসিক সত্য (গ) প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ (ঘ) সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত

    উত্তর: (ক) অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারা অনুসারে, স্বীকৃত (Admitted) তথ্য প্রমাণের প্রয়োজন নেই।

    ২৪. আদালতে মামলার একটি পক্ষ নিজের সাক্ষীকে কোন বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (Leading question) করতে পারে?

    (ক) যে কোন বিষয়ে (খ) স্বীকৃত বিষয়ে (গ) তর্কিত বিষয়ে (ঘ) বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে

    উত্তর: (খ) স্বীকৃত বিষয়ে

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ১৪২ ধারা অনুযায়ী, ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন (Leading question) প্রধান পরীক্ষায় (Examination-in-chief) শুধুমাত্র পরিচিতিমূলক ও স্বীকৃত বিষয়ে করা যায়।

    ২৫. কোন পক্ষ নিজ সাক্ষীকে একবার পরীক্ষার পর কোন কারণে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করতে পারে?

    (ক) পূর্বের বক্তব্যে ভুল শোধরানো (খ) পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ (গ) কোন কিছু মিথ্যা প্রমাণ (ঘ) বিশেষজ্ঞ মতামত বিষয়ে

    উত্তর: (খ) পূর্বের বক্তব্য স্পষ্টীকরণ

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারা অনুযায়ী, জেরায় উদ্ভূত বিষয়ে স্পষ্টীকরণের জন্যই পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা হয়।

    ২৬. কোন সাক্ষীকে জেরা করার উদ্দেশ্য হচ্ছে-

    (ক) তার ব্যক্তিত্বের ধরন পরীক্ষা (খ) ভিন্ন দাবী প্রতিষ্ঠা করা (গ) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন (ঘ) তার মর্যাদা পরীক্ষা

    উত্তর: (গ) তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ১৩৮ ধারা অনুযায়ী জেরার (Cross-examination) মূল উদ্দেশ্য হলো তর্কিত বিষয়ে সত্য উদঘাটন করা।

    ২৭. দোবারা দোষ (Res judicata) বিষয়ে দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান আছে?

    (ক) ৯ ধারা (খ) ১০ ধারা (গ) ১১ ধারা (ঘ) ১৫১ ধারা

    উত্তর: (গ) ১১ ধারা

    ব্যাখ্যা: দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC), ১৯০৮ এর ১১ ধারায় Res judicata বা দোবারা দোষের বিধান আছে।

    ২৮. এক জেলার আদালতে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলা অন্য জেলার আদালতে স্থানান্তর করতে পারে কোন কর্তৃপক্ষ?

    (ক) সংশ্লিষ্ট জেলা জজ (খ) সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালত (গ) সুপ্রীম কোর্টের রেজিস্ট্রার (ঘ) হাইকোর্ট বিভাগ

    উত্তর: (ঘ) হাইকোর্ট বিভাগ

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর ২৪ ধারা অনুযায়ী এক জেলা থেকে অন্য জেলায় মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের।

    ২৯. রিভিশন মামলায় একটি ডিক্রি হাইকোর্ট বিভাগে বহাল হলে তা জারির জন্য কোন আদালতে দরখাস্ত করতে হয়?

    (ক) হাইকোর্ট বিভাগ (খ) আপিল আদালত (গ) জেলা আদালত (ঘ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত

    উত্তর: (ঘ) ডিক্রি প্রদানকারী আদালত

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ অনুসারে ডিক্রি জারি সর্বদা ডিক্রি প্রদানকারী মূল আদালতে করতে হয়।

    ৩০. নিম্নোক্ত কোন রায়ের বিরুদ্ধে আপিল চলবে না?

    (ক) দোতরফা ডিক্রি (খ) একতরফা ডিক্রি (গ) পক্ষগণের সম্মতিভিত্তিক ডিক্রি (ঘ) আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত

    উত্তর: (গ) পক্ষগণের সম্মতিভিত্তিক ডিক্রি

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর ৯৬(৩) ধারা অনুসারে পক্ষগণের সম্মতির ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলবে না।

    ৩১. দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধানে আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা আছে?

    (ক) ৯৬ ধারা (খ) আদেশ ৪৩ বিধি ১ (গ) ১০৬ ধারা (ঘ) আদেশ ৪১ বিধি ১

    উত্তর: (খ) আদেশ ৪৩ বিধি ১

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৩ বিধি ১-এ আপিলযোগ্য আদেশগুলির তালিকা দেওয়া আছে।

    ৩২. একটি দেওয়ানি মামলার অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হবে কোন আদালতে?

    (ক) জেলা জজ (খ) আপিল বিভাগ (গ) হাইকোর্ট বিভাগ (ঘ) স্পেশাল জজ

    উত্তর: (গ) হাইকোর্ট বিভাগ

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর ১১৫ ধারা অনুসারে রিভিশনের এখতিয়ার হাইকোর্ট বিভাগের।

    ৩৩. একটি দেওয়ানি আদালত প্রদত্ত রায়ের বিষয়ে রিভিউ মামলা দায়ের করা যায় কোন আদালতে?

    (ক) একই আদালত (খ) সমপর্যায়ের অন্য আদালত (গ) হাইকোর্ট বিভাগ (ঘ) আপিল আদালত

    উত্তর: (ক) একই আদালত

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর আদেশ ৪৭ বিধি ১ অনুসারে রিভিউ (Review) একই আদালতে দায়ের করতে হয় যে আদালত রায় প্রদান করেছে।

    ৩৪. দেওয়ানি আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে রিভিশন মামলা দায়েরের প্রধান কারণ কি?

    (ক) আইনগত ভুল (খ) সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল (গ) ঘটনাগত ভুল (ঘ) আইনগত ভুল ও ন্যায়বিচারের বিঘ্ন ঘটা

    উত্তর: (ঘ) আইনগত ভুল ও ন্যায়বিচারের বিঘ্ন ঘটা

    ব্যাখ্যা: CPC এর ১১৫ ধারা অনুসারে রিভিশনের ক্ষেত্রে এখতিয়ার প্রয়োগে ভুল, এখতিয়ার প্রয়োগে ব্যর্থতা বা বেআইনিভাবে এখতিয়ার প্রয়োগ — এসব আইনগত ভুল ও ন্যায়বিচারের বিঘ্নের ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায়।

    ৩৫. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে আরজি নাকচের সিদ্ধান্ত হচ্ছে একটি-

    (ক) আদেশ (খ) প্রাথমিক সিদ্ধান্ত (গ) ডিক্রি (ঘ) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

    উত্তর: (গ) ডিক্রি

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর ২(২) ধারা অনুসারে আরজি নাকচের সিদ্ধান্তকে ডিক্রি হিসেবে গণ্য করা হয়।

    ৩৬. দেওয়ানি কার্যবিধি ১৫১ ধারা আদালতের ক্ষমতাকে বলা হয়-

    (ক) বিশেষ ক্ষমতা (খ) সাধারণ ক্ষমতা (গ) সহজাত ক্ষমতা (ঘ) আপিল ক্ষমতা

    উত্তর: (গ) সহজাত ক্ষমতা

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর ১৫১ ধারায় আদালতের সহজাত ক্ষমতা (Inherent Power) এর বিধান আছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে বা প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধে আদালত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

    ৩৭. দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে 'প্লিডিংস' অর্থ কি?

    (ক) এফিডেভিট (খ) আরজি বা জবাব (গ) অভিযোগ (ঘ) যুক্তিতর্ক

    উত্তর: (খ) আরজি বা জবাব

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর আদেশ ৬ অনুসারে 'প্লিডিংস' (Pleadings) বলতে আরজি (Plaint) ও জবাব (Written Statement) বোঝায়।

    ৩৮. অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার আরজিতে কার দস্তখত প্রয়োজন হবে?

    (ক) অ্যাডভোকেট (খ) বাদীর প্রতিনিধি (গ) বাদী (ঘ) অ্যাডভোকেট, বাদী ও তার প্রতিনিধি

    উত্তর: (ঘ) অ্যাডভোকেট, বাদী ও তার প্রতিনিধি

    ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৬ বিধি ১৪ অনুসারে আরজিতে বাদী বা তার যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি এবং অ্যাডভোকেটের দস্তখত থাকতে হবে।

    ৩৯. অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে দাখিলকৃত দেওয়ানি মামলার জবাবের সত্যাখ্যান (Verification) অংশে কার দস্তখত থাকবে?

    (ক) অ্যাডভোকেট (খ) অ্যাডভোকেটের মোহরির (গ) যে কোন ব্যক্তি (ঘ) জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি

    উত্তর: (ঘ) জবাব বিষয়ে ওয়াকেফহাল ব্যক্তি

    ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৬ বিধি ১৫ অনুসারে সত্যাখ্যান (Verification) অংশে বিষয়ে ওয়াকেফহাল (Personal knowledge) ব্যক্তির দস্তখত থাকতে হবে।

    ৪০. আরজি সংশোধন করা যাবে-

    (ক) ইস্যু গঠনের আগে (খ) চূড়ান্ত শুনানীর আগে (গ) যে কোন পর্যায়ে (ঘ) যুক্তিতর্কের সময়

    উত্তর: (গ) যে কোন পর্যায়ে

    ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৬ বিধি ১৭ অনুসারে আদালত মামলার যে কোনো পর্যায়ে আরজি বা জবাব সংশোধনের অনুমতি দিতে পারে।

    ৪১. নিম্নবর্ণিত কোন বিষয়টি নির্ধারণের জন্য আরজিতে দেওয়ানি মামলার মূল্যায়ন দেখানো হয়?

    (ক) আদালতের এখতিয়ার (খ) প্রসেস ফি (গ) সম্পদের সীমা (ঘ) প্রদেয় আয়কর

    উত্তর: (ক) আদালতের এখতিয়ার

    ব্যাখ্যা: মামলার মূল্যায়ন (Valuation) প্রধানত আদালতের আর্থিক এখতিয়ার (Pecuniary Jurisdiction) নির্ধারণের জন্য দেখানো হয়।

    ৪২. আরজিতে মামলার কারণ উল্লেখ না থাকলে কি হবে?

    (ক) আরজি ফেরৎ (খ) আরজি নাকচ (গ) মামলা খারিজ (ঘ) মামলা চলবে

    উত্তর: (খ) আরজি নাকচ

    ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৭ বিধি ১১ অনুসারে মামলার কারণ (Cause of action) উল্লেখ না থাকলে আরজি নাকচ (Rejection of plaint) হবে।

    ৪৩. বিরোধীয় জমি দুটি জেলায় অবস্থিত হলে তৎসম্পর্কে কোন জেলার আদালতে মামলা করতে হবে?

    (ক) যে জেলায় বাদী বাস করে (খ) যে জেলায় বিবাদী বাস করে (গ) তৃতীয় জেলায় (ঘ) দুটি জেলার যে কোনটিতে

    উত্তর: (ঘ) দুটি জেলার যে কোনটিতে

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর ১৭ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তি দুটি আদালতের এখতিয়ারে অবস্থিত হলে যে কোনো একটি আদালতে মামলা দায়ের করা যায়।

    ৪৪. দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত দাবী সমর্থনকারী দলিলাদি বাদীর দখলে না থাকলে সেগুলির বিষয়ে তার করণীয় কি?

    (ক) দলিলের নকল দাখিল (খ) দলিলের তালিকা দাখিল (গ) দলিলের তালিকাসহ দখলকারীর নাম দাখিল (ঘ) কিছু করণীয় নাই

    উত্তর: (গ) দলিলের তালিকাসহ দখলকারীর নাম দাখিল

    ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৭ বিধি ১৪ অনুসারে বাদীর দখলে না থাকা দলিলের তালিকা এবং সেগুলো কার দখলে আছে তার নাম দাখিল করতে হবে।

    ৪৫. দেওয়ানি মামলার আরজিতে উত্থাপিত বক্তব্য নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করা হলে তার ফল হবে-

    (ক) উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য (খ) তদবিষয়ে পান্টা সাক্ষ্য দেয়া যাবে (গ) তা অস্বীকৃত বলে গণ্য (ঘ) তা প্রমাণিত বলে গণ্য

    উত্তর: (ক) উক্ত বক্তব্য স্বীকৃত বলে গণ্য

    ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৮ বিধি ৫ অনুসারে, জবাবে আরজির কোনো বক্তব্য সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার না করা হলে তা স্বীকৃত বলে গণ্য হবে।

    ৪৬. কোনটি রায়ের পূর্বে ক্রোকযোগ্য নয়?

    (ক) জমি (খ) কোম্পানীর শেয়ার (গ) ব্যাংকের টাকা (ঘ) জমির ফসল

    উত্তর: (ঘ) জমির ফসল

    ব্যাখ্যা: CPC অনুসারে রায়ের পূর্বে ক্রোক (Attachment before judgment) এর ক্ষেত্রে জমির দাঁড়ানো ফসল সাধারণত ক্রোকযোগ্য নয়।

    ৪৭. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে কি হতে পারে?

    (ক) ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড (খ) জরিমানা (গ) দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা (ঘ) কোনটিই না

    উত্তর: (গ) দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস আটকাবস্থা

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর আদেশ ৩৯ বিধি ২(৩) অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের ক্ষেত্রে দেওয়ানি কারাগারে ৬ মাস পর্যন্ত আটকাবস্থা হতে পারে।

    ৪৮. ভুল আদালতে দেওয়ানি মামলা দায়েরের ফল কি?

    (ক) মামলা খারিজ (খ) আরজি ফেরৎ (গ) আরজি নাকচ (ঘ) সঠিক আদালতে মামলা স্থানান্তর

    উত্তর: (খ) আরজি ফেরৎ

    ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৭ বিধি ১০ অনুসারে, এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করা হলে আরজি ফেরৎ (Return of plaint) দেওয়া হয়, যাতে যথাযথ আদালতে দাখিল করা যায়।

    ৪৯. সহকারী জজ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?

    (ক) আপিল (খ) রিভিশন (গ) রিট মামলা (ঘ) কোনটিই নয়

    উত্তর: (ক) আপিল

    ব্যাখ্যা: CPC এর আদেশ ৪৩ বিধি ১ অনুসারে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।

    ৫০. দেওয়ানি কার্যবিধির কত ধারায় দেওয়ানি মামলা বিষয়ে সাধারণ এখতিয়ারের দেয়া হয়েছে?

    (ক) ২ ধারা (খ) ৯ ধারা (গ) ১১ ধারা (ঘ) ১৫১ ধারা

    উত্তর: (খ) ৯ ধারা

    ব্যাখ্যা: CPC, ১৯০৮ এর ৯ ধারায় দেওয়ানি প্রকৃতির সকল মামলার বিচারের সাধারণ এখতিয়ার দেওয়ানি আদালতকে দেওয়া হয়েছে।

    ৫১. সাক্ষ্য আইন অনুসারে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের স্বপাদন ও বিষয়বস্তু আদালত সঠিক মনে করবে, যদি দলিলটি-

    (ক) রেজিস্ট্রিকৃত হয় (খ) সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে (গ) গণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট হয় (ঘ) স্ট্যাম্পযুক্ত হয়

    উত্তর: (খ) সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুসারে ৩০ বছরের পুরানো দলিল যথাযথ হেফাজত (Proper custody) থেকে আসলে তার স্বপাদন প্রমাণের প্রয়োজন হয় না।

    ৫২. কোন সাক্ষ্য সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়?

    (ক) দেখার ভিত্তিতে প্রদত্ত সাক্ষ্য (খ) অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য (গ) অবস্থাগত সাক্ষ্য (ঘ) গৌণ সাক্ষ্য

    উত্তর: (খ) অন্যের নিকট শোনা ভিত্তিক সাক্ষ্য

    ব্যাখ্যা: সাক্ষ্য আইনে Hearsay evidence বা শ্রুতি সাক্ষ্য সাধারণত গ্রহণযোগ্য নয়, তবে কিছু ব্যতিক্রম আছে (যেমন ৩২ ধারায় মৃত্যুকালীন ঘোষণা)।

    ৫৩. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন প্রণীত হয় কত সালে?

    (ক) ১৮৭১ (খ) ১৮৭৭ (গ) ১৮৭০ (ঘ) ১৮৮৭

    উত্তর: (খ) ১৮৭৭

    ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act) ১৮৭৭ সালে প্রণীত হয়।

    ৫৪. দণ্ডবিধি (Penal Code) প্রণীত হয় কত সালে?

    (ক) ১৮৯৮ (খ) ১৮৬০ (গ) ১৮৭০ (ঘ) ১৮৮০

    উত্তর: (খ) ১৮৬০

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধি (Penal Code) ১৮৬০ সালে প্রণীত হয়। এটি বাংলাদেশের প্রধান ফৌজদারি আইন।

    ৫৫. দণ্ডবিধি কোন ধরনের আইন?

    (ক) Substantive Law (খ) সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষাকারী আইন (গ) সংস্কারমূলক আইন (ঘ) পদ্ধতি বিষয়ক আইন

    উত্তর: (ক) Substantive Law

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধি একটি Substantive Law (মূল আইন) যা অপরাধ সংজ্ঞায়িত করে এবং শাস্তি নির্ধারণ করে।

    ৫৬. দণ্ডবিধির কোন ধারার অভিন্ন ইচ্ছা (Common intention) জনিত দায় সম্পর্কে বিধান আছে?

    (ক) ১০৯ (খ) ১৪১ (গ) ১৪৯ (ঘ) ৩৪

    উত্তর: (ঘ) ৩৪

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় Common intention (অভিন্ন ইচ্ছা) জনিত দায় সম্পর্কে বিধান আছে। একাধিক ব্যক্তি অভিন্ন ইচ্ছায় কোনো অপরাধমূলক কাজ করলে প্রত্যেকে দায়ী হবে।

    ৫৭. দণ্ডবিধি অনুসারে কত বছরের কম বয়স্ক শিশুর কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে না?

    (ক) ৭ বছর (খ) ৮ বছর (গ) ৯ বছর (ঘ) ১২ বছর

    উত্তর: (গ) ৯ বছর

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৮২ ধারা অনুসারে ৯ বছরের কম বয়সী শিশুর কোনো কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না (Doli incapax)।

    ৫৮. নিম্নবর্ণিত অতিব্যক্তিগুলির মধ্যে কোনটি দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত আছে এবং তা mens rea কে নির্দেশ করে?

    (ক) Guilty mind (খ) Criminal mind (গ) Good faith (ঘ) Dishonestly

    উত্তর: (ক) Guilty mind

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধিতে Mens rea (অপরাধমূলক মানসিকতা) ধারণাটি Guilty mind হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    ৫৯. দণ্ডবিধি অনুযায়ী আত্মরক্ষামূলক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীর মৃত্যু ঘটানো যায় কোন ক্ষেত্রে?

    (ক) মানহানি (খ) রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ (গ) আঘাত (ঘ) রাষ্ট্রদ্রোহিতা

    উত্তর: (খ) রাতের বেলায় ঘর ভেঙ্গে অনুপ্রবেশ

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী রাতের বেলায় ঘরে ভাঙচুর করে অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে সম্পত্তির ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকারে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যেতে পারে।

    ৬০. দণ্ডবিধি অনুযায়ী বেআইনী সমাবেশ (Unlawful Assembly) গঠনের জন্য কমপক্ষে কতজন ব্যক্তির উপস্থিতি প্রয়োজন?

    (ক) ৩ জন (খ) ৪ জন (গ) ৫ জন (ঘ) ৬ জন

    উত্তর: (গ) ৫ জন

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুসারে কমপক্ষে ৫ জন ব্যক্তির সমাবেশ বেআইনী সমাবেশ (Unlawful Assembly) গঠন করতে পারে।

    ৬১. কমপক্ষে কত জন ব্যক্তির অংশগ্রহণে দণ্ডবিধি অনুযায়ী ডাকাতি সংঘটিত হয়?

    (ক) ৩ জন (খ) ৪ জন (গ) ৫ জন (ঘ) ৭ জন

    উত্তর: (গ) ৫ জন

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুসারে কমপক্ষে ৫ জন ব্যক্তি মিলে দস্যুতা (Robbery) করলে তা ডাকাতি (Dacoity) হিসেবে গণ্য।

    ৬২. 'ক' এর প্রোচনায় সরকারি কর্মচারী 'খ' তার জিম্মায় থাকা সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছে। 'ক' এর কি শাস্তি হতে পারে?

    (ক) কোন শাস্তি হবে না (খ) 'খ' এর সমান শাস্তি (গ) 'খ' এর অর্ধেক শাস্তি (ঘ) 'খ' এর দ্বিগুণ শাস্তি

    উত্তর: (খ) 'খ' এর সমান শাস্তি

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা অনুসারে প্ররোচনাকারী (Abettor) মূল অপরাধীর সমান শাস্তি পাবে।

    ৬৩. দণ্ডবিধি অনুসারে কোনটি গুরুতর আঘাত?

    (ক) পায়ে রক্তাক্ত জখম (খ) হাতে জখম (গ) পিঠে স্থায়ী ক্ষত (ঘ) দাত ভেঙ্গে ফেলা

    উত্তর: (ঘ) দাত ভেঙ্গে ফেলা

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় গুরুতর আঘাতের (Grievous hurt) সংজ্ঞায় দাঁত ভেঙ্গে যাওয়া অন্তর্ভুক্ত।

    ৬৪. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-

    (ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (খ) ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (গ) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ঘ) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

    উত্তর: (ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) এর ১০৭-১১০ ধারা অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সদাচরণের মুচলেকা (Bond for good behaviour) দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন।

    ৬৫. কোন ক্ষেত্রে চুরির অপরাধ সম্ভব নয়?

    (ক) নগদ টাকা (খ) আসবাবপত্র (গ) জমি (ঘ) অলংকার

    উত্তর: (গ) জমি

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী চুরি হলো অস্থাবর সম্পত্তি অসৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া। জমি স্থাবর সম্পত্তি হওয়ায় চুরি হতে পারে না।

    ৬৬. প্রতারণা (Cheating) এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় আছে?

    (ক) ৪২০ ধারা (খ) ৪১৬ ধারা (গ) ৪১৫ ধারা (ঘ) ৪০৬ ধারা

    উত্তর: (গ) ৪১৫ ধারা

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় প্রতারণার (Cheating) সংজ্ঞা দেওয়া আছে। ৪২০ ধারায় প্রতারণার শাস্তির বিধান আছে।

    ৬৭. দোকান থেকে ঘড়ি চুরির জন্য সর্বোচ্চ কোন মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?

    (ক) ৬ মাস (খ) ১ বছর (গ) ৩ বছর (ঘ) ৫ বছর

    উত্তর: (গ) ৩ বছর

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা অনুসারে সাধারণ চুরির সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়।

    ৬৮. দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হবে না?

    (ক) ৩০২ ধারা (খ) ৩০৩ ধারা (গ) ৩০৪ ধারা (ঘ) ৩৯৬ ধারা

    উত্তর: (গ) ৩০৪ ধারা

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অপরাধমূলক নরহত্যার (Culpable homicide not amounting to murder) শাস্তি যাবজ্জীবন বা দশ বছর কারাদণ্ড, মৃত্যুদণ্ড নয়।

    ৬৯. 'ক' থানায় অভিযোগ করে যে, তার ভাই 'খ' একটি সাদা কাগজে তাদের পিতার সই নকল করেছে। দণ্ডবিধি অনুসারে এটা কোন অপরাধ?

    (ক) জালিয়াতি (খ) অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ (গ) প্রতারণা (ঘ) কোনটিই নয়

    উত্তর: (ক) জালিয়াতি

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা অনুসারে মিথ্যা দলিল তৈরি করাকে জালিয়াতি (Forgery) বলে।

    ৭০. দণ্ডবিধি অনুসারে Kidnapping কত প্রকার?

    (ক) ২ প্রকার (খ) ৩ প্রকার (গ) ৪ প্রকার (ঘ) ৫ প্রকার

    উত্তর: (ক) ২ প্রকার

    ব্যাখ্যা: দণ্ডবিধির ৩৫৯ ধারা অনুসারে Kidnapping দুই প্রকার — বাংলাদেশ থেকে অপহরণ (Section 360) এবং আইনসঙ্গত অভিভাবকত্ব থেকে অপহরণ (Section 361)।

    ৭১. ফৌজদারি কার্যবিধিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পর্কিত বিধান কোন সনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?

    (ক) ১৮৯৮ সনে (খ) ১৯৯৯ সনে (গ) ২০০৭ সনে (ঘ) ২০০৮ সনে

    উত্তর: (গ) ২০০৭ সনে

    ব্যাখ্যা: ২০০৭ সালে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিধান অন্তর্ভুক্ত হয়।

    ৭২. ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটগণকে প্রধানতঃ কত প্রকারে ভাগ করা হয়েছে?

    (ক) ৪ প্রকার (খ) ২ প্রকার (গ) ৩ প্রকার (ঘ) ৬ প্রকার

    উত্তর: (খ) ২ প্রকার

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট প্রধানত দুই প্রকার — জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

    ৭৩. একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারেন?

    (ক) ৫০০০ টাকা (খ) ৩০০০ টাকা (গ) ১০,০০০ টাকা (ঘ) ২০০০ টাকা

    উত্তর: (গ) ১০,০০০ টাকা

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করতে পারেন।

    ৭৪. যুগ্ম দায়রা জজ ৭ বছরের কারাদণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোন আদালতে আপিল করতে হবে?

    (ক) দায়রা জজ (খ) স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল (গ) হাইকোর্ট বিভাগ (ঘ) স্পেশাল জজ

    উত্তর: (গ) হাইকোর্ট বিভাগ

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১০ ধারা অনুসারে দায়রা আদালতের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হয়।

    ৭৫. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে কোন আদালতে?

    (ক) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (খ) দায়রা জজ (গ) অতিরিক্ত দায়রা জজ (ঘ) হাইকোর্ট বিভাগ

    উত্তর: (খ) দায়রা জজ

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়রা জজের আদালতে দায়ের করতে হয়।

    ৭৬. কোনটি পদ্ধতি বিষয়ক আইন নয়?

    (ক) দেওয়ানি কার্যবিধি (খ) সাক্ষ্য আইন (গ) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (ঘ) তামাদি আইন

    উত্তর: (গ) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার

    ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন একটি Substantive Law (মূল আইন)। অন্য তিনটি পদ্ধতিগত (Procedural) আইন।

    ৭৭. ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারার মামলা নিম্নোক্ত কোন আদালতের আদি এখতিয়ারভুক্ত?

    (ক) মুখ্য মহানগর হাকিম (খ) দায়রা জজ (গ) ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (ঘ) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

    উত্তর: (ঘ) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারায় শান্তি রক্ষার মুচলেকার মামলায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদি এখতিয়ার আছে।

    ৭৮. আপিল বিভাগে মাসদার হোসেন মামলার রায় ঘোষিত হয় কোন সনে?

    (ক) ১৯৯৯ (খ) ২০০০ (গ) ২০০১ (ঘ) ২০০৭

    উত্তর: (ক) ১৯৯৯

    ব্যাখ্যা: সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয় বনাম মাসদার হোসেন মামলার রায় ১৯৯৯ সালে আপিল বিভাগে ঘোষিত হয়, যা বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের ভিত্তি স্থাপন করে।

    ৭৯. নিম্নোক্ত কোন পরিস্থিতি থেকে শাস্তি ভঙ্গের আশংকা থাকলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে?

    (ক) গণ উৎপাত (খ) শ্রমিক অসন্তোষ (গ) জমির দখলজনিত বিরোধ (ঘ) পরীক্ষা কেন্দ্রে অসদুপায়

    উত্তর: (গ) জমির দখলজনিত বিরোধ

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় জমি বা পানি সংক্রান্ত বিবাদের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট দখল নির্ধারণ করতে পারেন।

    ৮০. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ সাধারণতঃ সর্বোচ্চ কত দিন বলবৎ থাকে?

    (ক) ৬ মাস (খ) ১ বৎসর (গ) ২ মাস (ঘ) ৩০ দিন

    উত্তর: (গ) ২ মাস

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪(৬) ধারা অনুসারে ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে।

    ৮১. ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিধানবলে পুলিশ গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়া কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?

    (ক) ১৫৪ ধারা (খ) ৫৪ ধারা (গ) ১৬০ ধারা (ঘ) ১৬৭ ধারা

    উত্তর: (খ) ৫৪ ধারা

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ পরোয়ানা ছাড়াই (Without warrant) গ্রেফতার করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

    ৮২. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দের আগে কত ঘন্টা পর্যন্ত পুলিশের হেফাজতে রাখা যায়?

    (ক) ৪৮ ঘন্টা (খ) ৭২ ঘন্টা (গ) ২৪ ঘন্টা (ঘ) ৩০ ঘন্টা

    উত্তর: (গ) ২৪ ঘন্টা

    ব্যাখ্যা: সংবিধানের ৩৩(২) অনুচ্ছেদ এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা অনুসারে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে (যাতায়াতের সময় ব্যতীত) নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।

    ৮৩. FIR এর পূর্ণাঙ্গ শব্দরূপ কোনটি?

    (ক) Final Investigation Report (খ) Final Inquest Report (গ) First Inspection Report (ঘ) First Information Report

    উত্তর: (ঘ) First Information Report

    ব্যাখ্যা: FIR এর পূর্ণরূপ হলো First Information Report। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় এর বিধান আছে।

    ৮৪. পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-

    (ক) রিলিজ রিপোর্ট (খ) চার্জ শীট (গ) ফাইনাল রিপোর্ট (ঘ) ডিসচার্জ রিপোর্ট

    উত্তর: (গ) ফাইনাল রিপোর্ট

    ব্যাখ্যা: তদন্তে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়া গেলে পুলিশ ফাইনাল রিপোর্ট (Final Report / FR) দাখিল করে।

    ৮৫. নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যবিধির কোন ধারায় রেকর্ড করেন?

    (ক) ১৯০ ধারা (খ) ২০০ ধারা (গ) ২০১ ধারা (ঘ) ২০২ ধারা

    উত্তর: (খ) ২০০ ধারা

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারায় নালিশদারের নালিশ গ্রহণ ও পরীক্ষা করার বিধান আছে।

    ৮৬. নালিশী মামলায় সমন ইস্যুর পর অভিযোগকারী নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না থাকলে আদালত কি আদেশ দিতে পারে?

    (ক) ওয়ারেন্ট জারি (খ) মামলা খারিজ (গ) আসামী খালাস (ঘ) আসামী ডিসচার্জ

    উত্তর: (গ) আসামী খালাস

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৯ ধারা অনুসারে নালিশকারী হাজির না হলে আদালত আসামীকে খালাস (Acquittal) দিতে পারেন।

    ৮৭. ফৌজদারি মামলায় আসামি কোন পর্যায়ে ডিসচার্জের আবেদন করতে পারে?

    (ক) অপরাধ আমলে নেয়ার তারিখে (খ) চার্জ গঠনের সময় (গ) চার্জ গঠনের পরে (ঘ) সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে

    উত্তর: (খ) চার্জ গঠনের সময়

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১-ক ধারা অনুসারে চার্জ গঠনের সময় আসামী ডিসচার্জের আবেদন করতে পারে।

    ৮৮. ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব কার?

    (ক) বাদীর (খ) সরকারি উকিলের (গ) কোর্টের (ঘ) পুলিশের

    উত্তর: (গ) কোর্টের

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে চার্জ গঠনের দায়িত্ব আদালতের (Court)।

    ৮৯. ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে অপরাধ সংক্রান্ত কোন তথ্যটি উল্লেখের প্রয়োজন নাই?

    (ক) সময় (খ) স্থান (গ) আইন (ঘ) শাস্তি

    উত্তর: (ঘ) শাস্তি

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারা অনুসারে চার্জে অপরাধের সময়, স্থান ও আইন উল্লেখ করতে হয়। শাস্তি উল্লেখের প্রয়োজন নেই।

    ৯০. জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামীর জামিন প্রাপ্তির সুযোগটি-

    (ক) মৌলিক অধিকার (খ) সাংবিধানিক অধিকার (গ) নাগরিক অধিকার (ঘ) আইনগত অধিকার

    উত্তর: (ঘ) আইনগত অধিকার

    ব্যাখ্যা: জামিনযোগ্য অপরাধে আসামীর জামিন পাওয়া আইনগত অধিকার (Legal right)। আদালত জামিন দিতে বাধ্য।

    ৯১. অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাবলে আসামির কোন অব্যাহতি বিবেচনায় আদালত জামিন দিতে পারে?

    (ক) আর্থিক অভাব (খ) শিক্ষাগত যোগ্যতা (গ) নিকটাত্মীয়ের অসুস্থতা (ঘ) শারীরিক অক্ষমতা

    উত্তর: (ঘ) শারীরিক অক্ষমতা

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারা অনুসারে অজামিনযোগ্য অপরাধে আসামী অসুস্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম হলে আদালত জামিন বিবেচনা করতে পারেন।

    ৯২. দায়রা জজ প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করার পূর্বে অনুমোদন প্রয়োজন হয়-

    (ক) রাষ্ট্রপতির (খ) হাইকোর্ট বিভাগের (গ) আপিল বিভাগের (ঘ) প্রধানমন্ত্রীর

    উত্তর: (খ) হাইকোর্ট বিভাগের

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুসারে দায়রা আদালতের মৃত্যুদণ্ডাদেশ হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন (Confirmation) ছাড়া কার্যকর করা যায় না।

    ৯৩. বাংলাদেশের বার কাউন্সিল প্রতিষ্ঠাকারী আইন একটি-

    (ক) President's Order (খ) Ordinance (গ) Act (ঘ) Rules

    উত্তর: (ক) President's Order

    ব্যাখ্যা: Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 একটি President's Order (রাষ্ট্রপতির আদেশ) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।

    ৯৪. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল গঠনের জন্য ক্রুপ ভিত্তিতে নির্বাচনযোগ্য সদস্য সংখ্যা কত?

    (ক) ৭ (খ) ৮ (গ) ৯ (ঘ) ১৫

    উত্তর: (ক) ৭

    ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল অর্ডার অনুসারে ক্রুপ ভিত্তিতে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৭ জন।

    ৯৫. একটি জেলায় এক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে অন্য জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা স্থানান্তর করতে পারেন-

    (ক) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (খ) চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (গ) ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (ঘ) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

    উত্তর: (ক) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯২ ধারা অনুসারে একই জেলায় মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের।

    ৯৬. ১৫ বছরের একটি ছেলের সম্মতিতে তার পড়াশোনার জন্য তাকে 'ক' বিদেশে নিয়ে যায়। দণ্ডবিধি অনুসারে 'ক' কত কোন অপরাধ করেছে?

    (ক) অপহরণ (খ) শিশু পাচার (গ) মানব পাচার (ঘ) "বাতিল করা হয়েছে"

    উত্তর: (ক) "বাতিল করা হয়েছে"

    ব্যাখ্যা: এই প্রশ্নটি বিতর্কিত ছিল এবং পরবর্তীতে বাতিল করা হয়েছে।

    ৯৭. অ্যাডভোকেট সনদের জন্য আবেদনকারীর Pupilage Diary তে অন্যূন কয়টি দেওয়ানি মামলার নোট থাকতে হবে-

    (ক) ১০টি (খ) ৫টি (গ) ৬টি (ঘ) ১২টি

    উত্তর: (খ) ৫টি

    ব্যাখ্যা: বার কাউন্সিল বিধি অনুসারে Pupilage Diary-তে ন্যূনতম ৫টি দেওয়ানি মামলার নোট থাকতে হবে।

    ৯৮. ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-

    (ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (খ) ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট (গ) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ঘ) চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

    উত্তর: (ক) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ১১০ ধারা অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সদাচরণের মুচলেকা দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন।

    ৯৯. দায়রা আদালতে কয়টি তত্ত্বের বিচারক থাকতে পারে?

    (ক) ২টি (খ) ৩টি (গ) ৪টি (ঘ) ৫টি

    উত্তর: (খ) ৩টি

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে দায়রা আদালতে সাধারণত ৩ জন বিচারক থাকতে পারেন — দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ।

    ১০০. দায়রা জজ প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করার পূর্বে অনুমোদন প্রয়োজন হয়-

    (ক) রাষ্ট্রপতির (খ) হাইকোর্ট বিভাগের (গ) আপিল বিভাগ (ঘ) প্রধানমন্ত্রীর

    উত্তর: (খ) হাইকোর্ট বিভাগের

    ব্যাখ্যা: ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুসারে দায়রা আদালতের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করার পূর্বে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন (Confirmation) প্রয়োজন।