তামাদি আইন, ১৯০৮ (The Limitation Act, 1908)
তামাদি আইন মামলা, আপিল ও দরখাস্ত দায়েরের সময়সীমা নির্ধারণ করে — একটি অধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিকার না চাইলে সেই অধিকার আদালতে প্রয়োগযোগ্য থাকে না। এই আইনের মূল অংশে ৩২টি ধারা এবং প্রথম তফসিলে বিভিন্ন ধরনের মামলা-আপিল-দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদি মেয়াদের একটি বিস্তারিত তালিকা রয়েছে। তামাদি আইন সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে প্রণীত হয়, পরবর্তীতে সংশোধিত রূপে বর্তমান আইন কার্যকর হয়।
বার কাউন্সিল পরীক্ষায় তামাদি আইন থেকে ব্যাপক প্রশ্ন আসে — বিশেষত নির্দিষ্ট মামলার তামাদি মেয়াদ, বিলম্ব মওকুফের সুযোগ, বৈধ অপারগতা এবং তামাদি গণনার নিয়মকানুন থেকে।
পরীক্ষায় এই অধ্যায়ের গুরুত্ব
বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ: তামাদির মূলনীতি (৩ ধারা — মামলা খারিজ, তামাদি উত্থাপিত না হলেও), বিলম্ব মওকুফের প্রযোজ্যতা শুধু আপিল-রিভিশন-রিভিউ-দরখাস্তে (৫ ধারা, মূল মামলায় নয়), বৈধ অপারগতার সুবিধা (৬-৮ ধারা), তামাদি গণনায় বাদযোগ্য সময় (১২-১৪ ধারা), এবং প্রথম তফসিলের নির্দিষ্ট মামলার তামাদি মেয়াদ (যেমন স্বত্ব ঘোষণা ৬ বছর, দলিল বাতিল ৩ বছর, চুক্তি বলবৎকরণ ৩ বছর)। সংখ্যাগুলো নিখুঁতভাবে মনে রাখাই মূল কৌশল।
প্রশ্নের ধরন — সম্পূর্ণ মানচিত্র
| যেখান থেকে প্রশ্ন আসে | যা জানতে হয় | উদাহরণ |
|---|---|---|
| ধারা সরাসরি | কোন ধারায় কোন বিষয় | বৈধ অপারগতা — ৬ ধারা |
| নির্দিষ্ট মেয়াদ | কোন মামলার তামাদি কত | স্বত্ব ঘোষণা — ৬ বছর |
| দৃষ্টান্তভিত্তিক | একটি ঘটনা দিয়ে তামাদি গণনা | নাবালক X-এর তামাদি কত সালে শেষ হবে? |
| পার্থক্যমূলক | কাছাকাছি দুটি বিধানের পার্থক্য | বিলম্ব মওকুফ কোথায় প্রযোজ্য, কোথায় নয়? |
পড়ার কৌশল
- প্রথমে তামাদির মূলনীতি (মেয়াদ শেষে মামলা খারিজ) এবং তা কার্যকর হওয়ার শর্ত ভালোভাবে বুঝুন — বাকি সবকিছু এর ব্যতিক্রম বা প্রয়োগ পদ্ধতি মাত্র।
- ৫ ধারা (বিলম্ব মওকুফ) শুধু আপিল-রিভিশন-রিভিউ-দরখাস্তে প্রযোজ্য, মূল মামলায় নয় — এই সীমাবদ্ধতা বারবার পরীক্ষায় আসে।
- প্রথম তফসিলের গুরুত্বপূর্ণ মেয়াদগুলো একটি টেবিলে সাজিয়ে তুলনামূলকভাবে মুখস্থ করুন — সংখ্যাগুলো গুলিয়ে ফেলা সবচেয়ে সাধারণ ভুল।
তামাদির মূলনীতি ও পরিণতি (ধারা ৩)
তামাদির বাধা (৩ ধারা): তামাদি আইনের কেন্দ্রীয় বিধান হলো — প্রথম তফসিলে নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমা, আপিল বা দরখাস্ত আদালত খারিজ করে দেবেন, এমনকি বিবাদী পক্ষ তামাদির আপত্তি সরাসরি উত্থাপন না করলেও। এটি আদালতের একটি স্বতঃস্ফূর্ত দায়িত্ব (Mandatory Duty) — আদালত নিজে থেকেই তামাদি পরীক্ষা করে দেখবেন।
কেন তামাদির প্রয়োজন: দীর্ঘদিন পর দাবি উত্থাপিত হলে প্রমাণ সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়ে এবং সমাজে আইনি অনিশ্চয়তা তৈরি হয় — তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অধিকার প্রয়োগ না করলে তা আর আদালতে বলবৎযোগ্য থাকে না, যদিও মূল অধিকার (যেমন সম্পত্তির স্বত্ব, নির্দিষ্ট ব্যতিক্রম ব্যতীত) সবসময় বিলুপ্ত হয় না, শুধু প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
বিলম্ব মওকুফ (ধারা ৫)
পর্যাপ্ত কারণে বিলম্ব মওকুফ (৫ ধারা): নির্দিষ্ট তামাদি মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যদি দরখাস্তকারী আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারেন যে বিলম্বের পেছনে "পর্যাপ্ত কারণ" (Sufficient Cause) ছিল, তবে আদালত বিলম্ব মওকুফ করে আবেদন গ্রহণ করতে পারেন। তবে এই সুবিধা সীমিত পরিসরে প্রযোজ্য — শুধু আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত, রিভিউ, রিভিশন ও অন্যান্য দরখাস্তের ক্ষেত্রে; মূল মামলা (Suit) দায়েরের ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যায় না।
বিলম্ব মওকুফ কোথায় পাওয়া যায়, কোথায় নয়?
- প্রশ্ন করুন: এটি কি একটি মূল মামলা (Suit), নাকি আপিল/রিভিশন/রিভিউ/দরখাস্ত?
- মূল মামলা হলে — ৫ ধারার সুবিধা পাওয়া যাবে না, তামাদি উত্তীর্ণ হলে মামলা খারিজ হবেই।
- আপিল/রিভিশন/রিভিউ/দরখাস্ত হলে — পর্যাপ্ত কারণ দেখাতে পারলে বিলম্ব মওকুফযোগ্য।
- এই পার্থক্যটিই ৫ ধারা সংক্রান্ত অধিকাংশ প্রশ্নের মূল ভিত্তি।
বৈধ অপারগতা — Legal Disability (ধারা ৬-৮)
বৈধ অপারগতা (৬ ধারা): মামলা করার অধিকার সৃষ্টি হওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি নাবালক, মানসিক অসুস্থ বা প্রতিবন্ধী হন, তবে সেই অপারগতা দূর হওয়ার পর থেকেই তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় — অপারগতা অবস্থায় অতিবাহিত সময় গণনায় ধরা হয় না।
একাধিক অপারগতা (৭ ধারা): একাধিক অপারগতা একসাথে থাকলে (যেমন নাবালক ও মানসিক অসুস্থ), সবগুলো অপারগতা দূর না হওয়া পর্যন্ত তামাদি গণনা শুরু হয় না। অতিরিক্ত সময়ের সীমা (৮ ধারা): অপারগতা দূর হওয়ার পর সর্বোচ্চ তিন বছর অতিরিক্ত সময় পাওয়া যায়, তবে এই অতিরিক্ত সময় মূল তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদের বেশি প্রসারিত করে না। বৈধ অপারগতার সুবিধা অগ্রক্রয় (Pre-emption) মামলায় প্রযোজ্য নয় — এই ব্যতিক্রমটি প্রায়ই প্রশ্নে আসে।
তামাদি গণনায় সময় বাদ দেওয়া (ধারা ১২-১৪)
মামলা পরিচালনার জন্য ব্যয়িত সময় বাদ (১২ ধারা): তামাদি মেয়াদ গণনার সময় আপিল বা রিভিশন দায়েরের জন্য প্রয়োজনীয় রায়-ডিক্রির নকল সংগ্রহে ব্যয়িত সময় হিসাবের বাইরে রাখা হয় — অর্থাৎ এই সময়টুকু তামাদি মেয়াদ থেকে বাদ দিয়ে বাকি সময় গণনা করা হয়।
সদ্বিশ্বাসে ভুল আদালতে মামলা (১৪ ধারা): কোনো পক্ষ যদি সরল বিশ্বাসে (Good Faith) ভুল আদালতে মামলা/আপিল/দরখাস্ত দায়ের করেন এবং পরে সেই আদালত এখতিয়ারের অভাবে তা বাতিল করে দেন, তবে ভুল আদালতে মামলা পরিচালনায় ব্যয়িত সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ যাবে। এই ধারা মূল মামলা (Suit)-এর ক্ষেত্রেই মূলত প্রযোজ্য।
স্বীকৃতি ও নতুন প্রতিশ্রুতি (ধারা ১৮-১৯)
দায় স্বীকৃতির প্রভাব (১৯ ধারা): তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে দেনাদার যদি লিখিতভাবে ও স্বাক্ষরসহ তার দায় স্বীকার করেন, তবে সেই স্বীকৃতির তারিখ থেকে নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়। প্রতারণামূলক দলিলের ক্ষেত্রে গণনা: কোনো প্রতারণামূলক দলিল সৃজনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তামাদি গণনা শুরু হয় বাদী প্রতারণার বিষয়ে অবগত হওয়ার তারিখ থেকে, দলিল সৃষ্টির তারিখ থেকে নয়।
প্রথম তফসিলের গুরুত্বপূর্ণ তামাদি মেয়াদ
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে প্রতিটি ধরনের মামলা, আপিল ও দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদি মেয়াদ ও তার গণনা শুরুর তারিখ উল্লেখ আছে। নিচে বার কাউন্সিল পরীক্ষায় ঘন ঘন আসা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মেয়াদ দেওয়া হলো।
| মামলা/আবেদনের ধরন | তামাদি মেয়াদ |
|---|---|
| স্বত্ব ঘোষণা (Declaration) | ৬ বছর |
| দলিল বাতিল (Cancellation of Document) | ৩ বছর |
| চুক্তি বলবৎকরণ (Specific Performance, ১১৩ অনুচ্ছেদ) | ৩ বছর |
| পাওনা অর্থ আদায় (Money Suit) | ৩ বছর |
| দেওয়ানি ডিক্রি জারি (Execution) | ৩ বছর |
| নির্দিষ্ট বিধান না থাকলে সাধারণ মেয়াদ | ৬ বছর |
| Malicious Prosecution-এ ক্ষতিপূরণ | ১ বছর |
| খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল (CrPC) | ৬ মাস |
| দখল পুনরুদ্ধার (Specific Relief Act ৯ ধারা) | ৬ মাস (বেদখলের তারিখ থেকে) |
| না-চলানো আপিল পুনরায় গ্রহণের দরখাস্ত | ৩০ দিন |
| সরকারের সম্পত্তি দখল উদ্ধার | ৬০ বছর |
প্রতিকূল দখল ও অধিকার বিলুপ্তি (ধারা ২৬-২৮)
সুখাধিকার অর্জন (Easement, ২৬ ধারা): নির্দিষ্ট সময় ধরে বাধাহীনভাবে ও প্রকাশ্যে কোনো সুবিধা (যেমন পথাধিকার) ভোগ করলে তা সুখাধিকার হিসেবে আইনগত স্বীকৃতি পেতে পারে। অধিকার বিলুপ্তি (২৮ ধারা): স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দিষ্ট তামাদি মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের না করলে, শুধু প্রতিকার চাওয়ার অধিকারই নয়, বরং সেই সম্পত্তির উপর প্রকৃত মালিকানার অধিকারও সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত (Extinguished) হয়ে যায় — এটি তামাদি আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম, কারণ সাধারণত তামাদি শুধু প্রতিকার বন্ধ করে, মূল অধিকার নয়।
তুলনা ও কমন বিভ্রান্তি
৫ ধারা বনাম ১৪ ধারা
৫ ধারা (বিলম্ব মওকুফ) প্রযোজ্য শুধু আপিল, রিভিশন, রিভিউ ও দরখাস্তে — পর্যাপ্ত কারণ প্রমাণ সাপেক্ষে। ১৪ ধারা (সময় বাদ দেওয়া) প্রযোজ্য মূল মামলাসহ সব ক্ষেত্রে — সদ্বিশ্বাসে ভুল আদালতে মামলা পরিচালনার সময় হিসাবের বাইরে রাখার জন্য।
প্রতিকার বিলুপ্তি বনাম অধিকার বিলুপ্তি
সাধারণত তামাদি মেয়াদ পার হলে শুধু আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ বন্ধ হয় (মূল অধিকার টিকে থাকে); কিন্তু ২৮ ধারা অনুযায়ী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার মামলায় তামাদি পার হলে প্রকৃত মালিকানার অধিকারই সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যায় — এই ব্যতিক্রমটি প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়।
বৈধ অপারগতা প্রযোজ্য বনাম অপ্রযোজ্য ক্ষেত্র
বৈধ অপারগতার (নাবালকত্ব ইত্যাদি) সুবিধা স্বত্ব ঘোষণা, দখল পুনরুদ্ধার, বাটোয়ারা প্রভৃতি সাধারণ মামলায় পাওয়া যায়, কিন্তু অগ্রক্রয় (Pre-emption) মামলায় এই সুবিধা প্রযোজ্য নয়, কারণ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রকৃতিগতভাবেই দ্রুত প্রয়োগযোগ্য হতে হয়।
দ্রুত রিভিশন — গুরুত্বপূর্ণ ধারা এক নজরে
| ধারা | বিষয় |
|---|---|
| ধারা ৩ | তামাদি মেয়াদ শেষে মামলা খারিজ (স্বতঃস্ফূর্ত) |
| ধারা ৫ | বিলম্ব মওকুফ — শুধু আপিল/রিভিশন/রিভিউ/দরখাস্তে |
| ধারা ৬ | বৈধ অপারগতা (Legal Disability) |
| ধারা ৭ | একাধিক অপারগতা একসাথে থাকলে |
| ধারা ৮ | অপারগতা দূরের পর সর্বোচ্চ ৩ বছর অতিরিক্ত সময় |
| ধারা ১২ | নকল সংগ্রহে ব্যয়িত সময় বাদ (Exclusion of Time) |
| ধারা ১৪ | সদ্বিশ্বাসে ভুল আদালতে মামলার সময় বাদ |
| ধারা ১৯ | দায় স্বীকৃতিতে নতুন তামাদি গণনা শুরু |
| ধারা ২৬ | সুখাধিকার (Easement) অর্জন |
| ধারা ২৮ | দখল পুনরুদ্ধারে ব্যর্থতায় মালিকানা বিলুপ্তি |
| অনুচ্ছেদ ৯১ | দলিল বাতিলের মামলা — ৩ বছর |
| অনুচ্ছেদ ১১৩ | চুক্তি বলবৎকরণ — ৩ বছর |
| অনুচ্ছেদ ১২০ | স্বত্ব ঘোষণা — ৬ বছর |
| অনুচ্ছেদ ১৫০ | মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল — ৭ দিন |
বাস্তব পরীক্ষায় আসা প্রশ্ন ও ব্যাখ্যা
নিচে বিভিন্ন বছরের বার কাউন্সিল পরীক্ষায় তামাদি আইন থেকে সরাসরি আসা প্রশ্নগুলো দেওয়া হলো, প্রতিটির বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ।
তামাদি মেয়াদের পরে দেওয়ানি মামলা দায়ের করার ফল কী?
(ক) আরজি নাকচ (খ) আরজি ফেরত (গ) মামলা খারিজ (ঘ) কোর্ট ফি বাতিল
উত্তর: (গ) মামলা খারিজ
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ৩ ধারার মূল বিধান হলো তামাদির মেয়াদ শেষে দায়েরকৃত মোকদ্দমা, আপিল বা দরখাস্ত আদালত খারিজ করে দেবেন, এমনকি বিবাদী পক্ষ তামাদির বিষয়টি উত্থাপন না করলেও।
কোন মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী বিলম্ব মওকুফ হবে না?
(ক) আপিল (খ) রিভিশন (গ) রিভিউ (ঘ) স্বত্ব ঘোষণা
উত্তর: (ঘ) স্বত্ব ঘোষণা
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ৫ ধারায় শুধু আপিল, আপিলের অনুমতির দরখাস্ত, রিভিউ, রিভিশন ও অন্য যেকোনো দরখাস্তের ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফ করা যায় — স্বত্ব ঘোষণা, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের মতো মূল মামলায় এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
মামলা দায়েরের জন্য একজন নাবালক নির্ধারিত তামাদি অতিরিক্ত কত সময় পায়?
(ক) ৩ বছর (খ) ৬ বছর (গ) ২১ বছর বয়স পর্যন্ত (ঘ) সাবালকত্ব অর্জন পর্যন্ত
উত্তর: (ক) ৩ বছর
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী আইনগত অক্ষমতা (নাবালকত্ব) শেষ হওয়ার পর তিন বছর অতিরিক্ত সময় পাওয়া যায়, তবে এই অতিরিক্ত সময় মূল তামাদি মেয়াদের চেয়ে বেশি দীর্ঘায়িত করে না।
কোন কারণে ব্যয়িত সময় আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তামাদি মেয়াদের সাথে যোগ হবে (অর্থাৎ বাদ যাবে)?
(ক) আইনজীবী নিয়োগ (খ) হাজতবাস (গ) অসুস্থতা (ঘ) রায়ের নকল সংগ্রহ
উত্তর: (ঘ) রায়ের নকল সংগ্রহ
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী তামাদি মেয়াদ গণনার সময় রায়-ডিক্রির নকল সংগ্রহে ব্যয়িত সময় বাদ দিতে হয়, অর্থাৎ সেই সময়টুকু হিসাবের বাইরে রেখে বাকি সময়ই তামাদি মেয়াদ হিসেবে গণনা করা হয়।
তামাদি আইন সর্বপ্রথম কোন সালে আইনে পরিণত হয়?
(ক) ১৮৫৯ সালে (খ) ১৮৬২ সালে (গ) ১৮৭১ সালে (ঘ) ১৯০৮ সালে
উত্তর: (ক) ১৮৫৯ সালে
ব্যাখ্যা: তামাদি আইন সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে প্রণীত হয়; পরবর্তীতে সংশোধিত ও সংহত রূপে বর্তমান তামাদি আইন, ১৯০৮ কার্যকর হয়।
নাবালক থাকাবস্থায় মামলা করার অধিকার জন্মালে তামাদি গণনা কখন শুরু হবে?
(ক) নাবালক থাকা অবস্থাতেই (খ) সাবালকত্বের অবসান হবে এমন কথা নেই (গ) নাবালকত্বের অবসান হলে (ঘ) উপরের কোনোটিই নয়
উত্তর: (গ) নাবালকত্বের অবসান হলে
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ৬ ধারা অনুসারে আইনগত অক্ষমতা (নাবালকত্ব) শেষ হওয়ার পর থেকেই তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়, নাবালক থাকাকালীন সময় গণনায় ধরা হয় না।
তামাদি আইনের কত ধারায় 'Easement' (সুখাধিকার) সম্পর্কে বলা হয়েছে?
(ক) ২৮ (খ) ২৭ (গ) ২৬ (ঘ) ২৫
উত্তর: (গ) ২৬
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ২৬ ধারায় সুখাধিকার (Easement) সংক্রান্ত অধিকার অর্জন সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
চুক্তি বলবৎকরণের জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
(ক) ১৩ (খ) ৯৫ (গ) ১১৩ (ঘ) ১১৪
উত্তর: (গ) ১১৩
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১১৩ অনুচ্ছেদে সাধারণ চুক্তি বলবৎকরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ (৩ বছর, চুক্তি ভঙ্গের তারিখ থেকে) বর্ণিত আছে।
তামাদি আইনের কোন ধারায় 'বৈধ অপারগতা' (Legal Disability) বিষয়ে উল্লেখ আছে?
(ক) ৬ ধারা (খ) ৮ ধারা (গ) ৯ ধারা (ঘ) ১০ ধারা
উত্তর: (ক) ৬ ধারা
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের ৬ ধারায় নাবালকত্ব, মানসিক অসুস্থতা প্রভৃতি বৈধ অপারগতা (Legal Disability) সম্পর্কে বিধান রয়েছে, যার ভিত্তিতে অক্ষমতা দূর হওয়ার পর তামাদি গণনা শুরু হয়।
স্বত্ব ঘোষণা সংক্রান্ত মামলা দায়েরের জন্য তামাদির মেয়াদ কত?
(ক) ৩ বছর (খ) ৬ বছর (গ) ১ বছর (ঘ) ১২ বছর
উত্তর: (খ) ৬ বছর
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের প্রথম তফসিল অনুযায়ী স্বত্ব ঘোষণার (Declaration) মামলা দায়েরের সাধারণ তামাদি মেয়াদ ৬ বছর।
অনুশীলনী — ২১টি প্রশ্ন
নিচের প্রশ্নগুলো অনুশীলন করে নিজের প্রস্তুতি যাচাই করুন। প্রতিটি প্রশ্নের সাথে সঠিক উত্তর ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।
১. সাধারণ চুক্তি ভঙ্গজনিত ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের সাধারণ তামাদির মেয়াদ কত?
(ক) ১ বছর (খ) ৩ বছর (গ) ৬ বছর (ঘ) ১২ বছর
সঠিক উত্তর: (খ) ৩ বছর
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের তফসিল অনুযায়ী সাধারণ চুক্তি ভঙ্গের ক্ষতিপূরণ মামলার তামাদির মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর।
২. স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলার (Recovery of Immovable Property) সাধারণ তামাদির মেয়াদ কত?
(ক) ৩ বছর (খ) ৬ বছর (গ) ১২ বছর (ঘ) ৩০ বছর
সঠিক উত্তর: (গ) ১২ বছর
ব্যাখ্যা: স্বত্বের ভিত্তিতে স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলার সাধারণ তামাদির মেয়াদ ১২ বছর।
৩. সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
(ক) ১২ বছর (খ) ৩০ বছর (গ) ৬০ বছর (ঘ) কোনো তামাদি নেই
সঠিক উত্তর: (খ) ৩০ বছর
ব্যাখ্যা: সরকারের স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ ৩০ বছর, যা সাধারণ ব্যক্তির চেয়ে দীর্ঘ।
৪. সাধারণ ঋণ আদায়ের মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
(ক) ১ বছর (খ) ৩ বছর (গ) ৬ বছর (ঘ) ১২ বছর
সঠিক উত্তর: (খ) ৩ বছর
ব্যাখ্যা: সাধারণ ঋণ আদায় বা টাকা পাওনার মামলার তামাদির মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর।
৫. তামাদি আইনের ৫ ধারায় কোন নীতি বর্ণিত আছে?
(ক) যথেষ্ট কারণে বিলম্ব মার্জনা (Condonation of Delay) (খ) রেস জুডিকাটা (গ) এস্টোপেল (ঘ) সীমিত দায়
সঠিক উত্তর: (ক) যথেষ্ট কারণে বিলম্ব মার্জনা (Condonation of Delay)
ব্যাখ্যা: ৫ ধারা অনুযায়ী আপিল বা নির্দিষ্ট দরখাস্তের ক্ষেত্রে যথেষ্ট কারণ প্রদর্শন করলে নির্ধারিত সময়ের পরও তা গ্রহণ করা যায় (Condonation of Delay), তবে মূল মামলার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়।
৬. নাবালকত্বের কারণে তামাদি গণনায় বিশেষ সুবিধা সংক্রান্ত বিধান কোন ধারায় আছে?
(ক) ধারা ৬ (খ) ধারা ৭ (গ) ধারা ৮ (ঘ) ধারা ৯
সঠিক উত্তর: (ক) ধারা ৬
ব্যাখ্যা: ৬ ধারা অনুযায়ী নাবালক, উন্মাদ বা মানসিক অসুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ তার অক্ষমতা দূর হওয়ার পর থেকে গণনা শুরু হয়।
৭. তামাদির মেয়াদ চলাকালে বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে কী হয়?
(ক) সেই সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ যায় (খ) তামাদির মেয়াদ বন্ধ হয়ে যায় না (গ) মামলা করাই যাবে না (ঘ) তামাদির মেয়াদ দ্বিগুণ হয়ে যায়
সঠিক উত্তর: (ক) সেই সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ যায়
ব্যাখ্যা: ১৩ ধারা অনুযায়ী বিবাদী বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে সেই সময়টুকু তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
৮. অন্য আদালতে সরল বিশ্বাসে (Good Faith) মামলা চালানোর সময় তামাদি গণনা থেকে বাদ দেওয়া সংক্রান্ত বিধান কোন ধারায় আছে?
(ক) ধারা ১৪ (খ) ধারা ১৫ (গ) ধারা ১৬ (ঘ) ধারা ১৭
সঠিক উত্তর: (ক) ধারা ১৪
ব্যাখ্যা: ১৪ ধারা অনুযায়ী সরল বিশ্বাসে ভুল আদালতে মামলা চালানোর সময় (যদি আদালত এখতিয়ারের অভাবে বা অনুরূপ কারণে মামলা খারিজ করেন) তামাদি গণনা থেকে বাদ দেওয়া হয়।
৯. ঋণ স্বীকৃতির (Acknowledgment of Liability) মাধ্যমে তামাদি নতুনভাবে শুরু হওয়া সংক্রান্ত বিধান কোন ধারায় আছে?
(ক) ধারা ১৮ (খ) ধারা ১৯ (গ) ধারা ২০ (ঘ) ধারা ২১
সঠিক উত্তর: (ক) ধারা ১৮
ব্যাখ্যা: ১৮ ধারা অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে লিখিতভাবে দায় স্বীকার করলে সেই তারিখ থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
১০. আংশিক পরিশোধের (Part Payment) মাধ্যমে তামাদি নতুনভাবে শুরু হওয়া সংক্রান্ত বিধান কোন ধারায় আছে?
(ক) ধারা ১৯ (খ) ধারা ২০ (গ) ধারা ২১ (ঘ) ধারা ২২
সঠিক উত্তর: (ক) ধারা ১৯
ব্যাখ্যা: ১৯ ধারা অনুযায়ী ঋণ বা সুদের আংশিক পরিশোধ লিখিতভাবে স্বীকৃত হলে সেই তারিখ থেকে নতুন তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
১১. ফৌজদারি মামলায় তামাদি আইনের প্রয়োগ সম্পর্কে সাধারণ নিয়ম কী?
(ক) তামাদি আইন সাধারণত ফৌজদারি মামলায় প্রযোজ্য নয়, তবে আপিলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে (খ) সব ফৌজদারি মামলায় ৩ বছরের তামাদি প্রযোজ্য (গ) ফৌজদারি মামলায় কোনো সময়সীমা নেই কখনোই (ঘ) শুধু দেওয়ানি প্রকৃতির অপরাধে প্রযোজ্য
সঠিক উত্তর: (ক) তামাদি আইন সাধারণত ফৌজদারি মামলায় প্রযোজ্য নয়, তবে আপিলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে
ব্যাখ্যা: সাধারণত গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের বিচার শুরুতে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়, তবে আপিল, রিভিশন প্রভৃতি দায়েরের ক্ষেত্রে কার্যবিধিতে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া আছে।
১২. দলিলে বর্ণিত সময়ের হিসাব করার বিধান তামাদি আইনের কোন ধারায় আছে?
(ক) ধারা ২৩ (খ) ধারা ২৪ (গ) ধারা ২৫ (ঘ) ধারা ২৬
সঠিক উত্তর: (গ) ধারা ২৫
ব্যাখ্যা: ২৫ ধারায় দলিলে বর্ণিত সময়ের হিসাব সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।
১৩. তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর দায়েরকৃত মামলার পরিণতি কী?
(ক) মামলাটি খারিজযোগ্য (Time-barred) (খ) মামলাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলবে (গ) শুধু জরিমানা আরোপ হবে (ঘ) আদালতের বিবেচনায় নির্ধারিত হবে সবসময়
সঠিক উত্তর: (ক) মামলাটি খারিজযোগ্য (Time-barred)
ব্যাখ্যা: ৩ ধারা অনুযায়ী তামাদি মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর দায়েরকৃত মামলা আদালত কর্তৃক তামাদিবারিত (Time-barred) হিসেবে খারিজযোগ্য, যদিও পক্ষগণ বিষয়টি উত্থাপন না করে থাকেন।
১৪. তামাদি আইন ন্যায্যতার (Equity) সাথে কীভাবে সম্পর্কিত?
(ক) তামাদি আইন প্রকৃত অধিকার বিচার করে না, শুধু প্রতিকার লাভের সময়সীমা নির্ধারণ করে (খ) তামাদি আইন সবসময় ন্যায্যতা নিশ্চিত করে (গ) তামাদি আইন প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ করে (ঘ) তামাদি আইন ফৌজদারি মামলায় প্রযোজ্য নয় কখনোই
সঠিক উত্তর: (ক) তামাদি আইন প্রকৃত অধিকার বিচার করে না, শুধু প্রতিকার লাভের সময়সীমা নির্ধারণ করে
ব্যাখ্যা: তামাদি আইনের উদ্দেশ্য হলো আইনগত প্রতিকার লাভের একটি যুক্তিসঙ্গত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া, যাতে অনির্দিষ্টকালের অনিশ্চয়তা এড়ানো যায় — এটি প্রকৃত অধিকার নির্ধারণ করে না।
১৫. সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলা দায়েরের সাধারণ তামাদির মেয়াদ কত?
(ক) ১ বছর (খ) ৩ বছর (গ) ৬ বছর (ঘ) ১২ বছর
সঠিক উত্তর: (খ) ৩ বছর
ব্যাখ্যা: চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের মামলার তামাদির মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর, চুক্তি ভঙ্গের তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
১৬. দলিল বাতিলের (Cancellation of Instrument) মামলার তামাদির মেয়াদ কত?
(ক) ১ বছর (খ) ৩ বছর (গ) ৬ বছর (ঘ) ১২ বছর
সঠিক উত্তর: (খ) ৩ বছর
ব্যাখ্যা: দলিল বাতিলের মামলার তামাদির মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর, যখন বাতিলের কারণ জানা যায় তখন থেকে গণনা শুরু।
১৭. ঘোষণামূলক মামলার (Declaratory Suit) তামাদির মেয়াদ সাধারণত কত?
(ক) ১ বছর (খ) ৩ বছর (গ) ৬ বছর (ঘ) ১২ বছর
সঠিক উত্তর: (খ) ৩ বছর
ব্যাখ্যা: ঘোষণামূলক ডিক্রির মামলার তামাদির মেয়াদ সাধারণত ৩ বছর, অধিকার অস্বীকৃত হওয়ার তারিখ থেকে গণনা।
১৮. চেক ডিজঅনার মামলা (NI Act ধারা ১৩৮) দায়েরের তামাদির মেয়াদ কত?
(ক) নোটিশের মেয়াদ উত্তীর্ণের ১ মাসের মধ্যে (খ) ৩ বছর (গ) ৬ মাস (ঘ) ১ বছর
সঠিক উত্তর: (ক) নোটিশের মেয়াদ উত্তীর্ণের ১ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা: নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্ট আইনের ১৪২ ধারা অনুযায়ী নোটিশে প্রদত্ত সময় উত্তীর্ণের ১ মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হয়।
১৯. তামাদি আইনের তফসিলে বিভিন্ন মামলার জন্য পৃথক অনুচ্ছেদ (Article) নির্ধারিত থাকে — এর উদ্দেশ্য কী?
(ক) মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ ও তার সূচনাবিন্দু নির্ধারণ করা (খ) শুধু কোর্ট ফি নির্ধারণ করা (গ) শুধু এখতিয়ার নির্ধারণ করা (ঘ) কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নেই
সঠিক উত্তর: (ক) মামলার প্রকৃতি অনুযায়ী নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ ও তার সূচনাবিন্দু নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা: তফসিলের প্রতিটি অনুচ্ছেদ নির্দিষ্ট প্রকৃতির মামলার তামাদির মেয়াদ এবং তা গণনার সূচনাবিন্দু আলাদাভাবে নির্ধারণ করে।
২০. বন্ধকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের (Redemption of Mortgage) মামলার তামাদির মেয়াদ সাধারণত কত?
(ক) ৩ বছর (খ) ৬ বছর (গ) ১২ বছর (ঘ) ৬০ বছর
সঠিক উত্তর: (ঘ) ৬০ বছর
ব্যাখ্যা: বন্ধকী সম্পত্তি খালাসের (Redemption) মামলার তামাদির মেয়াদ সাধারণত ৬০ বছর, যা তামাদি আইনের দীর্ঘতম মেয়াদগুলোর একটি।
২১. রেহেন সম্পত্তি বিক্রয়ের বা পুনরুদ্ধারের মামলার (Foreclosure) তামাদির মেয়াদ সাধারণত কত?
(ক) ১২ বছর (খ) ৩০ বছর (গ) ৬০ বছর (ঘ) ৩ বছর
সঠিক উত্তর: (খ) ৩০ বছর
ব্যাখ্যা: রেহেনদাতার বিরুদ্ধে ফোরক্লোজারের মামলার তামাদির মেয়াদ সাধারণত ৩০ বছর।